বিশ্বমঞ্চে ভারতের প্রভাব একেবারে চুপসে গেল কেন
তারা মূলত বলিউড ছবির রূপকথার মাঝেই রাজনীতি ও পররাষ্ট্রনীতির সাফল্য খুঁজছে।
তারা মূলত বলিউড ছবির রূপকথার মাঝেই রাজনীতি ও পররাষ্ট্রনীতির সাফল্য খুঁজছে।
রাজনীতির একটি সহজ নিয়ম আছে, যা সাম্রাজ্যগুলো বারবার বুঝতে ব্যর্থ হয়। তা হলো অপমান আনুগত্য তৈরি করে না; বরং প্রতিরোধ সৃষ্টি করে।
যুদ্ধের বিভিন্ন দিক যাচাই করে যুক্তরাষ্ট্র দেখেছে, এই যুদ্ধে তাদের জেতার সম্ভাবনা খুব কম।
অনেক বিশ্লেষকের মতে, ইরানের নেতৃত্ব প্রকৃতপক্ষে ট্রাম্পের বর্ণনার চেয়ে অনেক বেশি ঐক্যবদ্ধ।
প্রশ্ন হচ্ছে, এই যে ডোনাল্ড ট্রাম্প গোটা সভ্যতাকে প্রস্তরযুগে পাঠিয়ে দিতে চান, তার পেছনে কি শুধুই ভয় দেখানোর রাজনীতি কাজ করে, নাকি আরও কারণ আছে?
হরমুজ প্রণালি শুধু জ্বালানি সরবরাহের পথ হিসেবেই নয়, বরং সাবমেরিন কেব্লের একটি গুরুত্বপূর্ণ করিডরও।
এক দশক ধরে বেইজিং অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে তাদের জ্বালানি উৎসে বৈচিত্র্য এনেছে।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে সরব হলিউড। ইরানে সামরিক হামলার পর অভিনেতা, সংগীতশিল্পী, টক শো সঞ্চালক, প্রযোজকসহ বিনোদনজগতের অনেক পরিচিত মুখই প্রকাশ্যে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন।
সংঘাত বন্ধে বড় ধরনের ছাড় পেতে ইরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ানোর যে কৌশল ট্রাম্প নিয়েছেন, এ নিষেধাজ্ঞা তারই অংশ।
তুরস্কের মতো দেশ এবং অন্যান্য উদীয়মান বা মধ্যম শক্তির রাষ্ট্রগুলো একটি নতুন পথ খুঁজছে।
অনেক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এ বৈঠককে ‘ব্যর্থ’ বলে দাবি করলেও বাস্তব চিত্র কিছুটা ভিন্ন।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সপ্তাহে এক দিন হোম অফিসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলার প্রভাবে
পশ্চিম ইউরোপের অভিজাতরা এখন আরও বেশি সতর্ক এবং আরও বেশি আপসকামী হয়ে উঠেছে।
সহযোগীরা সিচুয়েশন রুম থেকে প্রতি মুহূর্তের হালনাগাদ তথ্য নিচ্ছিলেন ও ট্রাম্পকে তা জানাচ্ছিলেন।
‘আমরা সংলাপের জন্য আগ্রহী, কিন্তু কোনো অমূলক বা জবরদস্তিমূলক দাবির কাছে মাথানত করব না।’
ইসলামাবাদে প্রথম বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার পর ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় দফা আলোচনা রয়েছে অনিশ্চয়তায়। মার্কিন প্রসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তেহরানের একের পর এক অপরিপক্ব ও অগোছালো বক্তব্য এ পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
তুরস্ক থেকে পাকিস্তানে ফিরেছেন শাহবাজ শরিফ। তেহরান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন আসিম মুনিরও।
যদিও ইরানের নৌবাহিনীর বড় অংশ ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি করা হয়, তবু উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং সমুদ্রের মাইন এই প্রণালিকে বিপজ্জনক করে রেখেছে।
নেতানিয়াহু একাই এই যুদ্ধ শুরু করেছিলেন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এর মধ্যে টেনে এনেছিলেন।
ইসরায়েলের প্রধান শত্রু হিসেবে ইরানের জায়গা নেবে পাকিস্তান অথবা তুরস্ক।
ইরানি রাজনীতিবিদ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা—উভয় পক্ষই নিজেদের বিজয়ী দাবি করছে।
নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে দিয়েছেন, হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযান থামাবে না তাঁর দেশ।
আরবের শাসকেরা কি যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার আশায় বসে থাকবেন, নাকি পরিবর্তিত নতুন বিশ্বের সঙ্গে নিজেদের খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন?
যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের তোয়াক্কা না করে হরমুজ প্রণালি পার হলো চীনের জাহাজ।