এ বছরের সবচেয়ে বড় সাহিত্যিক বিতর্ক
ব্রিটিশ লেখক র্যাচেল কাস্কের নতুন উপন্যাস ‘লাইফ অব এম’ প্রকাশের পর থেকেই সাহিত্যজগতে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এই ‘এম’ কি ন্যাটালি পোর্টম্যান? এখান থেকেই শুরু জল্পনা।
ব্রিটিশ লেখক র্যাচেল কাস্কের নতুন উপন্যাস ‘লাইফ অব এম’ প্রকাশের পর থেকেই সাহিত্যজগতে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। এই ‘এম’ কি ন্যাটালি পোর্টম্যান? এখান থেকেই শুরু জল্পনা।
দীপু মাহমুদের রম্যগদ্য ‘ঝন্টু ভাইয়ের নীতিশিক্ষা’
বুর্জোয়া শিল্প নিয়ে জহির রায়হানের মনোভঙ্গি মিলে যায় আরও একজন মনীষীর সঙ্গে। তিনিও জহির রায়হানের মতো মার্ক্সবাদ ও সমাজতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিলেন এবং জহির রায়হানের মতোই ভীষণ রকম সৃজনশীল ছিলেন।
গাজী ও দক্ষিণ রায়ের সেই আধ্যাত্মিক ও সামরিক সংঘাত থেকেই জন্ম নিল সুন্দরবনের আরেক বড় বিশ্বাস—বনবিবির আখ্যান। মুন্সী বয়ানউদ্দীনের পুঁথি অনুযায়ী, বনবিবি ও তাঁর ভাই শাহ জাঙ্গলী এসেছিলেন মক্কা থেকে। তখন বনে বাঘরূপী দক্ষিণ রায়ের অত্যাচারে মানুষের জীবন ছিল ওষ্ঠাগত।
<p>যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটিতে ২০১৯ সালের পরে আবার ফিরেছে বুককন। এই সম্মেলনের জন্য শত শত লেখক ও হাজার হাজার ভক্ত জাভিটস সেন্টারে সমবেত হন।</p><p>এই সাহিত্য অনুষ্ঠানটি কমিক কনের মতোই, যেখানে ভক্তরা...
ডাইটন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে বেশ কিছু ঐতিহাসিক বইও লিখেছেন এবং একজন রান্নাবিষয়ক লেখক হিসেবে যুক্তরাজ্যে ফরাসি খাবারের পরিচিতি বাড়াতে সহায়তা করেছেন।
এসব চিঠিতে পণ্ডিতের কঠিন খোলস চিরে উঁকি দিচ্ছে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মমতাসময় হৃদয়।
এই দোকান হ্যারি পটার সিরিজের বিভিন্ন আকর্ষণীয় স্থান ও কেনাকাটার সুযোগের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করবে।
এই প্রতিবাদে অংশ নিয়েছেন নোবেলজয়ী লেখক কাজুও ইশিগুরো, ফিলিপা গ্রেগরি, রিচার্ড ওসমানসহ বহু লেখক।
আমাদের আবার প্রশ্ন করতে শিখতে হবে। মনে রাখতে হবে, প্রামাণিক তথ্যের বাইরে যা কিছু আবেগ দিয়ে গেলানো হচ্ছে, তা আসলে একধরনের আধিপত্য।
তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, লজ্জা ও সংকোচ কীভাবে মানুষকে নীরব করে রাখে এবং কেন সেই নীরবতা ভাঙা প্রয়োজন।
বর্তমানে উইমেন্স প্রাইজের অধীনে দুটি বিভাগ রয়েছে। ‘উইমেন্স প্রাইজ ফর ফিকশন’ এবং ‘উইমেন্স প্রাইজ ফর নন-ফিকশন’। ফিকশন বিভাগটি পুরোনো।
২০১৪ সালে তৈরি ওই ডকুমেন্টারিতে হিব্রুতে লেখা তাঁদের প্রেমপত্রগুলো তুলে ধরা হয়েছে, যা বেন-আমি বহুকাল যত্ন করে রেখে দিয়েছিলেন।
এ বছরের আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কারের জন্য জমা পড়েছিল ১২৮টি বই। কয়েক মাস ধরে পাঠ, আলোচনা ও বিতর্কের পর বিচারকমণ্ডলী সেখান থেকে বেছে নিয়েছেন ১৩টি বই।
কোলেট ডেলাওয়ালার ভাষায়, এই উচ্ছেদ অবৈধ এবং তিনি এটিকে ‘আধুনিক যুগের বই পোড়ানোর’ সঙ্গে তুলনা করেন।
মানবাধিকার, সেন্সরশিপবিরোধী অবস্থান এবং সংকটাপন্ন লেখকদের পক্ষে সোচ্চার থাকার ঐতিহ্য বজায় রাখার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।
যাঁরা নির্দিষ্ট সাহিত্য বা প্রেক্ষাপট সম্পর্কে জানেন, তাঁদের জন্য এসব ইঙ্গিত হয়ে ওঠে বাড়তি আনন্দ। একধরনের অতিরিক্ত পাঠ।
এই পুরস্কার দেওয়া হয় নিউইয়র্ক সিটিকে কেন্দ্র করে লেখা কথাসাহিত্য ও নন–ফিকশন বইকে।
গার্ডিয়ানের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে পাঠকদের মধ্যে বিশেষভাবে জনপ্রিয় ছিল স্মৃতিকথা, প্রবন্ধ সংকলন এবং সাহিত্যিক ফিকশন।
আমার মনের বনে যে ঘন শীত পড়ছে, তা নিবারণ করতে তুমি আসবে তো হিমা? একজন বলল, ‘আপনার কবিতায় এত এত মৃত্যু আসে কেন?’
সমালোচকদের এই সংগঠন মোট আটটি বিভাগে মনোনয়ন ঘোষণা করেছে। পাশাপাশি তিনটি সম্মানসূচক পুরস্কারের কথাও জানানো হয়েছে।
আয়োজক প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, এই বছর তৃতীয়বারের মতো এই পুরস্কার অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিজন বিজয়ী পেয়েছেন পূর্বঘোষিত ১০ হাজার মার্কিন ডলার।
এই বিভাজন কেন? কেন প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কবিতায় আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ উপন্যাসে ধরা পড়ল?
আবদেল-ফাত্তাহ এই সিদ্ধান্তকে ‘ফিলিস্তিনি-বিরোধী বর্ণবাদ ও সেন্সরশিপের প্রকাশ্য ও বাজে দৃষ্টান্ত’ বলে অভিহিত করেন।