অ্যান্টার্কটিকার সমুদ্রতলে থাকা হাজার হাজার হিমশৈলের মানচিত্র তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা
প্রকৃতির বরফে ঢাকা মহাদেশ অ্যান্টার্কটিকার তলদেশে লুকিয়ে আছে নানা রহস্য।
প্রকৃতির বরফে ঢাকা মহাদেশ অ্যান্টার্কটিকার তলদেশে লুকিয়ে আছে নানা রহস্য।
গবেষণায় দেখা গেছে, গত ৫০ বছরে গ্রিনল্যান্ড ও অ্যান্টার্কটিকা থেকে ১১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন টন বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়েছে প্রায় ৩ সেন্টিমিটার।
বৃষ্টিপাতের হার অনুযায়ী মরুভূমির সংজ্ঞা ও সাহারা, অ্যান্টার্কটিকা ও গোবির ভৌগোলিক ও জৈবিক বৈশিষ্ট্য।
অ্যান্টার্কটিকার থওয়েটস হিমবাহ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১০ ফুট পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন গবেষকেরা, যার প্রভাবে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক নিচু উপকূলীয় এলাকা প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে অ্যান্টার্কটিকার বরফ গলে প্রাচীনকালে জমে থাকা বিষাক্ত পারদ সাগরে মিশছে, যা সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র ও বিশ্বজুড়ে পরিবেশ দূষণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
বরফের চাদরে ঢাকা পৃথিবীর সবচেয়ে দুর্গম ও নিঃসঙ্গ অঞ্চল অ্যান্টার্কটিকায় গত এক দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রার রেকর্ড ধারণ করা হয়েছে।
অ্যান্টার্কটিকার রস দ্বীপে অবস্থিত এই আগ্নেয়গিরিটির নাম মাউন্ট ইরেবাস। এটি বিশ্বের একমাত্র আগ্নেয়গিরি, যা লাভা ও গ্যাসের সঙ্গে তরল বা সাধারণ ধূলিকণা নয়, খাঁটি সোনার ক্ষুদ্র স্ফটিক বা ক্রিস্টাল বাতাসে উগড়ে দিচ্ছে।
পূর্ব অ্যান্টার্কটিকার বরফের চাদরের নিচে এক বিশাল পাখা আকৃতির ভূতাত্ত্বিক কাঠামোর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
বিজ্ঞানীদের মতে, সমুদ্রের সঙ্গে এই হিমবাহের গোপন সংযোগপথ রয়েছে। এই পথগুলোই সমুদ্রের উষ্ণ পানিকে সরাসরি হিমবাহের তলদেশে বয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
বাণিজ্যিক বিমানগুলো অ্যান্টার্কটিকা এড়িয়ে চলে ভূগোল, অর্থনীতি, নিরাপত্তা ও আবহাওয়ার কারণে। উত্তর মেরু হয়ে যাওয়া লাভজনক হলেও দক্ষিণ মেরু ঝুঁকিপূর্ণ। ইটিওপিএস নিয়ম ও অবকাঠামোর অভাব এর মূল কারণ।
আইসবার্গ এ-২৩এ ছিল একসময় অ্যান্টার্কটিকার অন্যতম আলোচিত এবং অস্থির একটি বরফখণ্ড।
গত ২৮ জানুয়ারি আমরা যাত্রা শুরু করি আর্জেন্টিনার সর্বদক্ষিণের শহর উশুইয়া থেকে। এই শহরকে বলা হয় ‘পৃথিবীর শেষ শহর’।
কর্মী নিয়োগের তালিকায় শেফ, কাঠমিস্ত্রি, প্লাম্বার, বৈদ্যুতিক মিস্ত্রি ছাড়াও রয়েছে প্ল্যান্ট অপারেটর, বোটিং অফিসার ও আবহাওয়া পর্যবেক্ষক। এসব পদে বার্ষিক বেতন সর্বনিম্ন ৩০ হাজার ২৪৪ পাউন্ড বা প্রায় ৫০ লাখ টাকা।
রহস্যময় অ্যান্টার্কটিকার মাইলের পর মাইল পুরু বরফের নিচে কী আছে, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা করছেন বিজ্ঞানীরা।