সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবেন কবিরা
জাতীয় কবিতা পরিষদের আয়োজনে মহান ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন রোববার থেকে শুরু হয়েছিল জাতীয় কবিতা উৎসব। এবার উৎসবের স্লোগান ছিল ‘সংস্কৃতিবিরোধী আস্ফালন রুখে দেবে কবিতা’।
জাতীয় কবিতা পরিষদের আয়োজনে মহান ভাষা আন্দোলনের মাস ফেব্রুয়ারির প্রথম দিন রোববার থেকে শুরু হয়েছিল জাতীয় কবিতা উৎসব। এবার উৎসবের স্লোগান ছিল ‘সংস্কৃতিবিরোধী আস্ফালন রুখে দেবে কবিতা’।
মানুষ যখন জীবনের দুই প্রান্তে দাঁড়িয়ে পড়ে—না পারে ফিরে যেতে, না পারে সামনে এগোতে—ঠিক সেই দ্বিধার জায়গাটাকেই এই গান সহজ ভাষায় প্রকাশ করে।
৩৮তম জাতীয় কবিতা উৎসব উদ্বোধন হলো কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। এই উৎসব থেকে কবিরা অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর ডাক দিয়েছেন।
তোমার দেহাতি অবয়ব সুপ্রাচীন দেয়ালের মতো, আদিম বৃক্ষের মতো স্থির,
এবারের উৎসবের প্রতিপাদ্য ‘সংস্কৃতি-বিরোধী আস্ফালন রুখে দিবে কবিতা’।
উটপাখি আঁকছিলাম কাইল কিংবা মাঝারি একটা মরা প্রবালের ওপর বসি পা দুলাইতে দুলাইতে
বাতি নিভিয়ে দেয় তারা আর অন্ধকার গ্লাসে আলোর বটিকাটি দ্রবীভূত হওয়ার আগে
কত বঞ্চনা তবুও করি তার বন্দনা আমি নই পণ্য, তুমি চতুর তুমি শিকারি
হাত ধরে হেঁটে গিয়ে এই শীতে কুয়াশা রুমাল ওড়ানোর কথা ছিল
নব্য নগদ আয়তনের ভারে অথবা ধারে ফালা ফালা দেহবৃক্ষ—
পরিষদের নেতারা জানান, মাসব্যাপী এই সাংস্কৃতিক অভিযাত্রা কর্মসূচি চলবে আগামী ২১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
শীত এলে পিঠা আর কুয়াশার ঘ্রাণ নদীতীর, বক পাখি, ভোরের উড়ান
তার জ্বলন্ত লাশ নিয়ে উল্লাস করেছে মানুষ এই বেইনসাফের রাস্তায় কবিতার মতো হেঁটেছিল হাদি
লাজুক গুইসাপ শীতের সংশয় নিয়ে আস্তে-ধীরে পার হয় বনপথ।
প্রতিবার শীতের শিরোনামটা আমি তিনজনকে বলি হৃৎপিণ্ড কাঁপানো এবার বাতাসেই বললাম: তিনে—
গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
শোনো—জ্যোৎস্নার টুপি পরা অভিসারী ঘুঘুদের ধূলিপিণ্ড আয়না—রাস্তা পেরোলেই দেখবে একটি স্বপ্ন দীক্ষিত মেধাবী বিড়াল আপেল খাচ্ছে একাকী।
জাতীয় কবিতা পরিষদের ৬২তম কবিতাপাঠ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আসলেই আমি অকর্মা, আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না।
কবি জসীমউদ্দীন মানবিক সত্তাও ফুটে উঠেছে শিশুতোষ ছড়া ও কবিতায়।