ইসলামি আকিদার ৭ বিশেষ দিক
মানুষের আত্মার প্রশান্তি ও হৃদয়ের সজীবতা শুধু তখনই সম্ভব, যখন সে তার প্রতিপালককে তাঁর নাম, গুণাবলি ও কার্যাবলির মাধ্যমে চিনতে পারে।
মানুষের আত্মার প্রশান্তি ও হৃদয়ের সজীবতা শুধু তখনই সম্ভব, যখন সে তার প্রতিপালককে তাঁর নাম, গুণাবলি ও কার্যাবলির মাধ্যমে চিনতে পারে।
ব্যক্তিগত জীবন, সামাজিক বাস্তবতা কিংবা অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই—সবক্ষেত্রেই সফলতা অর্জনের জন্য কিছু সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হয় এবং কিছু প্রতিবন্ধকতা এড়িয়ে চলতে হয়।
জিলহজের প্রথম দশকের বিশেষ ফজিলত রয়েছে। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে জিলহজের প্রথম ১০ রাতের কসম করে এই দশকের গুরুত্ব মহিমান্বিত করেছেন,
কোরআন ও হাদিসের আলোকে আল্লাহর ভালোবাসা লাভের তিনটি প্রধান নিদর্শন তুলে ধরা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে সমাজে গ্রহণযোগ্যতা, দুনিয়ার মোহ থেকে মুক্তি এবং পরীক্ষার সম্মুখীন হওয়া। যাঁরা এই আলামতগুলো পান, তাঁরাই পরম করুণাময়ের প্রিয়ভাজন।
জীবনের প্রতিকূলতায় আল্লাহর ওপর ভরসা বাড়াতে সাহায্য করবে এই ১০টি কোরআনি আয়াত। প্রত্যেকটির উচ্চারণ, অর্থ এবং সূরা-আয়াত উল্লেখ করা হয়েছে। তাওয়াক্কুলের মাধ্যমে মানসিক শান্তি ও ইমানের দৃঢ়তা লাভ করুন।
একজন মুমিনও আল্লাহর প্রতি ভয় ও শ্রদ্ধা নিয়ে জীবনযাপন করে। সে ভালো কাজ করার পরও ভয় পায়, যদি তাতে কোনো ত্রুটি থেকে যায়; আবার খারাপ কাজ করলে সে ভয় পায় আল্লাহর শাস্তির।
সময়ের সঙ্গে এগুলো বদলে যায়, কখনো হঠাৎ ভেঙে পড়ে। ফলে এসবের ওপর নিজের পরিচয় দাঁড় করালে ভেতরে অস্থিরতা ও শূন্যতা তৈরি হয়।
আপনার কি মনে হয় কোনো বিশেষ পরিবেশ বা অভ্যাস আপনাকে বারবার একই ভুল করতে বাধ্য করছে? সেটি চিহ্নিত করা হতে পারে আপনার পরিবর্তনের প্রথম ধাপ।
মসজিদ ইসলামের শাশ্বত সংস্কৃতির এক জীবন্ত দর্পণ। এক আধ্যাত্মিক মিলনমেলা, যেখানে প্রতিদিন পাঁচবার একই কাতারে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ায় মুমিনরা।
কেন কিছু মানুষের মধ্যে এই ধারণা তৈরি হলো যে ইসলাম ছাড়া অন্য কিছুকে দীন বলা যাবে না? এর পেছনে মূলত তিনটি প্রধান কারণ কাজ করে।
রাসুল (সা.) বলেছেন, তিনি তাঁর উম্মতের জন্য সবচেয়ে বেশি ভয় পান ছোট শিরক—বিশেষ করে ‘রিয়া’কে (লোকদেখানো ইবাদত)। কারণ, এটি মানুষের অন্তরকে ধ্বংস করে দেয়।
বজ্রপাতের প্রচণ্ড শব্দ আমাদের মনে করিয়ে দেয় প্রাচীন ইতিহাসের সেই সব জাতির কথা, যারা অবাধ্যতার কারণে আকাশ থেকে আসা এক মহাগর্জনের মাধ্যমে ধ্বংস হয়েছে।
কোরআন তেলাওয়াতে সঠিক জায়গায় থামতে ওয়াকফ চিহ্ন চেনা জরুরি, নচেৎ অর্থ বদলে যেতে পারে। এখানে প্রধান ৭টি বিরতি চিহ্ন ও তাদের নিয়ম তুলে ধরা হয়েছে। শুদ্ধ পাঠের জন্য এগুলো আয়ত্ত করুন।
তকদিরের দোহাই দিয়ে দোয়া থেকে বিরত থাকা ঠিক নয়। কারণ দোয়া নিজেই ভাগ্যের একটি অংশ। আল্লাহর ভাণ্ডারে কোনো কিছুর কমতি নেই।
আল্লাহর অনুগত হলে সব ধরনের মন্দ কাজ থেকে বাঁচা সহজ হয়। যেমন আল্লাহ-তাআলা ইউসুফ (আ.)-কে মিসরের আজিজের স্ত্রীর অনিষ্ট থেকে হেফাজত করেছিলেন।
যে রোজা রাখে, অন্য কারও তা জানার সুযোগ নেই। কেউ যদি সাহ্রি ও ইফতার করে মাঝখানে গোপনে কিছু খেয়ে ফেলে, তবে মানুষ তা বুঝতে পারবে না।
রোজাদার ব্যক্তির কাজ হলো, কেবল বড় গুনাহ নয়, নিজেকে সব ধরনের গুনাহ থেকে দূরে রাখবেন। তাহলে তিনি আল্লাহর রহমত, করুণা ও ক্ষমা লাভ করবেন।
বান্দা ক্ষুধা-তৃষ্ণা সহ্য করে, নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিজেকে সংযত রাখে। এর প্রতিদানও আল্লাহ নিজেই প্রদান করেন।
বেপরোয়া গাড়ি চালানো বা নেশাদ্রব্য গ্রহণের মাধ্যমে নিজের শরীরকে ঝুঁকির মুখে ফেলা এই আমানতের খেয়ানত। সুষম খাদ্যের মাধ্যমে শরীরকে রোগমুক্ত রাখা আমানতদারির অংশ।
ইসলামি স্কলারদের মতে, জ্ঞান হলো একটি নুর, যা আল্লাহ কেবল পবিত্র হৃদয়েই দান করেন। পাপের অন্ধকার হৃদয়ে প্রবেশ করলে জ্ঞানের আলো নিভে যায়।
তিনি তো বান্দার জন্য এমন এক আশ্রয়দাতা, যাঁর কাছে শতবার কাঁদলেও তিনি বিরক্ত হন না। বরং তিনি তো সেই রব, যিনি না চাইলে অসন্তুষ্ট হন।
পিতার ইন্তেকালের পর নিশাপুরে আগমন করেন। তাঁর শৈশব ও যৌবন এমন এক যুগে অতিবাহিত হয়, যখন আব্বাসি খেলাফত রাজনৈতিকভাবে দুর্বল, অথচ বুদ্ধিবৃত্তিক অস্থিরতা চরমে।
ভালোবাসা হলো তাঁর মাথা, আশা ও ভয় তাঁর দুই ডানা। মাথা ও দুটি ডানা যথাযথভাবে থাকলেই পাখি উড়তে পারে। মাথা কেটে ফেললে পাখি মারা যায়।
কখনো এমন পরিস্থিতি আসে যখন মানুষের সাধ্যে কিছুই থাকে না—তখন দোয়া-ই হয় আমাদের বড় আশ্রয়। আল্লাহর কাছে কাকুতি-মিনতি করা ছাড়া উপায় থাকে না।