তাহমিনা সালেহর খেরোখাতায় জীবনের অম্লমধুর গল্প
তাহমিনা সালেহ তাঁদেরই একজন, প্রথম যে ১০ জন মেয়ে ১৪৪ ধারা ভেঙেছিলেন। কিন্তু এই গল্প তিনি কখনো বলেননি। এমনকি সন্তানেরাও জানত না।
তাহমিনা সালেহ তাঁদেরই একজন, প্রথম যে ১০ জন মেয়ে ১৪৪ ধারা ভেঙেছিলেন। কিন্তু এই গল্প তিনি কখনো বলেননি। এমনকি সন্তানেরাও জানত না।
প্রথম শহীদ মিনারের স্থাপত্য ছিল সহজ-সরল; কিন্তু স্থাপনাটির অন্তর্নিহিত তাৎপর্য বা বক্তব্যটিও ছিল হৃদয়গ্রাহী।
অন্ধকারে গোপন মিটিং, পুরুষের পোশাক পরে পালানো, ম্যাজিস্ট্রেটের মেয়েকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া। চমৎকৃত হতে হতেই জানা ও পড়া অব্যাহত রাখছি।
অপু কেন যেন ভ্যা–ভ্যা করে কাঁদতে লাগল, সুলতান তাকে চেপে ধরে রাখল, পুরোনো সমস্ত ভুলের মতন গাঢ় করে জড়িয়ে ধরে রাখল বন্ধুকে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোদাগাড়ীর প্রত্যন্ত বরেন্দ্রভূমিতে নিজ হাতে বানানো শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে আলোর পাঠশালার শিক্ষার্থীরা। প্রভাতফেরি, কবিতা ও আলোচনা সভায় ছিল একুশের চেতনার আবহ। বিস্তারিত ভিডিওতে
শহরে শীত শীত বলে হাঁক দিয়ে যাচ্ছে ফেরিওয়ালা পয়সা থাকলে কনকনে কিছু শীত কিনে জমিয়ে রাখতাম
সাহিত্য হলো বহু মানুষের ‘সহিত’ মিলিত হওয়ার বাসনার ফল, আর রস হলো বহু হৃদয়ের একাত্মতার গাঁথুনি। ভাষায় রসের সঞ্চারের দ্বারাই হরেক রকমের মুখ ও হৃদয় সমাজ আকারে সংকলিত হয়।
এই নীরবতা ও উদাসীনতার দায় সাধারণ মানুষের নয়; বরং নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ, প্রশাসকদের।
হাতের চুড়িগুলো নিয়ে মৃদু নাড়াচাড়া করতে করতে নীলা বলল, ‘কোম্পানিতে আমরা যারা কাজ করি, তারা সবাই মিলে ইউনিয়ন করেছি কিনা। তার গঠনতন্ত্রটা ছাপাব।’
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঘোগাদহ ইউনিয়নের মুক্তকণ্ঠ চরের শিক্ষার্থীরা কাঠ ও কাগজে তৈরি অস্থায়ী শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে।
পড়ছো ডিলান টমাস। “এভরিম্যানস পোয়েট্রি”। সোয়ানসিতে যাচ্ছে বয়ে রিভার তাওয়ে।
চাটাই বিছিয়ে বই বেচছেন চিত্তরঞ্জন সাহা একুশের দিনভর: কী অবাক দুরূহ সেই গদ্যছবি
১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ১৬টি ছবি তুলেছিলেন রফিকুল। ভাষার দাবির জন্য ছাত্রদের ওপর গুলি হতে পারে—এটা তাঁর কল্পনাতেও ছিল না।
ভাষাশহীদদের স্মরণ, ভাষাবৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও গণতন্ত্র সুসংহত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর।
ভাষাশহীদ দিবসে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়ার ব্যাখ্যায় জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, রাষ্ট্রাচারের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি পালন করেছেন তিনি।
১৮৩৭ সালে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি আইন নং ২৯–এর মাধ্যমে ফারসির পরিবর্তে ওডিশি, বাংলা ও হিন্দুস্তানি (উর্দু) ভাষাকে আদালতের ভাষা করা হয়।
একাত্তরের পর বলা হয়েছিল যে একাত্তর ঘটেছে ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য। কথাটা তলিয়ে দেখা দরকার। বাংলাদেশের সিংহভাগ মানুষ একই সঙ্গে বাঙালি ও মুসলমান।
ফুলে ফুলে ভরেছে মিনার, ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা
রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার অধিকার এসেছে সংগ্রামের পথে, রক্তাক্ত আত্মনিবেদনে; নানা ধাপে। ফিরে দেখা সেই ইতিহাস।
ফুল হাতে নিয়ে শহীদ মিনারের সামনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন চারজন। ভাষাশহীদদের নামে তাঁরা দিচ্ছেন স্লোগান। মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম মহানগর শাখার চারজন নেতা-কর্মীর ফুল দেওয়ার এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একুশে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষার প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকেনি। বরং ফাগুনের আগুন দ্রোহের আগুন জ্বালায়, সেই তাপে শাসকগোষ্ঠী নড়েচড়ে বসতে বাধ্য হয়
ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের বড় মাঠে অবস্থিত শহীদ মিনারে মানুষজন ভিড় করেন। প্রভাতফেরি নিয়ে যে পথ দিয়ে তাঁরা শহীদ মিনারে যান, সেই সড়কজুড়ে এই আলপনা আঁকা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উপলক্ষে ভাষাশহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে যাবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
একুশের ভোরে কালো ব্যাজ ধারণ করে প্রভাতফেরিসহকারে আজিমপুর কবরস্থানে শহীদদের কবরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা জানাবে সর্বস্তরের জনতা।