ফ্লেক্স
পরদিন সকালে দরজায় একজন। সাদা শার্ট, হাতে ফাইল। বলল, ‘ইনকাম ট্যাক্স অফিস থেকে। আপনার ঘোষিত আয়ের সঙ্গে লাইফস্টাইল ম্যাচ করছে না।’
পরদিন সকালে দরজায় একজন। সাদা শার্ট, হাতে ফাইল। বলল, ‘ইনকাম ট্যাক্স অফিস থেকে। আপনার ঘোষিত আয়ের সঙ্গে লাইফস্টাইল ম্যাচ করছে না।’
বিদুৎ-বিড়ম্বনায় তাঁহারা যা লিখতেন.কিসের টানে বাংলাদেশে ?.ট্রাম্প আরও যা কিছু করতে বাধ্য করতে পারেন.বাংলা নাটকে বিসিএস ক্যাডার.ছাগল–কাণ্ড.সবজান্তা সমীপেষু.বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ.সামাজিক অভিধান.আপনি কত...
‘ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না, তুমি ভালো হতে চেষ্টা করো।’ তারপর আর কোনো প্রশ্নের উত্তর দেব না—নায়কের শেষ সংলাপের পর তো ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক বাজবেই!
‘ছোটবেলা থেকে সিনেমায় দেখেছি, নায়িকার বিয়েতে একজন না একজন আপত্তি তোলে। আমার বিয়েটা এত সাধারণ হোক, সেটা চাইনি। তাই একজনকে ভাড়া করেছি।’
একজন তোমাদের ভেতর থেকে স্লো-মোশনে বেরিয়ে আসে। কেন বেরোয়, কোথায় যায়; মানবসভ্যতা আজও তার উত্তর খুঁজে পায়নি।
অভিজ্ঞ ঘুষগ্রহীতা কখনো বলেন না, ‘টাকা দেন।’ তিনি বলেন, ‘ব্যাপারটা একটু দেখবেন তো।’ এই ‘দেখবেন’ শব্দটির ভেতরেই অনেক সময় পুরো অর্থনীতি লুকিয়ে থাকে।
বাংলাদেশে জীবনযাপন করাটাই একটা চ্যালেঞ্জ। যেকোনো মূহুর্তে যেকোনো কিছু ঘটে যেতে পারে। এই অনিশ্চয়তাই আমাদের জীবনকে আরও বেশি ভালোবাসতে শেখায়।
মনে হলো, গ্যাস আসার খবর শুনে তাঁর পেট আর এক মিনিটও অপেক্ষা করতে রাজি নয়। আমি বললাম, ভাই, আমি তো আধা ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছি।
এই যে Made in China লেখা আছে। মানুষ হলে কী লিখত জানেন? Made in Facebook. বাস্তব জীবনে কিছু না, কিন্তু প্রোফাইলে বিশ্ব বিজয়ী।
একদিন নিশ্চয় আবার আমাদের বিদ্যুৎ থাকবে। গ্যাসও থাকবে। সেদিন হয়তো আমাদের নাতি-নাতনিরা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করবে, ‘দাদু, তোমাদের সময় কি সত্যিই বিদ্যুৎ চলে যেত?’
‘আমার একটা ইচ্ছা আছে, পূরণ করবেন?’—এই কথাটা বললে মনে হয়, অনেক কঠিন কাজও সহজে করিয়ে নেওয়া যেত!
অর্থমন্ত্রীর মতো কারা কারা চাইলেই কাল সকাল থেকে কী কী দিতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন, তা নিয়ে রস+আলোর ভাবনায় এঁকেছেন আনিকা নাওয়ার ঈহা।
আইডিয়া: জুনায়েদ আজিম চৌধুরী, আঁকা: প্রভা পুচ্চি
‘ভাবি, আপনাদের বিয়ের একজন সাক্ষী আমি। স্পষ্ট মনে আছে, আপনি বলেছিলেন, আশিক ভাইকে ভালোবাসা দিয়ে বেঁধে রাখবেন। এই তার নমুনা?’
শম্ভুনাথ cold-bloodedly বাজারে গিয়ে একটা আস্ত জীবন্ত খাসি নিয়ে এলেন। এরপর খাসির দড়ি আমার হাতে ধরিয়ে দিয়ে বললেন, satisfied?
বাঙালীদিগের তৈলের মূল্য অধিক নয়; এবং কি কৌশলে সেই তৈল বিধাতৃপুরুষদিগের সুখসেব্য হয়, তাহাও অতি অল্পলোক জানেন। যাঁহারা জানেন, তাঁহাদিগকে আমরা ধন্যবাদ দিই।
ধ্যানাবস্থা থেকে সজল ভাইয়ের চোখ ‘প্যানাবস্থায়’ রূপ নিল। আমার দিকে লুক দিয়ে গম্ভীর কণ্ঠে বললেন, ‘জনাব, দুই দিনের দুনিয়ায় হেসেখেলে পার করতে আসিনি।’
কিন্তু তাঁরা এসবে পরোয়া করেন না, শুধু বোঝেন ভিউ-ব্যবসা। একদিন তো এই সোশ্যাল মিডিয়ার ভিউ-ই ডিজিটাল বাংলাদেশকে বিশ্বের দরবারে পরিচিত করবে।