যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও আলোচনার আশা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর
আল–জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আব্বাস আরাগচি এ কথা বলেন।
আল–জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আব্বাস আরাগচি এ কথা বলেন।
গত বছর জুনে ইসরায়েল–ইরান ১২ দিনের যুদ্ধের মধ্যে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র
ট্রাম্প এখনো ওই নির্বাহী আদেশ নিয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি।
উপসাগরীয় দেশ ওমানে এক দিনের এ আলোচনায় ‘ইতিবাচক পরিবেশের’ প্রশংসা করেছে তেহরান।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের মধ্যে আজ শুক্রবার ওমানে দুই দেশের কর্মকর্তাদের মধ্যকার পরোক্ষ আলোচনা শেষ হয়েছে।
তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র তার নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, আলোচনার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর কৌশল এখনো স্পষ্ট নয়।
সাম্প্রতিক দিনগুলোয় আলোচনার পরিধি ও স্থান নিয়ে মতভেদের কারণে বৈঠকটি হওয়া নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছিল।
ইরানে সাম্প্রতিক অস্থিরতা শাসনব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন ঘটায়নি। আবার সেখানে ভেনেজুয়েলার মতো কোনো অভ্যুত্থানের পথও তৈরি করেনি।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে তেহরানকে আলোচনায় বসতে চাপ দিচ্ছেন ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা আরব সাগরে একটি ইরানি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।
ইরানিরা মানসিক চাপ সামলাতে নিজেদের শান্ত রাখার চেষ্টা করছেন। কিন্তু সবার মনেই একটা প্রশ্ন বারবার উঁকি দিচ্ছে: যুদ্ধ শুরু হলে কী হবে?
ইরানের বিক্ষোভকে দেশটির সরকার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের উসকানি হিসেবে দেখছে।
প্রায় ১২ হাজার ৬০০ ডলারের বিনিময়ে এরফান সোলতানিকে জামিন দেওয়া হয়েছে বলেও জানান আইনজীবী আমির।
ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক বিষয়ে একটি চুক্তি করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র।
তবে প্রস্তাবিত সেই আলোচনার রূপরেখা সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি আলী লারিজানি।
ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বর্তমানে পূর্ণ প্রতিরক্ষা ও সামরিক প্রস্তুতিতে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির সেনাপ্রধান আমির হাতামি।
হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত বন্দর আব্বাস ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কনটেইনার বন্দর।
মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, বিদেশি শক্তিগুলো ইরানের সমস্যাগুলোর সুযোগ নিয়েছে।
তুরস্ক সফরকালে সাংবাদিকদের আরাগচি বলেন, ‘আলোচনায় বসতে ইরানের কোনো সমস্যা নেই। তবে হুমকির ছায়াতলে কোনো আলোচনা হতে পারে না।’ মেটা– যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ‘ন্যায়সংগত ও সমতাভিত্তিক’ আলোচনায় ইরান প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান ট্রাম্প ও পেজেশকিয়ানের মধ্যে একটি ভিডিও কনফারেন্সের প্রস্তাব দিয়েছেন।
‘বিদেশি সরকার কিংবা আন্তর্জাতিক চাপের কাছে আমরা মাথা নত করব না’—১৯৫১ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে দাঁড়িয়ে এই সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছিলেন ইরানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেক। সাত দশকের বেশি সময় পেরিয়ে আজ, যখন একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরির বহর ভারত মহাসাগরে প্রবেশ করছে এবং মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে মিসাইলবাহী জাহাজ, তখন মোসাদ্দেকের সেই কথা ইতিহাসের উদ্ধৃতি নয়, বরং চলমান বাস্তবতার ভাষ্য বলে মনে হয়।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের উদ্যোগে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইরান বলেছে, যেকোনো হামলার জবাবে তারা সরাসরি মার্কিন ঘাঁটি ও যুদ্ধজাহাজে হামলা চালাবে।
পারমাণবিক শক্তিচালিত বিশাল বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ বর্তমানে আরব সাগরে মোতায়েন করা হয়েছে। গত কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্র যেসব সামরিক সরঞ্জাম ওই এলাকায় পাঠিয়েছে, এটি তার মধ্যে একটি।