হরমুজ প্রণালির নাম বদলে ‘ট্রাম্প প্রণালি’ রাখতে চান ট্রাম্প
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের মূল কেন্দ্রে এখন হরমুজ প্রণালি।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতের মূল কেন্দ্রে এখন হরমুজ প্রণালি।
আঞ্চলিক রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বী বিভিন্ন জোট বা ব্লকের বিভাজনও ইসরায়েল-গ্রিস সম্পর্কের দ্রুত বিকাশে ভূমিকা রেখেছে।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখন হুমকির মুখে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সন্ত্রাসবিরোধী সাবেক উপদেষ্টা জো কেন্ট পডকাস্টার টাকার কার্লসনকে এ আশঙ্কার কথা বলেছেন।
কিন্তু ছয় মাস পর এখন স্পষ্ট যে সেই প্রত্যাশা পূরণ হচ্ছে না। বরং দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের জন্য, তার প্রভাব সামাল দেওয়ার জন্য অনেকেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার আবু আল-দুহুর বিমানঘাঁটিতে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান থেকে হামলা চালানো হয়েছে।
যুদ্ধের কারণে গাজার কবরস্থানগুলোও ধারণক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে দ্রুত।
ফরাসি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক খোলাচিঠিতে এ আহ্বান জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, ফিলিস্তিনে আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখতে ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রে ইসলামফোবিয়া বা ইসলামভীতি উসকে দেওয়ার বিষয়টি এখন দিবালোকের মতো স্পষ্ট এবং উদ্বেগজনক।
গাজা যুদ্ধ নিয়ে আয়শা ওয়াহাবের অবস্থানও নির্বাচনে আলোচনায় ছিল।
চলতি মাসে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর কোনো নির্দিষ্ট ও তাৎক্ষণিক হুমকির মুখে রিয়াদের প্রতিক্রিয়া ছিল না।
বহু বছর ধরে ইয়েমেনের যুদ্ধ এমন এক সংঘাতে রূপ নিয়েছে, যা আসলে কোনো বিজয়ীর খোঁজ করছে না। এটি এখন এক ক্ষয়িষ্ণু লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে, যেখানে প্রতিটি পক্ষই চায় তার প্রতিদ্বন্দ্বীকে দুর্বল করতে—তবে এমন কোনো জয় নয়, যা পুরো অঞ্চল সামলে উঠতে পারবে না।
পশ্চিম তীরে ‘ই–ওয়ান’ এলাকায় নতুন ১ হাজার ২০০টির বেশি আবাসন ইউনিট নির্মাণের দরপত্র আহ্বানের পর দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিভিন্ন পক্ষ।
সিরিয়ায় হামলার আগে মোসাদের প্রধান ও সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ফোনালাপে তুর্কি সামরিক উপস্থিতি এবং সংশ্লিষ্ট সহায়তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র; ইসরায়েলের অভিযোগ তুরস্ক প্রত্যাখ্যান করেছে।
গাজায় ইসরায়েলের গণহত্যার জবাবে মুসলিম জোট গঠনের ইচ্ছা থেকে শুরু করে সৌদি-আমিরাত-ইসরায়েল সমীকরণ, ওয়াশিংটনের ভূমিকা ও ইরানবিরোধী সামরিক বাস্তবতা—সব মিলিয়ে মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি কেন মধ্যপ্রাচ্যে নতুন টানাপোড়েন তৈরি করছে, তা নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী লেখা।
যুদ্ধক্ষেত্রে ক্ষতি, নেতৃত্বে আঘাত এবং শাসনক্ষমতার সংকোচন বাস্তব হলেও তা থেকেই হামাসের ‘অবসান’—এমন সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে সতর্ক থাকা দরকার। এই বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, গাজা ও ফিলিস্তিন ইস্যুতে প্রভাব বিস্তারে হামাসের উপস্থিতি এখনো দৃশ্যমান এবং যুদ্ধের পরও তাদের নতুন রূপ নিয়ে আলোচনার প্রশ্নই বড় হয়ে ওঠে।
যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর তুলনায় মার্কিন ইহুদিদের মধ্যে মামদানির জনপ্রিয়তা বেশি দেখা গেছে
হরমুজ প্রণালির আশপাশের ইরানি ভূখণ্ডে সেনা মোতায়েন বাড়ানো হয়েছে।
হামাসের নেতাদের সঙ্গে মিসরে বৈঠক করেছেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার।
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলায় তিন শিশুসহ অন্তত ১১ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৯ জন।
ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পাঁচ মাসের বেশি সময় পার হলেও সংঘাত অবসানের চুক্তির সম্ভাবনা এখনো অনিশ্চিত। এই প্রেক্ষাপটে ইরান কীভাবে ‘শাসনের টিকে থাকা’কে কেন্দ্র করে সমঝোতার কৌশল নেয়—সেটি তুলে ধরা হয়েছে।
পশ্চিম তীরের একমাত্র খ্রিষ্টান শহর তাইবেহে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলা, জমি দখল ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বাসিন্দারা।
যুক্তরাষ্ট্রের এক বর্তমান কর্মকর্তা ও দুই সাবেক কর্মকর্তাসূত্রে রয়টার্স জানিয়েছে, ইসরায়েল থেকে আসা হুমকি-সংক্রান্ত তথ্য এবং তা যাচাইয়ের সীমাবদ্ধতা—ট্রাম্পের বিমান বদলের ঘটনার প্রেক্ষাপটও তৈরি করেছে।
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ আঞ্চলিক রাজনীতিতে প্রতীকী বার্তা দিলেও চুক্তির বাস্তব লক্ষ্য ও সামরিক সমন্বয় নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে।