দেশে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয় জুলাই মাসে। এরপরই আছে জুন মাস।
জুলাই মাসে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা থাকতে পারে। একই সঙ্গে মাসের বিভিন্ন সময়ে দেশের ওপর দিয়ে এক থেকে দুই দফা মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
জুলাই মাসে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা থাকতে পারে। একই সঙ্গে মাসের বিভিন্ন সময়ে দেশের ওপর দিয়ে এক থেকে দুই দফা মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
সবে বর্ষার মৌসুম শুরু। বাকি সময় এর চেয়েও বেশি বৃষ্টি হলে নগরের পরিস্থিতি কী হবে তা নিয়ে শঙ্কিত নগরবিশেষজ্ঞরা।
নাজমুল ইসলাম জানান, দুপুরের দিকে রাজধানীর তাপমাত্রা ছিল ৩৫ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃষ্টির পর সন্ধ্যা ছয়টার দিকে তাপমাত্রা হয় ২৫ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আগামী দুই থেকে তিন দিন তাপমাত্রা মোটামুটি স্বাভাবিক থাকতে পারে। এ সময় দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, আজ তাপমাত্রা বেশ খানিকটা বেড়েছে। এ অবস্থা চলতে থাকবে আগামী চার থেকে পাঁচ দিন। বৃহস্পতিবার থেকে তাপমাত্রা কমতে শুরু করতে পারে।
দেশের ১৩ জেলায় তাপপ্রবাহ চলছে, যা দু-একদিন অব্যাহত থাকতে পারে। আগামীকাল রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। যশোরে সর্বোচ্চ ৩৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।
আজ খুলনা বিভাগের সর্বত্র ও আরও সাত জেলায় তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
আজ দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে, ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মঙ্গলবার দেশের ১৩টি জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে গেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
দেশের ১৫টি জেলায় আজ তাপপ্রবাহ চললেও তীব্রতা কমেছে। চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড হয়েছে, গতকালের ৩৯.৭ থেকে এক ডিগ্রির বেশি কম। সোমবার থেকে বৃষ্টি বাড়তে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর পূর্বাভাস দিয়েছে।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার রাজশাহী, খুলনা, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
ফাল্গুনের বিদায়বেলায় সারা দিন ভ্যাপসা গরমের পর সন্ধ্যায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে ঢাকায়।
আবহাওয়া অফিস বলছে, চলতি মাসে দেশের পশ্চিম ও দক্ষিণ–পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে এক থেকে দুটি মৃদু থেকে মাঝারি আকারের তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।
টানা ছয় দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়। সেখানে কখনো বইছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, আবার কখনো বইছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।