বদর বিজয় পরবর্তী প্রত্যাবর্তন, ইবনে তাইমিয়ার লড়াই
তাঁর ৫০ বছরের শাসনামলে কর্ডোভা হয়ে ওঠে বিশ্বের জ্ঞান ও কূটনীতির প্রাণকেন্দ্র। তাঁর নির্মিত ‘মদিনাতুজ জাহরা’ প্রাসাদটি তৎকালীন বিশ্বের বিস্ময় হিসেবে পরিচিত ছিল।
তাঁর ৫০ বছরের শাসনামলে কর্ডোভা হয়ে ওঠে বিশ্বের জ্ঞান ও কূটনীতির প্রাণকেন্দ্র। তাঁর নির্মিত ‘মদিনাতুজ জাহরা’ প্রাসাদটি তৎকালীন বিশ্বের বিস্ময় হিসেবে পরিচিত ছিল।
শেখ ইজ্জুদ্দিন আল–কাসসামের সহযোদ্ধা রমজানে রোজা রাখা অবস্থায় হাসিমুখে ফাঁসির দড়ি গলায় পরেন। তাঁর শাহাদত ফিলিস্তিনের মহান বিপ্লবের আগুনে ঘৃতাহুতি দিয়েছিল।
মাগুরা সদর উপজেলার টিলা গ্রামে অবস্থিত ঐতিহাসিক প্রত্নস্থল ‘ভাতভিটা’ ঢিবি সংস্কার ও সংরক্ষণের কাজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় জনশ্রুতি ও লোককথার আড়ালে সেখানে লুকিয়ে আছে প্রায় দুই হাজার বছরের পুরোনো ইতিহাস।
২০ রমজান আজ থেকে প্রায় দেড় হাজার বছর আগে মক্কা বিজয় সংঘটিত হয়। একই দিনে ব্যাবিলন দুর্গ জয় হয়, সাইপ্রাস জয় হয়।
ইসলাম খান চিশতীকে ১৬০৮ সালে (সম্ভবত মে মাসে) বাংলার সুবেদার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। সেই পরিক্রমায় তিনি রাজমহল হয়ে ঢাকায় পৌঁছাতে সময় নেন দুটি বর্ষাকাল।
ইতিহাসের পাতায় ১৯ রমজান। একদিকে এই দিনে আন্দালুসের (স্পেন) বিজয়ের দ্বার উন্মোচিত হয়, তেমনি কয়েক শতাব্দী পর একই দিনে পতনের ঘণ্টা বাজে।
ইতিহাসের এই দিনে (১৮ রমজান) বিদায় নেন মুসলিম সেনাপতি খালিদ ইবনে ওয়ালিদ (রা.)। একই সময় মুসলিম বিশ্বের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ঘটেছিল বড় বড় পালাবদল।
নাট্যকার হিসেবে মুনীর চৌধুরী দৃশ্যত উদার মানবতাবাদী হিসেবে চিহ্নিত। কিন্তু তাঁর শিল্পচেতনার ভেতরে ফল্গুধারার মতো বয়ে চলে তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ।
ইংরেজি ভাষার কিংবদন্তি কবি টি এস ইলিয়ট তাঁর জগদ্বিখ্যাত দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড কাব্যগ্রন্থের একদম প্রথম চরণেই লিখেছিলেন ‘এপ্রিল ইজ দ্য ক্রুয়েলেস্ট মান্থ’।
১৯৭১ সালের মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ সময়।
১৭ রমজানকে বলা হয় ‘ইয়াওমুল ফুরকান’ বা সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারী দিন। এই দিনে বদর যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং ইসলামের প্রথম কৌশলগত বিজয় অর্জন হয়।
বাংলাদেশে গভর্নর নিয়োগে প্রায়ই পেশাগত উৎকর্ষের চেয়ে রাজনৈতিক আনুগত্য বেশি গুরুত্ব পায়।
এই দিনে ইসলামের প্রথম বড় যুদ্ধের গতিপথ নির্ধারিত হয় পানির কূপের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার মাধ্যমে। এই দিনেই হজরত আয়েশা (রা.) দুনিয়া থেকে বিদায় নেন।
১৫ রমজান দিনটি ঘটনাবহুল। একদিকে যেমন এই দিনে মহানবী (সা.)–এর দৌহিত্রের আগমনে ঘটে, তেমনি এটি বিশ্বকে মঙ্গোলদের হাত থেকে রক্ষার ঐতিহাসিক সাক্ষী।
নেপোলিয়ন মোকাত্তাম পাহাড় থেকে আজহার মসজিদের ওপর কামানের গোলা বর্ষণ করেন এবং ফরাসি ঘোড়সওয়ার বাহিনী মসজিদের পবিত্র চত্বরে প্রবেশ করে।
ইবনে তুলুন চেয়েছিলেন আল্লাহর ঘর যেন জনসাধারণের করের টাকায় তৈরি না হয়। পরে তিনি একটি গুপ্তধন খুঁজে পান, যার পরিমাণ প্রায় ১২ লক্ষ দিনার।
৬৫৫ হিজরির ১১ রমজান (১২৫৭ খ্রিষ্টাব্দ) বাগদাদের আব্বাসীয় খলিফা মুতাসিম বিল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের নির্দেশ পাঠিয়ে মঙ্গোল নেতা হালাকু খান এক চরমপত্র প্রদান করেন।
আবু তালিবের মৃত্যুর কিছুকাল পরে এই দিনে খাদিজা (রা.)-এর বিদায় নবীজির জীবনে বিশাল শূন্যতা তৈরি করে, যা ইতিহাসে শোকের বছর হিসেবে পরিচিত।
এই দিনে মদিনা রাষ্ট্র রোমানদের হুমকির মুখে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিয়েছিল, অন্যদিকে সজাগ হয়েছে আন্দালুসের সীমান্ত এবং যাত্রা শুরু করেছে সেলজুক সাম্রাজ্য।
এই দিনে ফাতেমি সেনাপতি জওহর আল-সিকিল্লির তত্ত্বাবধানে নির্মিত আল-আজহার মসজিদে প্রথমবারের মতো জামাতে নামাজ এবং আজান অনুষ্ঠিত হয়।
ইসরায়েলপন্থী আন্দোলনকর্মীদের চাপের মুখে ব্রিটিশ মিউজিয়াম তাদের কিছু সংগ্রহের লেবেল থেকে ‘প্যালেস্টাইন’ শব্দটি মুছে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
<p>ইতিহাসের পাতায় ৬ রমজান দিনটি ‘মহাসাড়া’র দিন হিসেবে চিহ্নিত। এই দিনে মজলুম নারীদের আহ্বানে খলিফা মুতাসিম বিল্লাহর বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যে অভিযান চালান, একই দিনে এক কিশোর...
সূর্যাস্তের সময় পরাজিত মঙ্গোলরা পাহাড়ে আশ্রয় নেয় এবং পরদিন পলায়নকালে মুসলিমদের হাতে প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। এই বিজয়ের মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্য থেকে মঙ্গোল আগ্রাসনের অবসান ঘটে।
১ হাজার ৭০০ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে শ্রীলঙ্কার প্রাচীন শহর অনুরাধাপুরার জেতাভানারামায়া স্মৃতিস্তম্ভ।