আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ
আলী খামেনির বিদায় অনুষ্ঠান আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বড় রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান হতে যাচ্ছে। এটা ১৯৮৯ সালের খোমেনির শেষযাত্রার প্রায় এক কোটি মানুষের উপস্থিতিও ছাড়িয়ে যেতে পারে।
আলী খামেনির বিদায় অনুষ্ঠান আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বড় রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান হতে যাচ্ছে। এটা ১৯৮৯ সালের খোমেনির শেষযাত্রার প্রায় এক কোটি মানুষের উপস্থিতিও ছাড়িয়ে যেতে পারে।
আয়াতুল্লাহ খামেনিকে প্রথমে মার্চ মাসে দাফনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় সেই পরিকল্পনা পিছিয়ে দেওয়া হয়।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির সাত দিনব্যাপী দাফনের আনুষ্ঠানিকতা আজ শুক্রবার শুরু হয়েছে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বা পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ গালিবাফকে হত্যার যেকোনো ইসরায়েলি চক্রান্ত শান্তি আলোচনাকে নস্যাৎ করে দিত বলে আশঙ্কা করছিলেন মার্কিন কর্মকর্তারা।
৯ জুলাই মাশহাদে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে দাফন করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী যুদ্ধ উপসাগরীয় অঞ্চলের পুরোনো নিরাপত্তাকাঠামোকে ভেঙে দিয়েছে।
ইরানের বন্দর আব্বাস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নতুন নাম রাখা হয়েছে ‘ফ্লাইট ৬৫৫ শহীদ বিমানবন্দর’।
সৌদি যুবরাজ কেন ওয়াশিংটন থেকে মুখ ফেরাচ্ছেন
ইরান হরমুজ বন্ধ করে দিলে গুরুত্বপূর্ণ এ প্রণালি দিয়ে জাহাজ নিরাপদে পার হতে সহায়তা করতে নতুন অভিযানের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র।
গত ২০ জুন প্রকাশিত এক জরিপে দেখা গেছে, ৯০ শতাংশ ইসরায়েলি নাগরিক মনে করেন ইরানের সঙ্গে সদ্য সমাপ্ত যুদ্ধে ইরানই জয়ী হয়েছে। এর পরের দিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম সিবিএসের এক জরিপে দেখা যায় ৭৮ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হওয়া উচিত।
বিপুল ক্ষয়ক্ষতির পরও ইরান উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছে।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ১৯৩৯ সালের ১৯ এপ্রিল উত্তর-পূর্ব ইরানের মাশহাদে জন্মগ্রহণ করেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি শাহাদাতবরণ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।
দোহায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা শেষ হলেও হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি।
কাতারের রাজধানী দোহায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কারিগরি আলোচনা শুরু হয়েছে।
জেডি ভ্যান্স বলেন, দোহা বৈঠক নিয়ে ইরানের বিবৃতিগুলো একই সঙ্গে ‘আকর্ষণীয় ও হতাশাজনক’।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটি কোনো শান্তিচুক্তি নয়। এমনকি শান্তিচুক্তির একটি বিশ্বাসযোগ্য কাঠামো বলেও একে ধরা যায় না।
হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান।
দোহায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে আলোচনায় অংশ নেবেন জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফ। ইরানের পক্ষে থাকবে বিশেষ প্রতিনিধিদল।
ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় জেট ফুয়েলের দাম বাড়লেও পরে কমেছে। কিন্তু বিমানভাড়া ও লাগেজ ফি কমাচ্ছে না এয়ারলাইনগুলো।
সমঝোতা স্মারক সই হতে না হতেই আবারও পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান। এতে এই সমঝোতা চুক্তি কতটা নাজুক অবস্থায় রয়েছে, তা প্রকাশ পেয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র নানাভাবে ইরানকে দমাতে চেয়েছে, লাঞ্ছিত করেছে। চেয়েছে অপমান করে হারিয়ে দিতে। আর ফিফা গোটা সময়টায় ছিল ঠুঁটো জগন্নাথ।
উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড চালালে বাহরাইনকে আরও কঠোর জবাব দেবে ইরান।
ট্রাম্পকে কি এখনো হোয়াইট হাউসে ইসরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলা যায়?
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রক্সি বাহিনীর ব্যবহার অস্থিরতা বাড়াচ্ছে।