আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষার চ্যালেঞ্জ
গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ড. আহসান এইচ মনসুরকে অপসারণের পর পোশাকশিল্প ব্যবসায়ী মোস্তাকুর রহমানকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ করা হয়েছে।
গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ড. আহসান এইচ মনসুরকে অপসারণের পর পোশাকশিল্প ব্যবসায়ী মোস্তাকুর রহমানকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ করা হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে উপসাগরীয় অঞ্চলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে।
২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের পরই আওয়ামী লীগের নিয়োগ করা গভর্নরের পলায়নের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেয় ড. আহসান হাবীব মনসুরকে। তাঁর ১৮ মাসের মেয়াদকালের নির্মোহ মূল্যায়নে ইতিবাচক-নেতিবাচক—দুই দিকই আসতে পারে। তবে তা কোনোভাবেই একটি নবনির্বাচিত সরকার কর্তৃক অত্যন্ত ন্যক্কারজনকভাবে তাঁর অপসারণের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে না।
এই নীতিমালা আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে। প্রযুক্তিভিত্তিক ব্যাংকিং সেবায় স্বচ্ছতা আনা এবং জালিয়াতি রোধ করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে জানা গেছে।
ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স মূলত সুদ (রিবা) পরিহার করে বাস্তব সম্পদভিত্তিক লেনদেনের ওপর নির্ভরশীল। ইসলামী ব্যাংকিং কাঠামোতে এলসি পরিচালিত হয় শরিয়াহসম্মত নীতির ভিত্তিতে।
ব্যাংক খাতকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাজ করতে হয়, তাই অপেশাদার যেকোনো আচরণের খেসারত আমাদের দিতে হয়। আমরা আশা করব ব্যাংক ও আর্থিক খাতে পেশাদারি নিশ্চিত করতে নতুন গভর্নর ব্যবস্থা নেবেন।
নতুন সরকারের সামনে আরেকটা বড় চ্যালেঞ্জ আছে। সেটি হলো প্রতিশ্রুতি পূরণ তথা প্রত্যাশার ব্যবস্থাপনা।
মিডল্যান্ড ব্যাংক পেল মাস্টারকার্ড অনুমোদিত সদস্যপদের লাইসেন্স।
২০২৫ সালে নগদের মাধ্যমে প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে, যা এক বছরে প্রতিষ্ঠানটির সর্বোচ্চ লেনদেনের রেকর্ড।
এই পরিবর্তনের ধারায় বাংলাদেশও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। বিশেষত মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) দেশের আর্থিক খাতে নতুন গতি এনেছে।
খেলাপি ঋণের ভারে জর্জরিত হয়ে ইসলামি ধারার বেশির ভাগ ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ফলে অতি সম্প্রতি সরকার পাঁচটি ইসলামি ব্যাংককে একীভূত করে একটি নতুন ইসলামি ব্যাংক গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে।