গভীর রাতে আল্লাহর ডাক আপনি কি শুনতে চান
রাতের সেই নিস্তব্ধ অন্ধকারে আল্লাহ–তাআলা আসমান থেকে ডাকছেন। ‘কে আছ যে আমাকে ডাকবে? আমি সাড়া দেব। কে আছ যে চাইবে? আমি দেব—যা চাইবে তা-ই।’
রাতের সেই নিস্তব্ধ অন্ধকারে আল্লাহ–তাআলা আসমান থেকে ডাকছেন। ‘কে আছ যে আমাকে ডাকবে? আমি সাড়া দেব। কে আছ যে চাইবে? আমি দেব—যা চাইবে তা-ই।’
কোরআন বারবার মনে করিয়ে দেয় যে সবকিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ; তিনিই সংকটের রব, তিনিই স্বস্তির দিতে পারেন—এমন বিশ্বাস মুমিনের অন্তরে প্রশান্তি তৈরি করে এবং নিয়মিত তেলাওয়াত মানুষকে পথের দিশা দেয়।
ঘোষণা শেষ হতে না হতেই এক নারী দাঁড়িয়ে প্রশ্ন তুললেন। নারীটি বলেন, ‘হে আমিরুল মুমিনীন, আল্লাহর কিতাব বেশি অনুসরণযোগ্য, নাকি আপনার ঘোষণা?’
আল্লাহর রিজিকদাতা হওয়ার সবচেয়ে বড় প্রমাণ তার সর্বজনীনতা। তিনি কেবল বিশ্বাসীদের নয়, যারা তাকে অস্বীকার করে তাদেরও জীবনোপকরণ দেন।
ইসলামের প্রথম যুগ থেকেই আল্লাহর হক ও বান্দার হক রক্ষার বিষয়টি অবিচ্ছেদ্যভাবে মুসলমানদের আচরণে প্রকাশ পেয়েছে। কোরআনে দুটি বিষয়কে আলাদা করা হয়নি।
আমরা কোরআন থেকে কীভাবে বরকত গ্রহণ করব এবং কেনই-বা আমরা নিয়মিত কোরআন পড়া সত্ত্বেও এর আলোয় জীবন আলোকিতা করতে পারছি না।
ইহকাল ও পরকালে চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করতে হলে মানুষকে অবশ্যই আদর্শ গুণাবলি অর্জন করতে হবে। কোরআনে ইমানদারদের এমন কিছু গুণের আলোচনা করা হয়েছে।
তাঁর এই বদান্যতার ফলে সুবিধাবঞ্চিত মানুষগুলো মন খুলে তাঁর জন্য দোয়া করত। এতে আল্লাহর বিশেষ রহমত ও বরকত যেন সেই বাগানে উপচে পড়ত।
শুধু মুখস্থের ওপর ভরসা করা হতো না। কোনো লেখা তখন পর্যন্ত গ্রহণ করতেন না, যতক্ষণ না এর পেছনে সাক্ষ্য থাকত যে এটি রাসুলের সামনে লিপিবদ্ধ করানো হয়েছে।
কোরআনের বারবার তাগিদ দেওয়া আল্লাহর পক্ষ থেকে এক জোরালো ইঙ্গিত ছিল যে, ভবিষ্যতে মুসলমানরা উন্নত ও সুসভ্য জাতিসমূহের সংস্পর্শে আসবে। বাস্তব চিত্রও তা-ই ছিল।
এই গুণের অধিকারী ব্যক্তি শুধু মানসিক প্রশান্তিই পান না, বরং দুনিয়া ও আখেরাতে বিশেষ মর্যাদাও লাভ করেন। তাওয়াক্কুলের ছয়টি উল্লেখযোগ্য লাভ আলোচনা করা হলো।
চরিত্রের দুর্বলতাই সম্পর্কের টানাপোড়েন ও নৈতিক অবক্ষয়ের মূল কারণ। আল্লাহভীতি, সত্যবাদিতা, বিনয়, সুন্দর ব্যবহার, ক্ষমাশীলতা, ধৈর্য ও আমানত রক্ষার মাধ্যমে উত্তম চরিত্র গঠন সম্ভব।
