মেহের নিউজে মোজতবা খামেনির বিরল ভিডিও প্রকাশ
ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির একটি বিরল ভিডিও প্রকাশ করেছে।
ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজ নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির একটি বিরল ভিডিও প্রকাশ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতা হিসেবে পরিচিত তিনি—তাঁর কবি পরিচয় এবং সাহিত্যপ্রীতির দিকটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
বাবার হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফারস-এ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে যখন টানাপোড়েন চলছে, তখন এমন হুঁশিয়ারি দুই দেশের উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলল।
খামেনির জানাজা ঘিরে ইরান ও ইরাকজুড়ে শোকানুষ্ঠানের প্রেক্ষাপটে পশ্চিমা মিডিয়ার প্রতিবেদনে দ্বিচারিতা, রাজনৈতিক-ধর্মীয় বার্তা এবং আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে মতামতধর্মী বিশ্লেষণ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে মাশহাদের ইমাম রেজার মাজারে দাফন করা হয়েছে।
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে আজ তাঁর জন্মস্থান মাশহাদে দাফন করা হচ্ছে। দাফন প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে মাশহাদের রাজপথে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে।
ইরানের নাজাফ শহরসহ কয়েকটি স্থানে শোকানুষ্ঠান শেষে আজ বৃহস্পতিবার জন্মশহর মাশহাদে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে দাফন করা হবে।
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ কোমে পৌঁছেছে; সেখানে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
বর্তমান সর্বোচ্চ নেতার এ অনুপস্থিতি জনমনে আলাদাভাবে দাগ কেটেছে। হামলায় তিনি কতটা গুরুতর আহত হয়েছেন, তা নিয়ে আবার গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লায় খামেনির জানাজাকে কেন্দ্র করে এক রাজনৈতিক আবহের সৃষ্টি হয়।
শেষবিদায়–সংক্রান্ত আয়োজনের আনুষ্ঠানিক স্লোগান, ‘আমাদের উঠে দাঁড়াতে হবে’।
তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জন্য আয়োজিত রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধায় বাংলাদেশের পক্ষে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন স্পিকার। তিনি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজায় অংশ নেন।
তেহরানে আজকের শোকমিছিল শেষে আগামীকাল মঙ্গলবার আয়াতুল্লাহ আলীর মরদেহবাহী কফিন নিয়ে যাওয়া হবে শিয়াদের পবিত্র কোম নগরীতে।
কালো কাপড়ে মোড়া একটি কফিন ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে তেহরানের রাস্তায়। বিলম্বিত গ্রীষ্মের গরমে লাখো মানুষের ভিড়।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রতি সম্মান জানাতে ইরানে ৭০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি।
জানাজায় সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি না থাকলেও আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির অন্য তিন ছেলে উপস্থিত ছিলেন।
খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তেহরানে মানুষের ঢল নেমেছে।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কফিনের ওপর রাখা ছিল তাঁর ব্যবহৃত কালো পাগড়ি।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সেখানে রাখা শোক বইয়ে সই করেন।
টানা সাত দিন ধরে ইরান ও ইরাকের বিভিন্ন শহরে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার চার মাস পর ইরান ও ইরাকের পাঁচটি শহরে তাঁর দাফনের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নানা আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে তাঁকে স্মরণ করা হচ্ছে।
আলী খামেনির বিদায় অনুষ্ঠান আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বড় রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান হতে যাচ্ছে। এটা ১৯৮৯ সালের খোমেনির শেষযাত্রার প্রায় এক কোটি মানুষের উপস্থিতিও ছাড়িয়ে যেতে পারে।
আয়াতুল্লাহ খামেনিকে প্রথমে মার্চ মাসে দাফনের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তবে ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়ায় সেই পরিকল্পনা পিছিয়ে দেওয়া হয়।