নবী আইয়ুবের দেহ কি পোকায় খেয়েছিল
জনশ্রুতি আছে, নবী আইয়ুব (আ.) দীর্ঘদিন কঠিন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। একপর্যায়ে তাঁর শরীরের গোশত ক্ষয়ে যায়, শরীরে পোকা জন্ম নেয় এবং দুর্গন্ধে মানুষ দূরে সরে যায়।
জনশ্রুতি আছে, নবী আইয়ুব (আ.) দীর্ঘদিন কঠিন রোগে আক্রান্ত ছিলেন। একপর্যায়ে তাঁর শরীরের গোশত ক্ষয়ে যায়, শরীরে পোকা জন্ম নেয় এবং দুর্গন্ধে মানুষ দূরে সরে যায়।
কোরআনের প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি আয়াত হেদায়েত, রহমত ও কল্যাণে পরিপূর্ণ। তাই কোরআন তিলাওয়াত করা যেমন ইবাদত, তেমনি এর আদব রক্ষা করাও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
অন্যায়ের মুখে কখন প্রতিবাদ করব, কখন চুপ থাকব—কোরআন ও হাদিস এর ভারসাম্যের পথ দেখায়। জুলুমের শিকার হলে কথা বলা অধিকার, কিন্তু মন্দ কথা আল্লাহ পছন্দ করেন না। সঠিক সময়, নিয়ত ও ভাষায় সিদ্ধান্ত নিন।
ভিড়ের মাঝেও একাকীত্ব অনুভব করেন? কোরআন এর ব্যাখ্যা দিয়েছে সুরা কাফ, ত্বহা ও রাদসহ বিভিন্ন আয়াতে। আল্লাহর স্মরণই হৃদয়ের শূন্যতা ভরে, প্রশান্তি দেয়। ইমাম গাজ্জালি ও ইবনুল কাইয়িমের উক্তি উল্লেখ করে লেখক ব্যাখ্যা করেছেন।
জীবনের প্রতিকূলতায় আল্লাহর ওপর ভরসা বাড়াতে সাহায্য করবে এই ১০টি কোরআনি আয়াত। প্রত্যেকটির উচ্চারণ, অর্থ এবং সূরা-আয়াত উল্লেখ করা হয়েছে। তাওয়াক্কুলের মাধ্যমে মানসিক শান্তি ও ইমানের দৃঢ়তা লাভ করুন।
মানুষ হিসেবে আমাদের ভুল হওয়া বা পাপে লিপ্ত হওয়া অস্বাভাবিক নয়। নিরাশ না হয়ে নতুন করে জীবন শুরুর প্রেরণা জোগাতে তওবা বিষয়ক ১০টি অনন্য আয়াত তুলে ধরা হলো।
অনুবাদ কেবল আমাদের অর্থের একটি সাধারণ ধারণা দেয়, কিন্তু সেই শব্দের অন্তরালে থাকা জ্যোতি পেতে হলে মূল ভাষার কাছেই ফিরে যেতে হবে।
আপনি ভালো কিছু করতে গেলে নানা বাহানায় আপনাকে অনুৎসাহিত করে। তখন মনে হয় না, এই মানুষটা কি আসলে বন্ধু নাকি অন্য কিছু?
কোরআনের মানদণ্ড মানুষকে দুটি স্পষ্ট ভাগে বিভক্ত করে দেয়—একদল যারা ওহির আলোতে সত্যকে চিনতে পেরেছে, অন্যদল যারা মরীচিকার পেছনে ছুটে ভ্রষ্টতার অন্ধকারে হারিয়ে গেছে।
শয়তান অত্যন্ত সুনিপুণভাবে মানুষের অন্তরে সংশয়, মন্দ চিন্তা আর অন্যায়ের প্ররোচনা তৈরি করে। এই অদৃশ্য শত্রুর ফাঁদ থেকে বেঁচে থাকা মুমিনের বড় সংগ্রাম।
একটা চিন্তা শেষ হয় না, আরেকটা শুরু হয়। এই অবস্থার নাম ‘ওভারথিংকিং’। আজকের পৃথিবীতে লাখো মানুষ প্রতি রাতে এই যন্ত্রণায় ভোগে। সমাধান কী?
