ডিপ্লোমা পাস করেও চাকরি পাননি গাইবান্ধার জুয়েল মিয়া। ইউটিউব দেখে
২৫ শতক জমিতে ৩৬ জাতের বিদেশি আঙুর চাষ ও চারা উৎপাদন করছেন জুয়েল। মাসে তাঁর আয় প্রায় ৩০ হাজার টাকা।
২৫ শতক জমিতে ৩৬ জাতের বিদেশি আঙুর চাষ ও চারা উৎপাদন করছেন জুয়েল। মাসে তাঁর আয় প্রায় ৩০ হাজার টাকা।
ইউটিউবে বিভিন্ন সাফল্যের গল্প দেখে অনেক কৃষক যথাযথ চাষপদ্ধতি না জেনেই আঙুর চাষে বিনিয়োগ করেছেন। ভালো জাতের সন্ধান না পেয়ে কিংবা প্রযুক্তিগত সহায়তার অভাবে অনেকেই মাঝপথে থেমে গেছেন।
প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ ভিড় করছেন এই আঙুর বাগান দেখতে। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ বাগানমালিকের কাছে আঙুর চাষের পদ্ধতি জানতে চাইছেন।
পাঁচজনের সংসার খরচ চালাতে হিমশিম খেতে হতো তাঁকে। আঙুর চাষ তাঁকে স্বস্তি দিয়েছে। মাত্র ২৫ শতাংশ জমি থেকে ১০ লাখ টাকার আঙুর ও চারা বিক্রি করেছেন।
প্রকৌশলীর চাকরি ছেড়ে আঙুর চাষে নামেন রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার হাসনিপুর গ্রামের ইমাম হাসান সাগর। প্রথম বছরেই আঙুর ও চারা বিক্রি করে আয় ৩৬ লাখ টাকা।
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার গঙ্গারহাট বাজারসংলগ্ন আজোয়াটারী গ্রামে এই আঙুরবাগান গড়ে তুলেছেন উদ্যোক্তা হাসেম আলী ও তাঁর ভাগনে রুহুল আমীন। বাগানে রয়েছে ৪৬০টি বাইকুনুর জাতের আঙুরগাছ।
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সজল আহমেদের আঙুরবাগান রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। শখ থেকে শুরু করা এই আঙুর চাষ এখন বাণিজ্যে পরিণত হয়েছে, যেখানে ১৪ প্রজাতির আঙুর চাষ হচ্ছে।
ময়মনসিংহের ভালুকায় পোশাকশ্রমিক মো. মোকছেদুল ইসলামের বাড়ির পাশে ১৪ শতক জমিতে ২০ জাতের আঙুর ঝুলছে। পড়াশোনার পাশাপাশি কারখানায় কাজ করে জমানো টাকায় শখের বাগান গড়ে বাণিজ্যিক চাষ শুরু করেছেন তিনি। এলাকাবাসীর প্রশংসায় মুখরিত এই বাগান দেখতে ভিড় করছে স্থানীয়রা।