এক মঞ্চে জনগণের মুখোমুখি ৯ প্রার্থী
এলাকার উন্নয়নে এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে অঙ্গীকার করেছেন ঠাকুরগাঁও–৩ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী ৯ সংসদ সদস্য প্রার্থী।
এলাকার উন্নয়নে এক মঞ্চে দাঁড়িয়ে অঙ্গীকার করেছেন ঠাকুরগাঁও–৩ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী ৯ সংসদ সদস্য প্রার্থী।
নির্বাচন পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। আজ সকালে বরিশাল সদর উপজেলার কর্ণকাঠি এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথাগুলো বলেন তিনি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরের মতে, ভোটের প্রকৃত বিজয় তখনই হবে, যখন ইসলামের পক্ষে ভোট দেওয়া হবে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বেলা দুইটার দিকে চরফ্যাশন প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে।
চরমোনাই পীর বলেন, দেশে যে ইসলামী পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছিল, সেটিকে তিনি ইসলামের একটি ‘বাক্স’ হিসেবে দেখেছিলেন। সেই বাক্স ছিনতাই করে নেওয়া হয়েছে।
নড়াইল-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মাওলানা আব্দুল আজিজের একটি নির্বাচনী অফিস পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘ইসলামের স্বার্থে আমাদের একক পথচলার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।’
শ্যামপুর-কদমতলীর মানুষ যাতে শান্তিতে বসবাস করতে পারে, সেটি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে ইসলামী আন্দোলন।
আজ বুধবার দুপুরে বরিশাল প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এই নেতা।
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের পর মুয়াযযম হোসাইন বলেন, ‘আমিরে জামায়াতের নির্দেশে সৌজন্যতার জায়গা থেকে ফয়জুল করীমের আসনে আমার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছি।’
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিমের একটি আসনে প্রার্থী সরিয়ে নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামী।
৩২টি আসনে সৎ, যোগ্য ও জনতার প্রতি দায়বদ্ধ প্রার্থীকে সমর্থন দেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও তাদের জোটে ফিরে আসার সুযোগ থাকার কথা জানিয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।
ইসলামী আন্দোলন জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ায় ফাঁকা হওয়া ৪৭টি আসন ১০ দলের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতেই বণ্টন হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
ইসলামী আন্দোলন চলে যাওয়ায় ঐক্যে এনসিপির আসন বাড়ার সম্ভাবনা দেখছে এনসিপি।
জামায়াতসহ পাঁচটি ইসলামি দল এক মোর্চায়, বিএনপির সঙ্গে তিনটি এবং ইসলামী আন্দোলন এককভাবে ভোট করছে।
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা ২৭০ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে।
অনেক টানাপোড়েন, দেনদরবার ও শেষ মুহূর্তে টানা বৈঠকের পর জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে ১০টি দল নির্বাচনী সমঝোতায় পৌঁছেছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১টি রাজনৈতিক দলের ‘১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের’ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠকে বসে জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলের শীর্ষ নেতারা।
রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৈঠকে বসেন ১০ দলের শীর্ষ নেতারা।
দফায় দফায় বৈঠক করেও জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গতকাল বুধবার রাত পর্যন্ত আসন সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি।
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আসন সমঝোতা যখন জটিলতায়, তখন নতুন জোটের ইঙ্গিত দিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান।
জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং আল্লামা মামুনুল হকের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নির্বাচনী আসন সমঝোতায় থাকবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আসন বণ্টন বিষয়ে অসন্তোষ থেকেই এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।