অনেকেই হয়তো আমাদের সঙ্গে রূঢ় আচরণ করেন বা কষ্ট দেন। কষ্ট মনে পুষে রেখে প্রতিহিংসা পরায়ণ হওয়ার চেয়ে ক্ষমা করে দেওয়া অনেক বেশি সম্মানের।
কোথাও বৃষ্টি এসেছে মৃত ভূমিকে পুনর্জীবিত করার রহমত হিসেবে, আবার কোথাও তা অবাধ্য জাতির ওপর নেমে এসেছে আজাব বা শাস্তি হয়ে।
সম্পদের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। কোরআনে সম্পদের উপার্জন ও ব্যয়ের ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
কখনো বিপদ আমাদের চারপাশ অন্ধকার করে দেয়। এই কঠিন সময়ে মানুষ যখন দিশেহারা হয়ে পড়ে, তখন পবিত্র কোরআনের বাণী হতে পারে মানসিক শক্তির উৎস।
অটল ও কঠিন পাহাড় যদি আল্লাহর কালামের ভয়ে প্রকম্পিত হতে পারে, তবে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষের হৃদয় কেন বিগলিত হবে না?
কোরআনে পিতৃত্বকে একটি গভীর বন্ধন ও দায়িত্ব হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ‘পিতা’ শব্দটি তিন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে এবং পিতৃত্ব সম্পর্কিত শব্দ ১১৭ বার এসেছে। নবী ইয়াকুব (আ.)-এর মতো আদর্শ পিতার উদাহরণও তুলে ধরা হয়েছে।
কোরআনের কারুনের কাহিনী থেকে শিক্ষা নিয়ে আদর্শবাদী সংগঠনের অভ্যন্তরীণ ফিতনা এবং পতন রোধের উপায় তুলে ধরা হয়েছে। কারুনের অহংকার, সম্পদের মোহ এবং দলের বিভাজনের ঘটনা বিস্তারিত বর্ণিত। ফেরাউন, হামান ও কারুনের চক্রের প্রতীকী অর্থও আলোচনা করা হয়েছে।
পবিত্র কোরআনে ‘আখসারিনা আমালা’ বা সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত আমলকারীদের পরিচয় দেওয়া হয়েছে। সারাজীবনের খাটুনি শেষ বিচারে পণ্ড যায় যদি ইখলাস ও সুন্নাহ না থাকে। ইমাম আল-মাওয়ার্দি ও তাবারির ব্যাখ্যায় এদের পাঁচটি গোষ্ঠী উল্লেখ করেছেন।
পবিত্র কুরআনের সুরা নাসর মক্কা বিজয়ের সুসংবাদ দিয়ে ইসলামের প্রসার ঘটায় এবং নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর বিদায়ের ইঙ্গিত বহন করে। এতে তসবিহ, ইস্তিগফারের নির্দেশ এবং কৃতজ্ঞতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। বিজয়ের মুহূর্তে বিনয় ও শুকরিয়ার বার্তা এই সুরার মূল শিক্ষা।
ওহি নাজিলের সময় নবীজি (সা.) কঠোর পরীক্ষার মুখোমুখি হতেন, শীতকালেও তাঁর কপালে ঘাম জমত। ২৩ বছর ধরে ক্রমান্বয়ে অবতীর্ণ কুরআনের এই রহস্য ও তাৎপর্য বোঝায় নবীর উম্মিতা এবং মুজাজার কথা।
কোরআন তেলাওয়াতে সঠিক জায়গায় থামতে ওয়াকফ চিহ্ন চেনা জরুরি, নচেৎ অর্থ বদলে যেতে পারে। এখানে প্রধান ৭টি বিরতি চিহ্ন ও তাদের নিয়ম তুলে ধরা হয়েছে। শুদ্ধ পাঠের জন্য এগুলো আয়ত্ত করুন।
রমজানে কোরআনের ছোঁয়ায় মুমিনের অন্তর উদ্বেলিত হয়, হৃদয়ে নামে হেদায়েতের বসন্ত। আর সে বসন্ত পূর্ণতা পায় তারাবির নামাজে কোরআন পাঠের মাধ্যমে।
জীবনের নানা ব্যস্ততায় খতম সম্পন্ন করা হয়ে ওঠে না। এই নিবন্ধে ১০টি কার্যকর পদ্ধতি তুলে ধরা হলো, যা রমজানে কোরআন খতম করতে সহায়তা করবে।