অগ্ন্যুৎপাতের ছাই ছড়িয়েছে ২০ থেকে ৫০ হাজার ফুট উঁচুতে
মূলত সিঙ্গাপুরগামী ও সিঙ্গাপুর থেকে আসা ফ্লাইটগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া দোহা, সিডনি, কুয়ালালামপুরসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইট চলাচলেও এর প্রভাব পড়েছে।
মূলত সিঙ্গাপুরগামী ও সিঙ্গাপুর থেকে আসা ফ্লাইটগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া দোহা, সিডনি, কুয়ালালামপুরসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক রুটের ফ্লাইট চলাচলেও এর প্রভাব পড়েছে।
আনাক ক্রাকাতোয়ার অগ্ন্যুৎপাতের ছাইয়ে জাকার্তার প্রধান বিমানবন্দরসহ পাঁচটি বিমানবন্দরের ৩০১টি ফ্লাইট স্থগিত, ভোগান্তিতে ২২ হাজার মানুষ।
ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের মার্টিনিক দ্বীপে অবস্থিত মাউন্ট পিলি আগ্নেয়গিরিতে সম্প্রতি ভূকম্পন ও ভূমির পরিবর্তন দেখা গেছে, যা প্রায় শতবর্ষ পর পুনরায় সক্রিয় হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
অ্যান্টার্কটিকার রস দ্বীপে অবস্থিত এই আগ্নেয়গিরিটির নাম মাউন্ট ইরেবাস। এটি বিশ্বের একমাত্র আগ্নেয়গিরি, যা লাভা ও গ্যাসের সঙ্গে তরল বা সাধারণ ধূলিকণা নয়, খাঁটি সোনার ক্ষুদ্র স্ফটিক বা ক্রিস্টাল বাতাসে উগড়ে দিচ্ছে।
গবেষকদের ধারণা, এটি খ্রিষ্টপূর্ব দ্বিতীয় শতক বা সম্ভবত তৃতীয় শতকের শেষভাগে লেখা হয়েছিল। বর্তমানে স্ক্রলটির অবশিষ্ট অংশের উচ্চতা মাত্র ৮ সেন্টিমিটার ও প্রস্থ ২ সেন্টিমিটার। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে খুলে খুলে পড়ার প্রচেষ্টার কারণে স্ক্রলটির বাইরের অনেক স্তর নষ্ট হয়ে গেছে।
গত ১৪ মার্চ ‘সুপার টুম’ চিলির আগ্নেয়গিরি ওহোস দেল সালাদোর চূড়ায় অবতরণ করেন, যা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৫ হাজার ৪৪২ মিটার (১৭ হাজার ৮৫৪ ফুট) উঁচুতে অবস্থিত।
অগ্ন্যুৎপাতের সময় বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে সালফার ডাই-অক্সাইড গ্যাস এবং ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ধূলিকণা নির্গত হয়।
জাপানের কিকাই ক্যালডেরা আগ্নেয়গিরির ম্যাগমা আধার পুনরায় পূর্ণ হচ্ছে বলে জানা গেছে। ৭৩০০ বছর আগে এর বিধ্বংসী অগ্ন্যুৎপাত জোমন সভ্যতা ধ্বংস করেছিল। গবেষকরা এর পুনরুজ্জীবনের আশঙ্কা করছেন।