কৃষকের কাছে কৃষির চাবি ফেরত দেবে কে
নির্বাচনের আগে টলটলে কুয়াশার ভেতর ঘুরছিলাম রূপাভুই, লামাগাঁও, বাঙ্গালভিটা, বাসাউড়া, মুঝরাই গ্রামে।
নির্বাচনের আগে টলটলে কুয়াশার ভেতর ঘুরছিলাম রূপাভুই, লামাগাঁও, বাঙ্গালভিটা, বাসাউড়া, মুঝরাই গ্রামে।
আলু চাষ করে গত মৌসুমে লোকসান গুনেছিলেন চন্দনাইশের কৃষক মো. হারুন। তাই এবার ঝুঁকি কমাতে জমি কমিয়েছেন। ২০ শতক জমিতে আলু লাগিয়েছিলেন। ইতিমধ্যে প্রায় ৬০০ কেজি আলু তুলেছেন মাঠ থেকে। কিন্তু বিক্রি করতে গিয়ে দেখেছেন, হিসাব মিলছে না।
দিনাজপুরে সবুজ আর তামাটে রঙের পাতার ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে লিচুর মুকুল। ফাল্গুনের হাওয়ায় কচি পাতার সঙ্গে দোল খাচ্ছে কুশিসহ মুকুলগুলো।
ভবদহ অঞ্চলে প্রায় ২৬৮ কোটি টাকার দুটি প্রকল্পের কাজ চলছে। সাগর থেকে আসা পলি ব্যবস্থাপনার জন্য আরও ২৮০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।
কক্সবাজারের টেকনাফের বাজারে অসময়ে মিলছে আম।
সিরাজগঞ্জে এবার ৯০ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে শর্ষের চাষ হয়েছে। তা থেকে ১ লাখ ৪৬ হাজার টন শর্ষে উৎপাদনের আশা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের।
খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি এলাকায় রবি মৌসুমে এবার এক ভিন্ন দৃশ্য দেখা গেছে। গ্রামের কৃষকেরা আগে কখনো ভাবেননি, লবণাক্ত এ জমিতে সম্ভব হতে পারে বার্লির চাষ।
সড়কের পাশে সারি সারি লাউয়ের পসরা। এখান থেকেই একে একে কিনছেন পাইকাররা। কেউ নিচ্ছেন দুই হাজার, আবার কেউ নিচ্ছেন পাঁচ হাজার। এভাবেই পাঁচ ঘণ্টায় ৩৬ হাজার লাউ গেল ঢাকায়।
রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় ফল উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। কিন্তু এই অগ্রগতির চিত্র সব জেলায় সমান নয়। উৎপাদনের দৌড়ে বান্দরবান ও রাঙামাটি এগিয়ে থাকলেও খাগড়াছড়ি ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে।
শুনতে অবাক লাগলেও ৪০ ধরনের ফল ধরা গাছের অস্তিত্ব কিন্তু পৃথিবীতে সত্যিই রয়েছে।
ভারত আগামী পাঁচ বছরে প্রতিবছর ১০০ বিলিয়ন (১০ হাজার কোটি) মার্কিন ডলার মূল্যের মার্কিন পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন পরিচালকের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এই তথ্য চাওয়া হয়েছে। সেই পরিচালক ব্যক্তিগত প্রয়োজনে এই তথ্য চেয়েছেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রাধানগর গ্রামের মানুষ কয়েক বছর আগেও পাথরকেন্দ্রিক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁরা আমন ধান ছাড়া কিছুই চাষ করতেন না। এখন গ্রামটিতে রীতিমতো সবুজের বিপ্লব চলছে। এর নায়ক মো. মনিরুজ্জামান।
একটা সময় শহুরে নাগরিকদের অবসর সময় কাটানো, মানসিক প্রশান্তি কিংবা পরিবারের জন্য নিরাপদ, তাজা শাকসবজি, ফলমূলের জোগান নিশ্চিত করার চিন্তা থেকে শুরু হলেও বর্তমানে নগরকৃষি একটি সম্ভাবনাময় বাণিজ্যিক খাত হিসেবে বিবেচিত। সেই সঙ্গে পরিবেশগত বিষয়ও এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
হবিগঞ্জের প্রান্তিক এলাকায় নারীরা সংসারের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসা, অনলাইন উদ্যোগ ও গুচ্ছ উদ্যোগের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। ব্যবসা, চাকরি, প্রবাসী আয়, এসএমই ব্যবসা ও নানা সেবা খাতে যুক্ত হচ্ছেন। এর মাধ্যমে জেলার অর্থনীতিতে পরিবর্তন আসছে।
রেজাউল করিম খন্দকারের বাড়িটির অবস্থান মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী এক প্রান্তে, বড়লেখা উপজেলার সরিয়া গ্রামে। বাড়ি এখন দেশি-বিদেশি দুর্লভ সব ফল-ফুলের এক মায়াবী উদ্যান হয়ে উঠেছে।
একসময় ধান ছাড়া কিছুই কল্পনা করা যেত না। অথচ আজ সেই ধানী জমিতেই ঝুলছে সারি সারি মিষ্টি কুল, আম আর কমলার ফল। ভোলার লালমোহন উপজেলার এক কৃষকের সাহসী সিদ্ধান্ত বদলে দিয়েছে এলাকার কৃষিচিত্র।
কৃষি উৎপাদন, চাহিদা ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং কৃষি–বাণিজ্যে গুরুত্ব দিতে সরকার ২৫ বছর মেয়াদি খসড়া মহাপরিকল্পনা তৈরি করেছে।
যিশুখ্রিষ্টের জন্মের ১১ হাজার বছর আগের খাদ্যাগারের সন্ধান মিলেছে। জর্ডানে পাওয়া ওই খাদ্যাগারগুলো কৃষির সূচনার অন্তত দেড় হাজার বছর আগের।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে ৩৯ হাজার কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের অর্থনীতি, খাদ্যনিরাপত্তা ও গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে কৃষি নিবিড়ভাবে যুক্ত। এই কৃষিব্যবস্থার পেছনে রয়েছে লক্ষ মানুষের পরিশ্রম।
রংপুর নগরের লালকুঠির বাসিন্দা মেহেদী ইউটিউব ঘেঁটে মাশরুম চাষ শুরু করেন। এখন কাঁচা মাশরুম, বীজ ও মাশরুমের বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী বিক্রি করে মেহেদীর মাসে আয় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা।
একসময়ের শস্যভান্ডার হিসেবে পরিচিত উত্তরবঙ্গ আজ নিজের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে লিপ্ত। মাঠের পর মাঠ আবাদযোগ্য জমি থাকলেও সেখানে প্রাণ দেওয়ার মতো পানি নেই।
সীতাকুণ্ডে রঙিন ফুলকপির চাষাবাদ শুরু হয়েছে ২০২৩ সালে। সে বছর পরীক্ষামূলকভাবে ১৩ শতক জমিতে ১ হাজার ২০০ চারা লাগানো হয়। রঙের ভিন্নতার কারণে খুব দ্রুত স্থানীয় বাজারে এটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। যার কারণে পরের বছর থেকে চাষাবাদও বেড়ে যায়। ২০২৪ সালে চাষাবাদ হয় ৩ হেক্টর জমিতে। চলতি মৌসুমে সীতাকুণ্ডের ৪ হেক্টর জমিতে রঙিন ফুলকপির চাষ হয়েছে।