যশোর-৪ আসনে বিএনপি কেন হারল
যশোর-৪ (অভয়নগর, বাঘারপাড়া ও সদর উপজেলার একাংশ) আসনটি বরাবরই আওয়ামী লীগের ‘ঘাঁটি’ হিসেবে পরিচিত। এই আসনে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হন।
যশোর-৪ (অভয়নগর, বাঘারপাড়া ও সদর উপজেলার একাংশ) আসনটি বরাবরই আওয়ামী লীগের ‘ঘাঁটি’ হিসেবে পরিচিত। এই আসনে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হন।
কুষ্টিয়া সদর উপজেলায় চাঁদার টাকা না পেয়ে আওয়ামী লীগের নেতার ওপর যুবদল কর্মীর হামলার ঘটনা ঘটেছে। আজ সোমবার বিকেলে খাজানগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নড়াইল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে আজিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক পদে ইস্রাফিল খবির (রাজু) জয়ী হয়েছেন। ভোট গণনা শেষে সোমবার সন্ধ্যায় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়।
সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আসাদুল হকের বাগানবাড়ির সীমানাপ্রাচীর, সিসিটিভি ক্যামেরা ও জানালার কাছ এবং পুকুরপাড়ের প্রাচীর ভাঙচুর করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিনের মাথায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের খুলনা জেলা ও মহানগর কার্যালয়ে একদল নেতা–কর্মী উপস্থিত হয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবিতে মাল্যদান করার ঘটনা আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
খুলনা-১ আসনে জয়ী হয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমীর এজাজ খান। খুলনা-৫ আসনে বিসিবির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলি আসগার জয়ী হয়েছেন।
বিবৃতিতে খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ নেতারা বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড উসকানিমূলক ও সুপরিকল্পিত চক্রান্তের ইঙ্গিত দেয়।
রোববার সকালে খুলনা জেলার ফুলতলার আইডিয়াল পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ চত্বরে উপজেলা জামায়াত আয়োজিত নির্বাচনোত্তর কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
২০২৪ সালের ৪ আগস্ট খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বিক্ষোভকারীরা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। এর পর থেকে কার্যালয়ে দলটির কাউকে যেতে দেখা যায়নি।
দীর্ঘ ৩৫ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাসে যশোরে এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর উত্থান বিএনপিকে ভাবিয়ে তুলেছে। দীর্ঘদিনের জোট ভেঙে এককভাবে নির্বাচন করা বিএনপি ও জামায়াতের জন্য আশীর্বাদ ও চ্যালেঞ্জ, উভয়ই বয়ে এনেছে।
খুলনা-৬ আসনে পরাজিত বিএনপির প্রার্থী এস এম মনিরুল হাসান ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই ভোটার ও সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাতে এলাকায় এলাকায় ঘুরছেন।
শনিবার রাত দেড়টার দিকে ফুলতলা উপজেলার মশিয়ালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে একটি লাকড়ি রাখার ঘর পুড়ে গেছে।
বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত খুলনা-২ (সদর-সোনাডাঙ্গা) আসনে এবার ব্যতিক্রমী ফল হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে ধারাবাহিক সাফল্যের পর এবার জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর কাছে হেরেছেন বিএনপির প্রার্থী।
যশোরের ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিএনপির প্রার্থীদের ভূমিধস পরাজয় ঘটেছে। একটিমাত্র আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।
খুলনা বিভাগের ১০ জেলার ৩৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে মাত্র ১১টি আসনে জয় পেয়েছে বিএনপি। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামী জিতেছে ২৫টি আসনে। খুলনা বিভাগে আগে কখনো এত বেশি আসনে জামায়াত জয় পায়নি।
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী জাকির হোসেন সরকারের পরাজয়ের জেরে বিএনপির সহযোগী সংগঠনের দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের অভ্যন্তরীণ কোন্দল চরমে উঠেছে।
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক মো. মাকসুদ হেলালীকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন একদল শিক্ষার্থী। তাঁর বাসভবনের ফটকে তালা দেওয়ার চেষ্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে বিএনপির পরাজিত প্রার্থী জাকির হোসেন সরকারকে মিষ্টিমুখ করিয়েছেন জামায়াতের জয়ী প্রার্থী মো. আমির হামজা।
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় নির্বাচন–পরবর্তী সহিংসতায় বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীর এক সমর্থক নিহত হয়েছেন। আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
নড়াইল-২ আসনের (সদরের একাংশ ও লোহাগড়া) বিএনপি ও দলের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৪ জন আহত হয়েছেন।
গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৪৬ ভোট। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিজয়ী বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ আলি আসগার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৫৪ ভোট।
বিএনপির ‘দুর্গ’খ্যাত ঝিনাইদহের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতেই জয় পেয়েছে জামায়াতে ইসলামী। শুধু ঝিনাইদহ–১ (শৈলকুপা) আসনে বিএনপি নেতা সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জয়ী হয়েছেন।
বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। বাকি একটি আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপির প্রার্থী।
কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে (নিকলী এবং বাজিতপুর উপজেলা) বিজয়ী প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ও পরাজিত প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।