মামলুক যুগে ‘আলেম’ যোদ্ধাদের উত্থান
তাঁরা এমন এক প্রজন্ম তৈরি করেছিলেন, যাঁরা সকালে ঘোড়ার পিঠে মঙ্গোলদের বিরুদ্ধে লড়তেন, আর রাতে কায়রোর কোনো মাদ্রাসায় বসে সহিহ বুখারির সনদ বিশ্লেষণ করতেন।
তাঁরা এমন এক প্রজন্ম তৈরি করেছিলেন, যাঁরা সকালে ঘোড়ার পিঠে মঙ্গোলদের বিরুদ্ধে লড়তেন, আর রাতে কায়রোর কোনো মাদ্রাসায় বসে সহিহ বুখারির সনদ বিশ্লেষণ করতেন।
হঠাৎ পাশ থেকে একটি রিকশা আপনার গায়ে ধাক্কা দিল। ব্যথা পেলেন। এক সেকেন্ড—শুধু এক সেকেন্ডের মধ্যে ভেতরে রক্ত গরম হয়ে গেল, গলা শুকিয়ে এল।
মানবজাতির জন্য আল্লাহ কেবল কিতাব পাঠাননি; বরং বাস্তব রূপ হিসেবে একজন পূর্ণাঙ্গ আদর্শ মানুষও পাঠিয়েছেন। সেই আদর্শকে অনুসরণ করলেই সফলতা অর্জন সম্ভব।
বিভিন্ন আয়াতে আল্লাহ–তাআলা নামাজে বিনীত ও মনোযোগী হওয়ার গুরুত্ব এবং এর সুফল বর্ণনা করেছেন। নামাজে একাগ্রতা বাড়াতে সহায়ক এমন ১০টি আয়াতের বর্ণনা।
স্বপ্নে দেখেন, কেউ তাঁকে জ্ঞানান্বেষণের নির্দেশনা দিচ্ছে। জানতে চান, কোথায় গেলে জ্ঞান অর্জন করতে পারবেন। তাঁকে মক্কার দিকে ইশারা করে দেখিয়ে নির্দেশদাতা অদৃশ্য হয়ে যান।
প্রাণীর মালিকের ওপর আবশ্যিক কর্তব্য হলো তাকে খাবার দেওয়া, চারণভূমিতে নেওয়া এবং পানি পান করানো। কারণ প্রতিটি প্রাণীর জীবনের পবিত্রতা ও মূল্য আছে।
নবীজি (সা.) ছিলেন শ্রেষ্ঠ সাহসী বীর, কিন্তু তিনি হঠকারী ছিলেন না। হিজরতের সময় তিনি আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখার পাশাপাশি নিখুঁত পরিকল্পনাও করেছিলেন।
আপনি মহান আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন; দুই টুকরো সেলাইবিহীন কাপড় পরে, ঠিক যেমন মৃত্যুর পর কেয়ামতের দিন বান্দারা আল্লাহর সামনে দাঁড়াবেন।
নবুয়তপ্রাপ্তির আগে নবীজির পবিত্র চরিত্র, সততা ও জাহেলি যুগের মূর্তিপূজাসহ যাবতীয় পাপাচার থেকে দূরে থাকার গুণাবলি তাঁর সন্তানদের গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল।
একদিন রাস্তায়, সূর্যের তাপে পাথরগুলো গরম হয়ে উঠেছে। তিনি সেজদায়। ঠিক তখনই শত্রুরা তার ওপর ফেলে দিল উটের পচা নাড়িভুঁড়ি। পৃথিবীটা যেন একটু থেমে গেল।
সাহাবিদের বক্তব্যের কথা যখন বলা হয়, তখন মূলত তাঁদের ‘ইজমা’কে বোঝানো হয়। যদি কোনো বিষয়ে সাহাবিরা একমত হন, তবে সেই ব্যাখ্যা গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।
ফাতেমার সুখ্যাতি তুর্কিস্তানে ছড়িয়ে পড়লে তৎকালীন অনেক রাজা–রাজন্য এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ ফাতেমার পাণিপ্রার্থী হয়ে দূত পাঠান। কিন্তু পিতা সমরকন্দি সবিনয়ে সবার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।
রাসুল (সা.) বলেছেন, তিনি তাঁর উম্মতের জন্য সবচেয়ে বেশি ভয় পান ছোট শিরক—বিশেষ করে ‘রিয়া’কে (লোকদেখানো ইবাদত)। কারণ, এটি মানুষের অন্তরকে ধ্বংস করে দেয়।
