ভারতীয়দের চা–শিঙাড়াতেও লাগছে ইরান যুদ্ধের আঁচ
ভারতের রেস্তোরাঁ ও স্ট্রিট ফুডপ্রেমীদের মনেও একধরনের অস্বস্তি তৈরি করছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ।
ভারতের রেস্তোরাঁ ও স্ট্রিট ফুডপ্রেমীদের মনেও একধরনের অস্বস্তি তৈরি করছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ।
মার্চ মাসেও ১২ কেজি এলপিজির দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকা অপরিবর্তিত রেখেছে বিইআরসি।
লক্ষ্মীপুরে এলপিজি সিলিন্ডার বিস্ফোরণের পর লাগা আগুনে ৮টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গতকাল মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের কামারহাট বাজারে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
এলপিজি আমদানিতে শুল্ক কমিয়েছে সরকার। এর ফলে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১১১ টাকা ৭৯ পয়সা।
খুচরা বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আমদানি বাড়লেও বাজারে এখনো সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দরে এলপি গ্যাস কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের।
চট্টগ্রামে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) বাজারে স্বস্তি এখনো পুরোপুরি ফেরেনি। সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও দাম কমেনি।
রমজানের আগে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) বাজার স্থিতিশীল হয়ে আসবে বলে আশা দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আমদানি হয়নি। ব্যবসায়ীরা বলছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে মার্চ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
চলতি জানুয়ারি মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৩৫৬ টাকা।
দ্রুততম সময়ে এলপিজি আমদানির জন্য ১১টি দেশের সরকারি তেল কোম্পানির কাছে এরই মধ্যে চিঠি পাঠিয়েছে বিপিসি।
ভোলা থেকে সিএনজি করে ঢাকায় গ্যাস আনার পরিকল্পনা ব্যর্থ। এখন এলএনজি করে আনার নতুন পরিকল্পনা।
তিনটি শর্ত সাপেক্ষে বিপিসিকে এলপিজি আমদানির অনুমতি দেওয়া হলো।
সরকার থেকে সরকার পর্যায়ে এলপিজি আমদানির জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিপিসিকে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
দেশে প্রতিবছর ১০ শতাংশের বেশি হারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) চাহিদা বাড়ে।
তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সাম্প্রতিক সংকট, ভোক্তাদের দুর্ভোগ ও বাড়তি ব্যয় আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল কৌশলগত পণ্যে একক উৎসে নির্ভরতা মোটেই টেকসই নীতি নয়।
এলপিজি ব্যবসায়ীরা সংকটের জন্য সরকারকে দায়ী করলেন। তাঁদের অভিযোগ, বেশি দাম নিচ্ছেন পরিবেশক ও খুচরা ব্যবসায়ীরা।
এলপিজি আমদানির অনুমতি চেয়ে ১০ জানুয়ারি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিবকে চিঠি দেন বিপিসির চেয়ারম্যান মো. আমিন উল আহসান।
ব্যবসায়ীরা এখন থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৭০ দিন পর্যন্ত বাকিতে বা ঋণে এই গ্যাস আমদানির সুযোগ পাবেন।
সরবরাহ বাড়েনি। এলপিজির ১০ শতাংশ ও প্রাকৃতিক গ্যাসের ৫ শতাংশ যায় পরিবহনে। আয় কমে গেছে গ্যাস স্টেশনের।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, এলপিজি–সংকট সরাসরি সারা দেশের পরিবহনব্যবস্থা, ভোক্তাস্বার্থ, সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
পাইপলাইনের গ্যাস–সংযোগ বন্ধ হওয়ার পর রান্নার কাজে বিকল্প হয়ে উঠেছে এলপিজি।
ঢাকায় রান্নার জ্বালানির উৎস মূলত দুটি—তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির পাইপলাইনে সরবরাহ করা প্রাকৃতিক গ্যাস।
সরবরাহ কম থাকার সুযোগে ১ হাজার ৩০৬ টাকার এলপিজির সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে আড়াই হাজার টাকায়ও বিক্রি হচ্ছে।
এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার