অভ্যুত্থানের পরের প্রশ্নগুলো
জুলাই গণ–অভ্যুত্থান কোনো আকস্মিক বিস্ফোরণ ছিল না।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থান কোনো আকস্মিক বিস্ফোরণ ছিল না।
জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি ও প্রিয়জনকে হারানোর বেদনা নিয়ে নাদিয়া জান্নাত একটি কবিতা লিখেছেন, যেখানে তিনি হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেছেন।
জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি ও শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কামরুজ্জামান বাবু একটি কবিতা লিখেছেন।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ এবং একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও সামাজিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে রাজনৈতিক কর্মী অনীক রায়ের বিশ্লেষণ।
আমার দেশ তো কোনো যুদ্ধক্ষেত্র নয়। অথচ আমাকে মানুষকে বলতে হচ্ছে, তার পাশের মানুষটাকে গুলি করা হলে তাকে কীভাবে বাঁচাবে
৫ আগস্ট ২০২৪, বেলা তিনটা। কিছুক্ষণ আগে ঘোষণা এসেছে, খুনি শেখ হাসিনা পালিয়েছেন।
সচেতন একজন নাগরিক হিসেবে আমি অনেক দিন ধরেই দেশের বিভিন্ন আন্দোলন অনুসরণ করে আসছিলাম। যেমন নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলন।
২০২৪ সালের ৫ জুন জানতে পারি সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা পুনর্বহাল হয়েছে। খবরটি আমাকে ভীষণ নাড়া দেয়।
র্যাপারদের অপ্রমিত গানে ভাষা পাওয়া প্রখর এসব প্রশ্নের তোড়েই কিনা জানি না, ১৮ জুলাই থেকে বন্ধ হয়ে গেল দেশের ইন্টারনেট।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্ণ হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের যে সংগ্রাম ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই দেশবাসীকে আবেগে উদ্বেল করে তুলেছিল, তারই বিজয়ের দিন ‘৩৬ জুলাই’ বা ৫ আগস্ট।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রকৃত ইতিহাস এবং সাধারণ মানুষের অবদানকে মনে রাখার আহ্বান জানিয়ে লিখেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠক ও নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক প্রাপ্তি তাপসী।
চব্বিশের গণ–অভ্যুত্থানের দিনগুলোয় যখন লাশের সারি বাড়ছে, যখন ক্রমেই আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে জনতার সঙ্গে আওয়ামী লীগের মরণপণ লড়াই অত্যাসন্ন, তখন এ দেশের ‘প্রগতিশীল’ হিসেবে পরিচিতদের ভূমিকা বেশ নাজুক ছিল।
জাতীয় ঘটনার সাক্ষী হওয়ার যদি কোনো ন্যূনতম মানদণ্ড থেকে থাকে, তাহলে আমি বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের মতো বিশাল একটা ঘটনার সাক্ষী হওয়ার সুযোগ হারিয়েছি।
জুলাই গণ–আন্দোলনের সময় ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় যখন যোগাযোগ সীমিত, তখন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে ৯ দফা ঘোষণা করে আলোচনায় আসেন অন্যতম সমন্বয়ক আবদুল কাদের।