আজ পবিত্র শবে বরাত: পুণ্যময় রজনীর আহ্বান
ফারসি ‘শবে বরাত’ শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। তবে হাদিসের পরিভাষায় এই রাত ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ বা মধ্য-শাবানের রজনী হিসেবে পরিচিত।
ফারসি ‘শবে বরাত’ শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। তবে হাদিসের পরিভাষায় এই রাত ‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’ বা মধ্য-শাবানের রজনী হিসেবে পরিচিত।
অনেকেই ভাবি, ‘এখন তো বয়স কম, কাল থেকে নামাজ শুরু করব’ অথবা ‘সামনের রমজানে নিজেকে বদলে ফেলব।’ বাস্তবতা হলো, সেই ‘আগামীকাল’ হয়তো আসবেই না।
সমস্যার সমাধানে মিশরীয় গবেষক আবদেল-আজিজ সাল্লাম ত্রিকোণমিতি এবং গাণিতিক সারণী ব্যবহার করে ৯টি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন, যা মিশরের জেনারেল সার্ভে অথরিটি কর্তৃক স্বীকৃত।
অনেকে তো তর্কের মুখে বলেই বসেন, “আমরা তো জন্ম নিতে চাইনি, তোমরা আমাদের পৃথিবীতে এনেছ, তাই আমাদের চাওয়া-পাওয়া পূরণ করা তোমাদের আইনি দায়িত্ব।”
ইসলামি স্কলারদের মতে, জ্ঞান হলো একটি নুর, যা আল্লাহ কেবল পবিত্র হৃদয়েই দান করেন। পাপের অন্ধকার হৃদয়ে প্রবেশ করলে জ্ঞানের আলো নিভে যায়।
ধর্মের ক্ষেত্রে যারা নির্ধারিত সহজ পথ ছেড়ে কঠিন ও জটিল পথ বেছে নেয়, তারা শেষ পর্যন্ত পথভ্রষ্ট ও ধ্বংস হয়ে যায়। ইসলাম একটি সহজ ধর্ম।
অনেক সময় ভাবি, “আমি যা বুঝেছি সেটাই ধ্রুব সত্য।” অথচ একটি ঘটনার অনেকগুলো দিক থাকতে পারে। অন্যের ব্যাখ্যা শোনার মানসিকতা থাকা প্রজ্ঞাবান মানুষের পরিচয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছদ্মনাম ব্যবহার করে আলেম-ওলামা, রাষ্ট্রীয় দায়িত্বশীল এবং সাধারণ মানুষের চরিত্রহনন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। ইসলাম যাকে অন্যের দোষ অনুসন্ধান ও প্রচার হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
ধর্মীয় বিশ্বাস মুসলিমদের নেশা ছাড়তে অনুঘটক হিসেবে কাজ করে। প্রার্থনা, আত্মিক প্রতিফলন এবং আল্লাহর ওপর ভরসা আসক্তি নিরাময়ে মানসিক শক্তি জোগায়।
আল্লাহর রাসুল (সা.)–এর পুত্রসন্তানদের মৃত্যুর পর মক্কার কাফেররা তাঁকে ‘আবতার’ বা নির্বংশ বলে উপহাস করত। আস ইবনে ওয়াইল ছিলেন মক্কার অন্যতম প্রভাবশালী নেতা।
মদিনার তিন দিক ছিল পাহাড় ও ঘন খেজুরবাগানে ঘেরা, যা প্রাকৃতিকভাবেই সুরক্ষিত ছিল। কেবল উত্তর দিক ছিল উন্মুক্ত, যেখান দিয়ে শত্রুর প্রবেশের সম্ভাবনা ছিল।