প্রকৃত শিক্ষা তা-ই যা একজন শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতে জাতির পথপ্রদর্শক হিসেবে গড়ে তোলে। আর সেই শিক্ষার আদর্শ রূপ হতে হবে নববি শিক্ষার আদলে।
ইসলামি সভ্যতা ও ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় যে মুসলিম বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদেরা প্রাণীর প্রতিটি প্রজাতি ও প্রকারভেদ নিয়ে কতটা আগ্রহী এবং সচেতন ছিলেন।
এমন কোনো বিধান যা অকাট্যভাবে প্রমাণিত এবং যা সাধারণ ও বিশেষজ্ঞ—সকল স্তরের মুসলিমের কাছে স্পষ্টভাবে পরিচিত, তা অস্বীকার করা ইসলামি বিশ্বাস পরিপন্থী।
ইসলামের মৌলিক উৎস কোরআন ও সুন্নাহ নারীকে পুরুষের অনুগামী নয়, পরিপূরক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। জাহেলি যুগের নৃশংস প্রথা উৎখাত করে নারীকে সম্মান ও স্বাধীনতা দিয়েছে। কোরআনের আয়াতগুলো এই সমতার সাক্ষ্য বহন করে।
ইসলামি রাষ্ট্রে চুক্তিবদ্ধ অমুসলিমদের জান-মালের নিরাপত্তা মুসলিমের মতোই সমান এবং অলঙ্ঘনীয় বলে ফকিহরা একমত। কুরআন, হাদিস ও খলিফাদের ইতিহাস থেকে এই অধিকারগুলোর সাক্ষ্য পাওয়া যায়। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও ভরণপোষণের দায়িত্বও রাষ্ট্রের ওপর।
মহানবী (সা.)-এর যুগের সাহাবীদের বিভিন্ন পেশা থেকে ইসলামী কর্মসংস্কৃতির আদর্শ উদ্ভাসিত হয়। কুরআন ও হাদিসের আলোকে পেশাগত নৈতিকতা ও প্রযুক্তিযুগে ভারসাম্যের পথ দেখানো হয়েছে। দারিদ্র্য নিরসনে সভ্যতা-নির্মাণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
অষ্টম শতাব্দীর বসরায় জন্মগ্রহণকারী হযরত রাবেয়া বসরি দারিদ্র্য ও দাসত্ব সত্ত্বেও খোদাপ্রেমের ‘হুব্ব’-ভিত্তিক দর্শন প্রচার করেন। তাঁর জীবন সুফিবাদে প্রেমের নতুন মাত্রা যোগ করে। এই প্রতিবেদনে তাঁর জীবন ও শিক্ষার বিবরণ পাওয়া যাবে।
ইসলামে সময়কে ঘড়ির কাঁটায় নয়, আমলের ওজনে মাপা হয়। নিয়তের ইখলাসে প্রতি মুহূর্ত ভারী হয়। নামাজ, রোজা, হজের মাধ্যমে জীবনের ওজন বাড়ানোর পথ দেখানো হয়েছে কুরআন-হাদিসে।
ধৈর্য মানে আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা। ছয়টি ধাপে আবেগ লিখে পর্যবেক্ষণ করে মানসিক স্থিরতা অর্জন করা যায়। হাদিস ও কুরআনের আলোকে এই সহজ কৌশল জীবনে প্রয়োগ করুন।
জীবনের প্রকৃত সফলতা কী? কোরআনের আলোকে অন্তরের পরিশুদ্ধি, আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত লাভের পথ দেখানো হয়েছে। দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী মোহ থেকে মুক্ত হয়ে আখেরাতের চিরস্থায়ী সফলতা অর্জনের শিক্ষা।
সমাজে প্রচলিত এক দোয়ায় ‘তকদির পরিবর্তন হয় না’ বলা হয়, কিন্তু হাদিস ও কোরআন দেখায় দোয়াই তকদির পরিবর্তন করে। ইবনে তাইমিয়া (রহ.) উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন, খাওয়া ছাড়া পেট ভরে না, তেমনি দোয়া ছাড়া বিপদ কাটে না। নবীদের ঘটনা এর প্রমাণ।