ইরান যুদ্ধে ট্রাম্পের ভুলের মাশুল গুনছে যুক্তরাষ্ট্র, কৌশলগত হার
মার্কিনরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধকে এক চরম বিপর্যয় বলে মনে করেন এবং যেকোনো মূল্যে এর অবসান চান।
মার্কিনরা ইরানের সঙ্গে যুদ্ধকে এক চরম বিপর্যয় বলে মনে করেন এবং যেকোনো মূল্যে এর অবসান চান।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির পরই পাকিস্তানে ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান। এটি মধ্যস্থতার স্বীকৃতি ও রাজনৈতিক কৌশল।
ইরানি ড্রোনের গঠন নিয়ে মার্কিন পাইলটের চাঞ্চল্যকর বর্ণনা নিয়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, এ অর্থ দিয়ে ইরানকে শুধু যুক্তরাষ্ট্র থেকে খাদ্যপণ্য কিনতে হবে, যা ইরানের জনগণের খুব দরকার।
ভবিষ্যতের এসব আলোচনা ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স কীভাবে সামলান, তার ওপর নির্ভর করছে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ফলাফল ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে তাঁর নিজের ভবিষ্যৎ।
আগামী দিনগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত থাকবে।
ভীতিকর অবস্থা ছিল, যদি কোনো কারণে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। কারণ, ওপরে ড্রোনের ভয়, আর নিচে মাইন কিংবা ছোট সাবমেরিনের ভয়।
সুইজারল্যান্ডে দীর্ঘ আলোচনার পর তেল, ব্যাংকিং ও পরিবহন খাতে কিছু ছাড়ের ইঙ্গিত মিলেছে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এতে ওয়াশিংটন ও তেহরান—দুই পক্ষই কৌশলগতভাবে লাভবান হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত বন্ধের লক্ষ্যে সুইজারল্যান্ডে গত রোববার দুপক্ষের মধ্যে প্রথম দফার বৈঠক শুরু হয়।
জাহাজটির কর্মকর্তারা জানান, যুদ্ধ শুরুর পর অন্তত তিনবার হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করেও সফল হওয়া যায়নি।
গতকাল সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে এ হুঁশিয়ারি দেন।
আজ ২২ জুন তাঁর জন্মদিন। একসময় পড়াশোনার খরচ চালানোর জন্য ট্রাফিক পুলিশে কাজ করতেন আব্বাস। তারপরের গল্প যেন সিনেমার মতোই। শিশুদের জন্য ভিডিও বানানো এক শিক্ষক কীভাবে চলচ্চিত্রবিশ্বে জায়গা করেন নেন? কেন এখনো তিনি অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক?
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন ইরানের তেল বিক্রির ওপর থেকে ৬০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
মাত্র কয়েক দিন আগেও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নেতাদের উন্মাদ ও নরাধম (স্কামব্যাগ) নামে অভিহিত করেছিলেন।
শনিবার প্রণালিতে প্রবেশ করা আটটি জাহাজের মধ্যে পাঁচটিই তাদের এআইএস বন্ধ রেখেছিল
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক নিয়ে ভিন্নমত জানিয়েই আলোচনা এগিয়ে নিতে বলেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা। অন্যদিকে বাঘের গালিবাফ আলোচনার সময় সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিজের হাতে চাইছেন।
সুইজারল্যান্ডের এ সপ্তাহজুড়ে ইরান আর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কারিগরি আলোচনা চলবে।
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধ থামানোর জন্য গত সপ্তাহে যে প্রাথমিক চুক্তি হয়েছে, তাতে সবচেয়ে বড় পরাজিত পক্ষ বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাক্ষরিত চুক্তিটি কার্যকর করার সব দায় সরাসরি ওয়াশিংটনের ওপর চাপিয়েছেন।
অবশেষে নির্ধারিত সময়ের দুই দিন পর গতকাল রোববার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু হয়েছে।
৯২ শতাংশ ইসরায়েলি মনে করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে ইরানই জয়ী হয়েছে।
সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব যে রাজনৈতিক বিজয়ের নিশ্চয়তা দেয় না, ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ তা স্পষ্ট করে দিয়েছে। এ যুগে যুদ্ধ হয়ে উঠেছে আরও জটিল।
১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে অস্থায়ী কাঠামোগত সমঝোতা ঘোষণা করা হয়েছে, তা কেবল স্থবির হয়ে থাকা পারমাণবিক আলোচনাকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা নয়।
এমন অবস্থায় শান্তি আলোচনার পরিবেশ জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।