দাম্পত্যে তিক্ততা তৈরি হলেও সমাজ বা পরিবারের চাপে অনেকে ধুঁকে ধুঁকে জীবন কাটান। সাহাবি বারিরার সাহসী সিদ্ধান্ত আমাদের জানায়, মানুষের অন্তরকে বাধ্য করার যায় না।
একটি আবাসিক ভবন ওয়াকফ করার পরিবর্তে আপনি জীবন রক্ষাকারী কোনো ওষুধের ‘পেটেন্ট’ বা স্বত্ব ওয়াকফ করেন যা লাখো মানুষের প্রাণ বাঁচাবে।
দীর্ঘ ২০০ বছরের বেশি সময় এই দ্বীপ মুসলিম শাসনের অধীন ছিল, যা কেবল সামরিক বিজয় নয়, বরং জ্ঞানবিজ্ঞান ও সংস্কৃতির এক অনন্য মিলনস্থলে পরিণত হয়েছিল।
নবী মুসা কিন্তু তাঁর ভাই হারুনকে তুচ্ছ মনে করেননি; বরং তাঁকে নিজের শক্তির উৎস হিসেবে দেখেছেন। একটি শক্তিশালী টিমে সবাই সব বিষয়ে দক্ষ হয় না।
ইউরোপীয় মানসে মুসলমানদের প্রায়ই ‘আগন্তুক’ বা ‘বহিরাগত’ হিসেবে দেখা হয়। সাংবাদিক ও ভ্রমণলেখক তারিক হুসাইনের নতুন বই এই ধারণাকে চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়েছেন।
একটি সাধারণ প্রশ্ন প্রায়ই উত্থাপিত হয়—সাত আসমান বলতে আসলে কী বোঝানো হয়েছে? এগুলো কি আমাদের বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন স্তর, নাকি এর বিস্তার দৃশ্যমান মহাবিশ্বেরও বাইরে?
দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, মানুষ বিনা মূল্যে পাওয়া এই নেয়ামতগুলোকে অনেক সময় গুরুত্বহীন মনে করে এবং সেগুলোর যথেচ্ছ অপব্যবহার করে। অনেকে চোখ দিয়ে নিষিদ্ধ বস্তু দেখে।
ব্যায়ামহীন জীবনে রাতে দীর্ঘ সময় ঘুমিয়েও সকালে অবসাদ কাজ করে। ফলে ফজরে ওঠা কষ্টকর হয়ে পড়ে। তড়িঘড়ি নামাজ শেষ করে বিছানায় ফেরার তাগিদ কাজ করে।
বর্তমান সময়ে বাজারে, বিশেষ করে অটোমোবাইল বা গাড়ির যন্ত্রাংশের দোকানে অনেক সময় অত্যন্ত সুলভ মূল্যে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পাওয়া যায়, যেগুলোর উৎস নিয়ে জনমনে সংশয় থাকে।
দেখা যায়, মা-বাবা জীবিত থাকা অবস্থায় সন্তানদের মাঝে জমি বা সম্পদ বণ্টন করে দিতে চান। এক্ষেত্রে সাধারণ প্রবণতা হলো মিরাসের নিয়মে ছেলেকে মেয়ের দ্বিগুণ দেওয়া।
মানুষের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে যদি এই ‘দেওয়া-নেওয়ার’ ভারসাম্য জরুরি হয়, তবে বিশ্বজগতের প্রতিপালকের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের ভিত্তি কী হওয়া উচিত?
ইবনে জুবায়ের তাঁর ভ্রমণকাহিনিতে লেবাননের পাহাড় অঞ্চলের খ্রিষ্টানদের সম্পর্কে লিখেছেন, তাঁরা সেখানে নির্জনে ইবাদত করা মুসলিম দরবেশদের জন্য খাবার নিয়ে আসতেন।
খ্রিষ্টধর্মাবলম্বী ও ধর্মগ্রন্থে পারদর্শী ওয়ারাকা পুরো ঘটনা শুনে নিশ্চিত করেন, এ সেই ফেরেশতা, যিনি মুসা (আ.)–এর কাছে ওহি নিয়ে এসেছিলেন।