দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়ানো বড় ইবাদত
বন্যা, ভূমিকম্প, দুর্ভিক্ষ, মহামারি—যুগে যুগে যে নামেই বিপর্যয় আসুক, প্রশ্নটা সব সময় একই থাকে: শরীরের বাকি অংশ কি সাড়া দেবে, নাকি অসাড় থেকে যাবে?
বন্যা, ভূমিকম্প, দুর্ভিক্ষ, মহামারি—যুগে যুগে যে নামেই বিপর্যয় আসুক, প্রশ্নটা সব সময় একই থাকে: শরীরের বাকি অংশ কি সাড়া দেবে, নাকি অসাড় থেকে যাবে?
রাত জেগে অতিরিক্ত কাজ করার কারণ হলো, ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা এবং দ্রুত ধনী হওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা। মানুষ মনে করে সে যত জাগবে, তত আয় করবে।
কোরআন বারবার মনে করিয়ে দেয় যে সবকিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ; তিনিই সংকটের রব, তিনিই স্বস্তির দিতে পারেন—এমন বিশ্বাস মুমিনের অন্তরে প্রশান্তি তৈরি করে এবং নিয়মিত তেলাওয়াত মানুষকে পথের দিশা দেয়।
একটি নদী দূষিত করা মানে কেবল পানির গুণগত অবনতি নয়; বরং সেই নদীর অস্তিত্বগত ভূমিকার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া। ফলে পরিবেশনীতি এখানে নৈতিকতারই সম্প্রসারিত রূপ।
গেমগুলো বাংলাদেশের তরুণদের কাছে এখন পরিচিত নাম। এগুলো খেলতে টাকা লাগে না, কিন্তু ভেতরে থাকা কেনাকাটার ব্যবস্থাটা এমনভাবে সাজানো যে খরচ হতে থাকে।
পাপ করে যেই অপরাধ করেছেন, আল্লাহ ছাড়া সেই ক্ষমা কোথায় পাবেন? কার কাছে চাইবেন? পবিত্র কোরআন নিশ্চয়তাও দিয়েছে, ক্ষমার দরজা সব সময় সবার জন্যই উন্মুক্ত।
সন্তানকে প্রকাশ্যে স্নেহ দেখানো, নামাজের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের মাঝেও তার আরাম নিশ্চিত করা—এসব ছোট ছোট আচরণই একটি শিশুর মনে নিরাপত্তাবোধ তৈরি করে।
বিপদের সময় একজন মুমিনের করণীয় কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে কোরআন-সুন্নাহ জীবনঘনিষ্ঠ দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
যারা আন্তরিকভাবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করে, তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী জীবন গড়তে চায়, আল্লাহ তাদের বঞ্চিত করেন না, বরং হেদায়েতের পথ সহজ করে দেন।
আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে নিখুঁত মনে করা এবং অন্যকে অপূর্ণ মনে করা—এই দুটি মিলিয়ে যে সংস্কৃতি তৈরি হচ্ছে, সেটা সুস্থতার সংস্কৃতি নয়।
জীবনসঙ্গী খোঁজার প্রক্রিয়া সব যুগেই ছিল—কখনো ঘটকের মাধ্যমে, কখনো পারিবারিক যোগাযোগে, কখনো সামাজিক অনুষ্ঠানে। মাধ্যম বদলেছে, প্রয়োজন বদলায়নি।
এই মাদ্রাসারই শ্রেষ্ঠ ফসল আবু হোরাইরা (রা.), যিনি সর্বোচ্চ হাদিস বর্ণনাকারী। অন্যদিকে কেয়ামত–পূর্ব সময়ের হাদিস সংরক্ষণে প্রসিদ্ধি পান হোজাইফা (রা.)।
ইসলামের একটি মৌলিক বিধান হলো, হারাম বলে নির্ধারণ হয়নি—এমন সব বিষয়ই বৈধ বা হালাল। তবে সন্দেহজনক বস্তু থেকে বিরত থাকা উত্তম।
ফিতরাতি বাস্তুবিদ্যার দৃষ্টিতে এই সমতল অন্টোলজির মৌলিক সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট। সে ‘কী আছে’—এই প্রশ্নের আংশিক উত্তর দেয়, কিন্তু ‘কেন আছে’, ‘কোন উৎস থেকে আছে’।
ইসলামের প্রথম যুগ থেকেই আল্লাহর হক ও বান্দার হক রক্ষার বিষয়টি অবিচ্ছেদ্যভাবে মুসলমানদের আচরণে প্রকাশ পেয়েছে। কোরআনে দুটি বিষয়কে আলাদা করা হয়নি।
ইবাদত একমাত্র আল্লাহর জন্য, অন্য কারও জন্য নয়। এই চিরন্তন মহাসূত্র অনুসরণ করেই নবী-রাসুলেরা চরিত্রের সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেছিলেন।
নিজের চেয়ে কম যাদের আছে, তাদের দিকে তাকিয়ে শুকরিয়া আদায় করা, যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকা, আর তুলনার অভ্যাস থেকে নিজেকে সচেতনভাবে দূরে রাখা।
ইসলাম মানুষের জীবনকে এভাবে ভাগ করেনি যে এক ভাগ দুনিয়া আর আরেক ভাগে ইবাদত। ইসলাম শিখিয়েছে, মানুষের পুরো জীবনই ইবাদত হতে পারে।
জায়েদ নামের এক ইয়াহুদি পণ্ডিত ছিলেন। প্রচুর সম্পদ ছিল তাঁর। একপর্যায়ে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং নবীজির সঙ্গে অনেক যুদ্ধেও অংশ নেন।
নেয়ামত কেবল ভোগের জন্য নয়; বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও রয়েছে। তা হলো শোকর বা কৃতজ্ঞতা। কৃতজ্ঞতা ছাড়া নেয়ামতের প্রকৃত অর্থ পূর্ণতা পায় না।
ছাত্রদের অধিকাংশই ছিল গরিব ঘরের সন্তান—নিজের শহরে ফিরে গিয়ে একটা সম্মানজনক অবস্থান পাওয়ার আশায় তারা এখানে পড়াশোনা করতেন, আর মাদ্রাসা তাদের থাকা–খাওয়ার ব্যবস্থা করত।
রঙিন আর সুবাসিত ফুল কি শুধু মৌমাছিকে আকর্ষণ করার জন্যই তৈরি? মৌমাছি তো একটি অতি সাধারণ বা অনাড়ম্বর ফুলেও বসতে পারত, তবে কেন প্রকৃতিতে রঙের এই বিপুল সমারোহ?
প্রতিটি প্রায় একই রকম আয়াতের মধ্যে শব্দের সামান্য অদলবদল, একটা শব্দের আগে-পরে হওয়া বা বাক্যের গঠনে ছোট কোনো পরিবর্তন, যা নিছক কাকতালীয় নয়।
সমালোচনা ও কটূক্তি এক জিনিস নয়। কটূক্তি মানুষের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে এবং মানুষের মাঝে শত্রুতা তৈরি করে, আর সমালোচনার মূল লক্ষ্য হলো সংশোধন