বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২৬ সালের ‘টি ইন্ডাস্ট্রি ইন বাংলাদেশ
অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, চা–শিল্পের সমস্যা কেবল বাণিজ্যিক সংকটের নয়, এখানে উৎপাদনশীলতারও বড় ঘাটতি রয়েছে।
অর্থনীতিবিদ হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, চা–শিল্পের সমস্যা কেবল বাণিজ্যিক সংকটের নয়, এখানে উৎপাদনশীলতারও বড় ঘাটতি রয়েছে।
ঔপনিবেশিক আমলে চা-বাগানের শ্রমিকসংকট মোকাবিলায় বিহার, যুক্তপ্রদেশ (বর্তমান উত্তর প্রদেশ), মধ্যপ্রদেশ ও সাঁওতাল পরগনা থেকে বিপুলসংখ্যক শ্রমিককে পূর্ববঙ্গে আনা হয়। তাঁদের অধিকাংশই ছিলেন আদিবাসী ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মানুষ।
কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেটের চা–শ্রমিকেরা এখন বিকাশ ডিজিটাল ওয়ালেটে বেতন পাচ্ছেন।
সচিবালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের ১০ জন চা-শ্রমিকের হাতে রেইনকোট তুলে দিয়ে ২০ হাজার রেইনকোট বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বাণিজ্যমন্ত্রীকে সভাপতি করে ১২ সদস্যের একটি পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শক কমিটি গঠন করা হয়েছে যা চা শিল্পের ঋণ পুনর্নির্ধারণ, তহবিল গঠন এবং সোলার প্যানেল স্থাপনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কাজ করবে।
দেশের চা শিল্পের বিকাশ, উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিল্পের দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (২৬ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে দেশের চা শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে আয়োজিত এক সভায় এ আশ্বাস দেন তিনি।
শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী সংসদে জানিয়েছেন, আগামী আগস্টে ওয়েজ বোর্ডের বৈঠকের মাধ্যমে চা-শ্রমিকদের সর্বনিম্ন মজুরি পুনর্নির্ধারণ করা হবে।
চা–শিল্পের সঙ্গে অনেক দিনের সম্পৃক্ততার কারণে প্রায়ই একটি প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়, যদি চা–বাগান খুব লাভজনক না-ই হয়, তাহলে এত এত ব্যবসায়ী কেন চা–বাগানের মালিক হতে আগ্রহী?
চা শুধু একটি পানীয় নয়, এটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা, সংস্কৃতি ও আড্ডার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চা একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ও ঐতিহ্যবাহী খাত।
রপ্তানিতে ধারাবাহিক সাফল্যের পাশাপাশি দেশের চায়ের বাজারে নতুনত্ব ও আধুনিকতা আনায় ভূমিকা রাখছে এসব কোম্পানি।
বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় চায়ের গুণগত মান ও ক্যাফেইনের মাত্রায় ভিন্নতা থাকলেও আধুনিক ব্র্যান্ডিং, আকর্ষণীয় প্যাকেজিং
শত বছরের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশের চা-শিল্প বর্তমানে উৎপাদনে সফল হলেও বৈচিত্র্যকরণ ও বিশ্ববাজারে ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠায় জোরালো অবস্থান তৈরি করতে পারেনি।
দুই বছরের ব্যবধানে লোকসানের বৃত্ত থেকে বের হতে শুরু করেছে দেশের ঐতিহ্যবাহী চা–শিল্প।
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জনবহুল দেশ হলেও ভৌগোলিকভাবে বৈচিত্র্যময়। এ দেশে যেমন রয়েছে পৃথিবীর বৃহত্তম বিস্তীর্ণ সমভূমির বদ্বীপ, তেমনি এর দক্ষিণ–পূর্ব ও উত্তর–পূর্বাঞ্চল হলো পাহাড়-টিলাবেষ্টিত ভূপ্রকৃতি; আর এই টিলাগুলোর বেশির ভাগই উত্তর–পূর্বাঞ্চল অর্থাৎ সিলেটে, যা একসময় আসামের অংশ ছিল।
বাংলাদেশ চা বোর্ড মৌলভীবাজারের চা বাগানে ব্যবস্থাপক পদে একজন কর্মী নিয়োগ করবে। আবেদনের শেষ তারিখ ২৭ মে ২০২৬। বিস্তারিত যোগ্যতা ও প্রক্রিয়া জানুন এখানে।
আজ শুক্রবার দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের ভাড়াউড়া চা–বাগানের দুর্গামন্দির প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের বালিশিরা ভ্যালির আয়োজনে সমাবেশ হয়।
গত বছর শেষে উত্তরের পাঁচ জেলায় আগের বছরের চেয়ে চা উৎপাদন সাড়ে ৫৮ লাখ কেজি বেড়েছে।
সরকারি নিউ সমনবাগ চা-বাগানে মৃত, অবসরপ্রাপ্ত ও অস্তিত্বহীন শ্রমিক মিলিয়ে অন্তত ৪০ জনের সন্ধান পেয়েছে চা বোর্ডের তদন্ত কমিটি।