বেসরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) নানা ধরনের কার্যক্রম খুলনার
বেসরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) নানা ধরনের কার্যক্রম খুলনার উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
বেসরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) নানা ধরনের কার্যক্রম খুলনার উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
প্রায় ১৩০ বছর ধরে দোকানটি ছিল হেলাতলা রোডের ১০ নম্বর বাড়িতে। ছোট চারকোনা নীল টিনের সাইনবোর্ডে সাদা অক্ষরে লেখা ‘ইন্দ্রমোহন সুইটস’ ছিল খুলনার মানুষের চেনা দৃশ্য।
বর্তমানে বাগেরহাট সদর উপজেলার মরগা গ্রামে খানজাহানের বসতভিটা থেকে ‘কাঁঠালতলা মোড়’ পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার অংশ টিকে আছে।
১৮৪২ সালে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি বিভাগের প্রথম মহকুমা ও মহকুমা সদর হিসেবে খুলনা শহরের ভিত্তি স্থাপিত হয়।
প্রশাসন উদ্যোগী হয়ে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ইতিহাস-ঐতিহ্যের সংশ্লিষ্ট নানা স্মারক সংগ্রহ করে।
একসময় রক্তদানে অনেকের মধ্যে ভীতি কাজ করত। এখন সচেতনতা বেড়েছে। ব্যতিক্রম নয় সুনামগঞ্জও। বর্তমানে জেলায় কাজ করা সংগঠনগুলোর মধ্যে এগিয়ে আছে ‘ব্লাড লিংক’।
সিলেট নগরের লালাদীঘির পাড় এলাকার দোতলা বাড়ির ছাদে উঠলে দেখা মেলে সুন্দর এক বাগানের। রঙিন ফুল, ফল আর সবজি গাছের ফাঁকে ফাঁকে ছড়িয়ে আছে যত্ন আর ভালোবাসার ছাপ। এই ছাদবাগান আওয়াংলৈ সিনহার।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রাধানগর গ্রামের মানুষ কয়েক বছর আগেও পাথরকেন্দ্রিক ব্যবসার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁরা আমন ধান ছাড়া কিছুই চাষ করতেন না। এখন গ্রামটিতে রীতিমতো সবুজের বিপ্লব চলছে। এর নায়ক মো. মনিরুজ্জামান।
চা-শ্রমিক ভীম রুদ্রপাল ব্রিটিশ আমলে জীবিকার তাগিদে পরিবার নিয়ে এ দেশে আসেন। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের আগে তিনি মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার বিনন্দপুরে জমি কেনেন। সেই থেকে পরিবারের সবাই একান্নে থাকা শুরু করেন। এখনো সেই ধারাটি টিকে আছে।
হবিগঞ্জের প্রান্তিক এলাকায় নারীরা সংসারের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসা, অনলাইন উদ্যোগ ও গুচ্ছ উদ্যোগের মাধ্যমে অর্থনৈতিকভাবে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। ব্যবসা, চাকরি, প্রবাসী আয়, এসএমই ব্যবসা ও নানা সেবা খাতে যুক্ত হচ্ছেন। এর মাধ্যমে জেলার অর্থনীতিতে পরিবর্তন আসছে।
রেজাউল করিম খন্দকারের বাড়িটির অবস্থান মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী এক প্রান্তে, বড়লেখা উপজেলার সরিয়া গ্রামে। বাড়ি এখন দেশি-বিদেশি দুর্লভ সব ফল-ফুলের এক মায়াবী উদ্যান হয়ে উঠেছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাম উচ্চারণ করলেই মনে পড়ে শত বছরের আমের ঐতিহ্য—ফজলি, ক্ষীরসাপাতি, ল্যাংড়া, আশ্বিনা। এখানকার মানুষ গর্ব করে বলে, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাটিতে মধু আছে।’
দুই যুগ আগেও এ দেশের মানুষ ফরমালিনের কারণে বাজার থেকে মাছ কিনতে ভয় পেতেন। এই রাসায়নিক প্রতিরোধে প্রশাসনকে তৎপর থাকতে হতো। তবে পরিস্থিতি এখন বদলেছে।
‘রাজা নেই, শাহি নেই—রাজশাহী নাম/ হাতি-ঘোড়া কিছু নেই আছে শুধু আম’—এই গানের কথা থেকে দিনে দিনে বেরিয়ে আসছে রাজশাহীর পরিচয়। কয়েক বছর আগে রাজশাহী সারা দেশের মধ্যে সবজি চাষে সেরা হয়েছিল।
প্রায় ২২৩ বছরের প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থাপনাটি বর্তমানে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীন সংরক্ষিত পুরাকীর্তি। ১৯৮৭ সালের ১৯ মার্চ এটি সরকারের প্রত্নসম্পদ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
এই চিত্র জামালপুরের সীমান্তবর্তী বকশীগঞ্জের নঈম মিয়ার হাটের। পুরোপুরি সনাতন পদ্ধতিতে ঘরে তৈরি এই টক দই।
কিশোরগঞ্জ শহরের পশ্চিমে হারুয়া এলাকায় নরসুন্দা নদীর তীরে মসজিদটি গড়ে ওঠে। কথিত আছে, খাস নিয়তে এ মসজিদে দান করলে মানুষের মনের আশা পূরণ হয়।
রিকশাচালক জয়নাল আবেদিনের মৃত্যুর পর মানুষ চিন্তা করেছিল হাসপাতালটি বন্ধ হয়ে যাবে। তবে বাবার মৃত্যুর পর প্রবাসী ছেলে হাসপাতালের হাল ধরেছেন।