যে বন্ধুর জন্য কেয়ামত দিবসে আফসোসে হাত কামড়াতে হবে
আপনি ভালো কিছু করতে গেলে নানা বাহানায় আপনাকে অনুৎসাহিত করে। তখন মনে হয় না, এই মানুষটা কি আসলে বন্ধু নাকি অন্য কিছু?
আপনি ভালো কিছু করতে গেলে নানা বাহানায় আপনাকে অনুৎসাহিত করে। তখন মনে হয় না, এই মানুষটা কি আসলে বন্ধু নাকি অন্য কিছু?
কোরআনের মানদণ্ড মানুষকে দুটি স্পষ্ট ভাগে বিভক্ত করে দেয়—একদল যারা ওহির আলোতে সত্যকে চিনতে পেরেছে, অন্যদল যারা মরীচিকার পেছনে ছুটে ভ্রষ্টতার অন্ধকারে হারিয়ে গেছে।
শয়তান অত্যন্ত সুনিপুণভাবে মানুষের অন্তরে সংশয়, মন্দ চিন্তা আর অন্যায়ের প্ররোচনা তৈরি করে। এই অদৃশ্য শত্রুর ফাঁদ থেকে বেঁচে থাকা মুমিনের বড় সংগ্রাম।
একটা চিন্তা শেষ হয় না, আরেকটা শুরু হয়। এই অবস্থার নাম ‘ওভারথিংকিং’। আজকের পৃথিবীতে লাখো মানুষ প্রতি রাতে এই যন্ত্রণায় ভোগে। সমাধান কী?
কোরআন যেমন আদর্শ পিতার সফল দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করেছে, তেমনি সন্তানদের বিচিত্র স্বভাব ও আচরণের সঙ্গে কীভাবে সর্বোত্তম পন্থায় প্রতিক্রিয়া করতে হয়, তার রূপরেখা প্রদান করেছে।
অনেকেই হয়তো আমাদের সঙ্গে রূঢ় আচরণ করেন বা কষ্ট দেন। কষ্ট মনে পুষে রেখে প্রতিহিংসা পরায়ণ হওয়ার চেয়ে ক্ষমা করে দেওয়া অনেক বেশি সম্মানের।
পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া এবং প্রকৃত সাফল্য লাভের জন্য আল্লাহ–তাআলা কোরআনে কিছু সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দিয়েছেন। জীবন-সংগ্রামের এই পরীক্ষায় সফল হতে সহায়ক এমন ১০টি আয়াত।
পিতৃত্ব একজন মানুষের ওপর অনেক বড় দায়িত্বের বোঝা তৈরি করলেও একে আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দাদের জন্য একটি বিশেষ উপহার ও অনুগ্রহ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মানুষের হৃদয়ে আল্লাহর প্রতি সেই প্রেম ও অনুরাগ বৃদ্ধি করতে এবং তাঁর প্রিয় বান্দা হতে পবিত্র কোরআনে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এমন ১০ আয়াত।
কোথাও বৃষ্টি এসেছে মৃত ভূমিকে পুনর্জীবিত করার রহমত হিসেবে, আবার কোথাও তা অবাধ্য জাতির ওপর নেমে এসেছে আজাব বা শাস্তি হয়ে।
পবিত্র কোরআনে এমন কিছু আয়াত রয়েছে, যা গভীর সংকটেও মনে প্রশান্তি ও আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনে। ভয় ও দুশ্চিন্তা দূর করতে সহায়ক এমন ১০টি আয়াত দেওয়া হলো
সম্পদের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। কোরআনে সম্পদের উপার্জন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
হঠাৎ পাশ থেকে একটি রিকশা আপনার গায়ে ধাক্কা দিল। ব্যথা পেলেন। এক সেকেন্ড—শুধু এক সেকেন্ডের মধ্যে ভেতরে রক্ত গরম হয়ে গেল, গলা শুকিয়ে এল।
কখনো বিপদ আমাদের চারপাশ অন্ধকার করে দেয়। এই কঠিন সময়ে মানুষ যখন দিশেহারা হয়ে পড়ে, তখন পবিত্র কোরআনের বাণী হতে পারে মানসিক শক্তির উৎস।
বিভিন্ন আয়াতে আল্লাহ–তাআলা নামাজে বিনীত ও মনোযোগী হওয়ার গুরুত্ব এবং এর সুফল বর্ণনা করেছেন। নামাজে একাগ্রতা বাড়াতে সহায়ক এমন ১০টি আয়াতের বর্ণনা।
ভবিষ্যতে কী হবে, কীভাবে সংসার চলবে—এই ভয় অনেক সময় আমাদের অস্থির করে তোলে। তবে পবিত্র কোরআনে আল্লাহ–তাআলা রিজিকের ব্যাপারে বারবার অভয় দিয়েছেন
অটল ও কঠিন পাহাড় যদি আল্লাহর কালামের ভয়ে প্রকম্পিত হতে পারে, তবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষের হৃদয় কেন বিগলিত হবে না?
কেন কিছু মানুষের মধ্যে এই ধারণা তৈরি হলো যে ইসলাম ছাড়া অন্য কিছুকে দীন বলা যাবে না? এর পেছনে মূলত তিনটি প্রধান কারণ কাজ করে।
প্রকৃত শিক্ষা তা-ই যা একজন শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতে জাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে গড়ে তোলে। আর সেই শিক্ষার আদর্শ রূপ হতে হবে নববি শিক্ষার আদলে।
এমন কোনো বিধান যা অকাট্যভাবে প্রমাণিত এবং যা সাধারণ ও বিশেষজ্ঞ—সকল স্তরের মুসলিমের কাছে স্পষ্টভাবে পরিচিত, তা অস্বীকার করা ইসলামি বিশ্বাস পরিপন্থী।
কোরআন ও হাদিস আমাদের শেখায়, মন যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে, তখন কিছু আমল তাকে জীবন্ত করে, দুশ্চিন্তা দূর করে এবং বান্দাকে আল্লাহর দিকে ফিরিয়ে আনে।
কোরআনে পিতৃত্বকে একটি গভীর বন্ধন ও দায়িত্ব হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ‘পিতা’ শব্দটি তিন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং পিতৃত্ব সম্পর্কিত শব্দ ১১৭ বার এসেছে। নবী ইয়াকুব (আ.)-এর মতো আদর্শ পিতার উদাহরণও তুলে ধরা হয়েছে।
কোরআনের যেসব আয়াতে দোয়ার কথা বলা হয়েছে বা আল্লাহর কাছে চাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো তেলাওয়াত করলে বা শুনলে সিজদা করার কোনো বিধান নেই।
কোরআনের কারুনের কাহিনী থেকে শিক্ষা নিয়ে আদর্শবাদী সংগঠনের অভ্যন্তরীণ ফিতনা এবং পতন রোধের উপায় তুলে ধরা হয়েছে। কারুনের অহংকার, সম্পদের মোহ এবং দলের বিভাজনের ঘটনা বিস্তারিত বর্ণিত। ফেরাউন, হামান ও কারুনের চক্রের প্রতীকী অর্থও আলোচনা করা হয়েছে।