৫ জানুয়ারি ২০১৪: কলঙ্কিত এক নির্বাচন
৫ জানুয়ারি ২০১৪: কলঙ্কিত এক নির্বাচন
৫ জানুয়ারি ২০১৪: কলঙ্কিত এক নির্বাচন
ভোটের পরদিন মুক্তকণ্ঠের ছাপা পত্রিকার প্রধান শিরোনাম ছিল, ‘জাল ভোট, কলঙ্কিত নির্বাচন’।
ইসলামপন্থীরা সবচেয়ে কম আসন পায় ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে। ২০১৪ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন দুটি ইসলামপন্থী বড় দলগুলো বর্জন করে।
লক্ষ্মীপুর বিএনপি-প্রভাবিত এলাকা হিসেবে পরিচিত। দলটি ২০০১ ও ২০০৮ সালের নির্বাচনে জেলার চারটি আসনেই জিতেছিল। ২০১৪ সালে বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো নির্বাচন বর্জন করে। একতরফা ওই নির্বাচনে সব আসন আওয়ামী লীগের দখলে চলে যায়। তবে আবারও জেলার সব কটি আসন জিতে ‘ঘাঁটি পুনরুদ্ধার’ করল বিএনপি।
কমিশনের প্রতিবেদনে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সংসদ নির্বাচনে প্রশাসন, পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা তুলে ধরা হয়েছে।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত অনিয়ম ও বিতর্কিত তিনটি (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে অনুষ্ঠিত) জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিকল্পনা শুরু হয়েছিল ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর থেকে।
নির্বাচনী মাঠে হাসনাতের পাশে দাঁড়াতেই একত্র হন বন্ধুরা। এই ১৪ লাখ টাকা প্রবাসে থাকা ও দেশে অবস্থানরত ২০১৪ ব্যাচের বন্ধুরা সম্মিলিতভাবে হাসনাতকে উপহার দিয়েছেন।
নির্বাচনে সহিংসতা বাংলাদেশে নতুন নয়। গত পাঁচটি সংসদ নির্বাচনের হিসাবে চোখ রাখলে দেখা যায়, তাতে অন্তত ১৬৫ জন মারা গেছেন। আহত ব্যক্তির সংখ্যা ৩ হাজার ৬৫৭ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি সহিংসতা হয়েছিল ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচনে।