রমজানের শেষ দশকে নবীজির ৬ আমল
<p>রমজান শুধু সিয়াম সাধনার মাস নয়, পাপ মোচনেরও মাস। এ মাসেই আল্লাহ–তাআলা তাঁর বান্দাদের জন্য ক্ষমার দুয়ার এমনভাবে উন্মোচিত করে দেন, যেন আকাশ থেকে রহমতের বারিধারা বর্ষিত হচ্ছে।</p><p>প্রতিটি রোজা,...
<p>রমজান শুধু সিয়াম সাধনার মাস নয়, পাপ মোচনেরও মাস। এ মাসেই আল্লাহ–তাআলা তাঁর বান্দাদের জন্য ক্ষমার দুয়ার এমনভাবে উন্মোচিত করে দেন, যেন আকাশ থেকে রহমতের বারিধারা বর্ষিত হচ্ছে।</p><p>প্রতিটি রোজা,...
হিজরির দ্বিতীয় বছরে রমজানের রোজা ফরজ করা হয়। সেই বছর ১৭ রমজান বদরের যুদ্ধ সংঘটিত হয়। নবীজি (সা.) রমজানের শেষ দশকে নিয়মিত ইতিকাফ করতেন।
কখনো কখনো মসজিদে থাকা অবস্থায় নবীজি হজরত আয়েশার কক্ষের দিকে মাথা বাড়িয়ে দিতেন। আয়েশা (রা.) তখন তাঁর চুলের পরিচর্যা করে দিতেন।
হজরত উম্মে ছালামাহ (রা.) বর্ণনা করেছেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) তিনটি আমল জীবনে কখনো পরিত্যাগ করেননি—তাহাজ্জুদ নামাজ, প্রতি চান্দ্রমাসের তেরো, চৌদ্দ ও পনেরো তারিখ “আইয়ামে বিদ” এর রোজা পালন ও রমজানের শেষ দশক ইতিকাফ।’
ইতিকাফের একটি বড় ফায়দা হলো—ইতিকাফকারী অত্যন্ত পবিত্র ও গুনাহমুক্ত পরিবেশে থাকেন। শরিয়তের দৃষ্টিতে মসজিদে তাঁর অবস্থানটুকুই ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়।