অন্যায়ের মুখে কখন প্রতিবাদ করব, কখন চুপ থাকব—কোরআন ও হাদিস এর ভারসাম্যের পথ দেখায়। জুলুমের শিকার হলে কথা বলা অধিকার, কিন্তু মন্দ কথা আল্লাহ পছন্দ করেন না। সঠিক সময়, নিয়ত ও ভাষায় সিদ্ধান্ত নিন।
জীবনের প্রতিকূলতায় আল্লাহর ওপর ভরসা বাড়াতে সাহায্য করবে এই ১০টি কোরআনি আয়াত। প্রত্যেকটির উচ্চারণ, অর্থ এবং সূরা-আয়াত উল্লেখ করা হয়েছে। তাওয়াক্কুলের মাধ্যমে মানসিক শান্তি ও ইমানের দৃঢ়তা লাভ করুন।
জাগতিক ব্যস্ততায় নেক আমলের ধারাবাহিকতা নষ্ট হয়ে যায় না যেন, সেই ইস্তিকামাহ বজায় রাখতে পবিত্র কোরআনের ১০টি শক্তিশালী আয়াতের অনুপ্রেরণা। এগুলো পাঠ করে মানসিক দৃঢ়তা ও আধ্যাত্মিক জোর পাওয়া যায়। ধৈর্য, তওবা ও পারস্পরিক উপদেশের মাধ্যমে নেক পথে অবিচল থাকুন।
ইসলাম প্রচারে কোমলতা মূল নীতি হলেও সত্যের দৃঢ়তা বজায় রাখতে হয়। মুসা (আ.)-এর ফেরাউনের সঙ্গে সংলাপ থেকে কখন কোমল, কখন কঠোর হওয়ার শিক্ষা পাওয়া যায়। কোরআনের আয়াতগুলো এই ভারসাম্য বোঝায়।
জীবন সবসময় একইভাবে চলে না। কখনো কখনো এমন কঠিন মুহূর্ত আসে যখন মনে হয় চারপাশ থেকে অন্ধকার আমাদের ঘিরে ধরছে।
হিংসা, অহংকার, সংশয় আর অস্থিরতা হলো অন্তরের কঠিন ব্যাধি। এই আধ্যাত্মিক রোগগুলো থেকে মুক্তি পেতে পবিত্র কোরআনের ১০টি মহৌষধ তুলে ধরা হলো।
মানুষ হিসেবে আমাদের ভুল হওয়া বা পাপে লিপ্ত হওয়া অস্বাভাবিক নয়। নিরাশ না হয়ে নতুন করে জীবন শুরুর প্রেরণা জোগাতে তওবা বিষয়ক ১০টি অনন্য আয়াত তুলে ধরা হলো।
অনুবাদ কেবল আমাদের অর্থের একটি সাধারণ ধারণা দেয়, কিন্তু সেই শব্দের অন্তরালে থাকা জ্যোতি পেতে হলে মূল ভাষার কাছেই ফিরে যেতে হবে।
কোরআনের মানদণ্ড মানুষকে দুটি স্পষ্ট ভাগে বিভক্ত করে দেয়—একদল যারা ওহির আলোতে সত্যকে চিনতে পেরেছে, অন্যদল যারা মরীচিকার পেছনে ছুটে ভ্রষ্টতার অন্ধকারে হারিয়ে গেছে।
পৃথিবীর সব সম্পর্কের মধ্যে সবচেয়ে পবিত্র হলো সন্তানের প্রতি বাবা-মায়ের ভালোবাসা। আল্লাহর ইবাদতের পরেই বাবা-মায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও সদাচরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
শয়তান অত্যন্ত সুনিপুণভাবে মানুষের অন্তরে সংশয়, মন্দ চিন্তা আর অন্যায়ের প্ররোচনা তৈরি করে। এই অদৃশ্য শত্রুর ফাঁদ থেকে বেঁচে থাকা মুমিনের বড় সংগ্রাম।
একটা চিন্তা শেষ হয় না, আরেকটা শুরু হয়। এই অবস্থার নাম ‘ওভারথিংকিং’। আজকের পৃথিবীতে লাখো মানুষ প্রতি রাতে এই যন্ত্রণায় ভোগে। সমাধান কী?