যুক্তরাষ্ট্র কি সত্যিই ইসরায়েলকে পরিত্যাগের প্রস্তুতি নিচ্ছে
ইসরায়েলের অনেকের কাছেই এখন একটা বিষয় অনিবার্য বলে মনে হচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁদের দেশের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন করবেন।
ইসরায়েলের অনেকের কাছেই এখন একটা বিষয় অনিবার্য বলে মনে হচ্ছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁদের দেশের সঙ্গে ওয়াশিংটনের সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন করবেন।
বর্তমান সর্বোচ্চ নেতার এ অনুপস্থিতি জনমনে আলাদাভাবে দাগ কেটেছে। হামলায় তিনি কতটা গুরুতর আহত হয়েছেন, তা নিয়ে আবার গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গাজায় ১৯ লাখের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
ইরানকে ঘিরে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘ প্রস্তুতি থাকলেও নতুন সম্ভাব্য প্রতিপক্ষটি ছড়িয়ে-ছিটিয়ে, বহুমুখী সক্ষমতাসম্পন্ন এবং রাজনৈতিক টানাপোড়েনেই বেশি নির্ভরশীল—তুরস্ক থেকে পাকিস্তান পর্যন্ত নানা নাম আলোচনায়। তবে বিশ্লেষকদের মধ্যেও আছে মতভেদ ও সংশয়।
গ্রিস তার নিরাপত্তা নীতিকে এমন মাত্রায় ইসরায়েলের সঙ্গে একীভূত করেছে, যার কাছাকাছিও ইউরোপের আর কোনো দেশ নেই।
এক তরুণী কথা বলতে রাজি হন। চীন থেকে পড়াশোনা শেষ করে দেশে ফিরেছেন তিনি। জানান, যুদ্ধের কঠিন সময়ে পরিবারের পাশে থাকতেই দেশে এসেছেন।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ওয়াশিংটন পোস্টের এক জরিপে দেখা গেছে, ৬১ শতাংশ আমেরিকান ইহুদি মনে করেন ইসরায়েল গাজায় যুদ্ধাপরাধ করেছে।
আলী খামেনির বিদায় অনুষ্ঠান আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বড় রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান হতে যাচ্ছে। এটা ১৯৮৯ সালের খোমেনির শেষযাত্রার প্রায় এক কোটি মানুষের উপস্থিতিও ছাড়িয়ে যেতে পারে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বা পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ গালিবাফকে হত্যার যেকোনো ইসরায়েলি চক্রান্ত শান্তি আলোচনাকে নস্যাৎ করে দিত বলে আশঙ্কা করছিলেন মার্কিন কর্মকর্তারা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ উপসাগরীয় অঞ্চলের পুরোনো নিরাপত্তাকাঠামোকে ভেঙে দিয়েছে।
গাজায় এখনো ৯ হাজার ৫০০ জন নিখোঁজ
ইসরায়েলের আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত ১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি ক্রীড়াবিদ প্রাণ হারিয়েছেন।
বিপুল ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরান উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছে।
মাসের পর মাস যুদ্ধ, চাপ আর কূটনৈতিক নাটকীয়তার পর লেবানন কার্যত ইসরায়েলের সঙ্গে একটি ‘ইচ্ছাপত্রে’ প্রবেশ করেছে। এর প্রতিক্রিয়া আসতে দেরি হয়নি। লেবাননের বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তি, বিশেষ করে হিজবুল্লাহ ও তাদের মিত্ররা এই চুক্তির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। রাস্তায় প্রতিবাদ হয়েছে, সংবাদমাধ্যমেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ সমাপ্তির লক্ষ্যে মার্কিন প্রশাসন পরস্পর সাংঘর্ষিক দুটি চুক্তি সই করেছে। ইরানের ওপর শান্তির শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার যে ক্ষমতা ইসরায়েল হারিয়েছিল, সেটি তারা এখন লেবাননে ফিরে পেতে চাইছে।
জেরুজালেমে নতুন ও স্থায়ী দূতাবাস নির্মাণে চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড নিয়ে গঠিত জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন জানিয়েছিল, গাজায় ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যা চালাচ্ছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ।
ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে স্বাক্ষরিত নিরাপত্তা চুক্তিটি হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের মূল সংঘাতের সমাধান করার পরিবর্তে উল্টো অচলাবস্থাকে আরও দীর্ঘায়িত করার ঝুঁকি তৈরি করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ২০২৫ সালে পাঁচবার ওয়াশিংটন সফর করেছিলেন।
ট্রাম্পকে কি এখনো হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলা যায়?
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রক্সি বাহিনীর ব্যবহার অস্থিরতা বাড়াচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নেতাদের বিরুদ্ধে শিশুহত্যার বিচার দাবি করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি।
‘এমন পদক্ষেপ লেবাননকে শত্রু ইসরায়েলের হাতের পুতুলে পরিণত করবে।’
২৩ জুন নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত ডেমোক্রেটিক প্রাইমারি নির্বাচন ভবিষ্যতে মার্কিন রাজনীতির এক মোড় ঘোরানো মুহূর্ত হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকতে পারে। এই নির্বাচন শুধু নিউইয়র্কেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু এর প্রভাব অনেক দূর পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ফলাফল বলছে, ডেমোক্রেটিক পার্টির ভেতরে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটছে, প্রগতিশীল রাজনীতির প্রভাব বাড়ছে আর মুসলিম ও আরব-আমেরিকানরা এখন জনজীবনে ক্রমেই গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছেন।