যে ৬ বিশেষ কারণে মুহাম্মদ (সা.) অন্য নবীদের চেয়ে আলাদা
ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো, নবীদের মধ্যে ব্যক্তিগত পছন্দের বশে তুলনা না করা। তবে এর অর্থ এই নয় যে নবীজির বিশেষ মর্যাদাগুলো অস্বীকার করতে হবে।
ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো, নবীদের মধ্যে ব্যক্তিগত পছন্দের বশে তুলনা না করা। তবে এর অর্থ এই নয় যে নবীজির বিশেষ মর্যাদাগুলো অস্বীকার করতে হবে।
নবীজি (সা.) মুসলিম উম্মাহর ধ্বংসের কারণ হিসেবে দুনিয়ার প্রাচুর্য, গুপ্ত শিরক, সমকামিতা, ব্যভিচারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। হাদিসের আলোকে এই সতর্কতাগুলো উম্মতকে সঠিক পথে রাখার মানদণ্ড। প্রকৃত নবীপ্রেম এই শিক্ষাগুলো জীবনে অবলম্বন করা।
কোথায় সেই গৃহ? কোথায় শৈশবের সেই খেলার মাঠ? সেখানকার লোকেরা কেন ও কীভাবে মক্কায় এসেছিল? মক্কা থেকে সেখানে পৌঁছানোর অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
হিজরতের পর মদিনায় ‘রাষ্ট্রপ্রধান’ হওয়ার পরও তাঁর জীবনে কোনো পরিবর্তন আসেনি। তাঁর শয্যা ছিল খেজুর পাতার তৈরি, যা শরীরে দাগ ফেলে দিত।
দ্বন্দ্ব এমন পর্যায়ে পৌঁছাল যে, যুদ্ধের দামামা বেজে উঠল। বনু আবদুদ দার এবং বনু আদি গোত্র তো একটি পাত্রে রক্ত ভরে তাতে হাত ডুবিয়ে মৃত্যুর শপথ পর্যন্ত নিয়ে নিল।
একজন ধর্ম প্রচারকের দাওয়াতের ভাষা কেমন হওয়া উচিত এবং মানুষের প্রতি তাঁর মমত্ববোধের গভীরতা কতটুকু হওয়া প্রয়োজন, এই বাক্যটি তার এক অনন্য মাইলফলক।
চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত যখন নিলেন, তাঁকে জানানো হলো, সমকালীন রাজন্যবর্গ সিলমোহর ছাড়া চিঠি গ্রহণ করেন না। ফলে তিনি রুপা দিয়ে একটি আংটি তৈরি করান।
যারা বিভিন্ন কারণে পরিবার থেকে দূরে আছেন, তাদের উচিত নবীদের জীবনী থেকে শক্তি সঞ্চয় করা। মানুষের পরিকল্পনা যেখানে শেষ, আল্লাহর পরিকল্পনা সেখান থেকেই শুরু।
নবীজি নিজেও উম্মতকে দরুদের তাগিদ দিয়েছেন। বলেছেন, ‘তোমরা আমার ওপর অধিক পরিমাণে দরুদ পাঠ করবে। কেননা তা আমার কাছে পৌঁছানো হয়, ফেরেশতারা পৌঁছে দেন।
মুহাম্মদ (সা.) জন্মেছিলেন এতিম হয়ে। এটি পৃথিবীর সমস্ত এতিমের জন্য অনেক বড় সম্মানের এবং সান্ত্বনার বিষয়। তিনি মায়ের গর্ভে থাকাকালীনই পিতাকে হারান।
‘ইস্তিগফার’ মানে ক্ষমাপ্রার্থনা করা আর ‘তওবা’ অর্থ ফিরে আসা। ‘নাস’ মানে মানব। মানবমাত্রেই ভুল। ‘ইনসান’ মানেও মানব তথা মানুষ, যে কিনা ভুলে যায়।
আল্লাহ আরও বলেন, ‘তুমি এতিমের প্রতি কঠোর হয়ো না।’ (সুরা-৯৩ দুহা, আয়াত: ৯)