রাস্তার লোকজন অদ্ভুত চোখে তাকায় নারীটির দিকে
বুদ্ধ ও মীরা দুজন নদীর ধারে বসেছেন। গোধূলির আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছে পলিথিন। বুড়িগঙ্গার দূষিত জলে ময়লার স্রোত। পাশের এক বস্তি থেকে শিশুর কান্না ভেসে আসে।
বুদ্ধ ও মীরা দুজন নদীর ধারে বসেছেন। গোধূলির আকাশে উড়ে বেড়াচ্ছে পলিথিন। বুড়িগঙ্গার দূষিত জলে ময়লার স্রোত। পাশের এক বস্তি থেকে শিশুর কান্না ভেসে আসে।
আজ থেকে আড়াই হাজার বছরের বেশি আগের ঘটনা। কপিলাবস্তু নগরে আষাঢ়ী পূর্ণিমা সাড়ম্বরে উদ্যাপিত হতো। রাজন্তপুরেও উদ্যাপিত হতো এ পুণ্যোৎসব।
সিদ্ধার্থ উপন্যাসের প্রেক্ষাপট, কাহিনি, চরিত্র ও সাধনা ভারতীয় কিংবা বৌদ্ধধর্মের আদর্শভিত্তিক হলেও হেরমান হেসে জীবনকে অনুসন্ধান করেছেন ইউরোপীয় চিন্তাচেতনার আলোকে। তাই তিনি খোলনলচে পাল্টে দিয়েছেন অনেক কিছুর। যেমন গৌতম বুদ্ধের অপর নাম সিদ্ধার্থ হলেও উপন্যাসে দুজনে ভিন্ন ও বিপরীত মতাদর্শের মানুষ।
এই প্রবন্ধে আমি বলার চেষ্টা করেছি যে বুদ্ধের চিন্তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক আজও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। এর মধ্যে রয়েছে উন্মুক্ত যুক্তিবিনিময়ের ভূমিকা, শিক্ষা ও যোগাযোগের গুরুত্ব (যা বিশেষভাবে মুদ্রণ প্রযুক্তির প্রাথমিক বিকাশকে অনুপ্রাণিত করেছিল), অন্তর্ভুক্তিমূলক মূল্যবোধের প্রয়োজনীয়তা, ক্ষমতার দায়বদ্ধতা এবং বৌদ্ধিক বিশ্বজনীনতার তাৎপর্য।
২০১১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি শান্তিনিকেতনে প্রাচীন ভারতীয় ইতিহাসের শিক্ষক ও গবেষক সুধাকর চট্টোপাধ্যায়ের জন্মশতবর্ষ উপলক্ষে অমর্ত্য সেনের দেওয়া ‘সুধাকর চট্টোপাধ্যায় স্মারক বক্তৃতা’।
বুদ্ধপূর্ণিমা বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের অন্যতম পবিত্র দিন। গৌতম বুদ্ধের জীবনের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সঙ্গে দিনটি অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।
কোনো ঈশ্বর বা দিব্যশক্তির ওপর বিশ্বাস করতেন না, কোনো অতীন্দ্রিয় বস্তুর দ্বারা জগতের কল্যাণও আশা করতেন না। তিনি সর্বতোভাবে নির্ভর করেছেন আত্মশক্তির ওপর।
মা যেমন সকল আপদ-বিপদ থেকে নিজের সন্তানকে অপার মৈত্রীবন্ধনে রক্ষা করেন, তথাগত বুদ্ধ আমাদের সকল জীবের প্রতি সেইরূপ মৈত্রীভাব পোষণ করার শিক্ষা দিয়েছেন।