‘আখেরি চাহার শোম্বা’ পালন করা কি সুন্নত
আখেরি চাহার শোম্বা পালন নিয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি ও সুন্নাহ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
আখেরি চাহার শোম্বা পালন নিয়ে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি ও সুন্নাহ অনুসরণের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।
সম্মান শুধু কথায় নয়, মনোযোগেও প্রকাশ পায়। যখন আমরা কারও সঙ্গে কথা বলি, তখন সে বারবার ফোনের স্ক্রিন দেখলে কথোপকথনের সৌন্দর্য নষ্ট হয়।
অজুর শুরুতে বিসমিল্লাহ বলা কি ওয়াজিব নাকি সুন্নত—এই বিষয়ে ফকিহদের মধ্যে দীর্ঘদিনের মতভেদ রয়েছে। কোরআন, হাদিস ও ফিকহের নীতির ভিত্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতে এটি সুন্নত, তবে পূর্ণতার জন্য জরুরি। অজু তবু বৈধ হয়।
কোরআনের যেসব আয়াতে দোয়ার কথা বলা হয়েছে বা আল্লাহর কাছে চাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো তেলাওয়াত করলে বা শুনলে সিজদা করার কোনো বিধান নেই।
সাহ্রি শব্দের অর্থ শেষরাতের খাবার। রোজা ও রমজানের অতি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ সাহ্রি।
এশার নামাজের পর থেকে ফজরের ওয়াক্তের আগপর্যন্ত তথা সাহ্রির শেষ সময় পর্যন্ত তারাবিহর নামাজ পড়া যায়। একসঙ্গে ২০ রাকাত পড়তে না পারলে আলাদাভাবেও পড়া যাবে।
ইফতার অর্থ উপবাস ভঞ্জন। ভোর থেকে সারা দিন ‘সাওম’ পালন শেষে রোজাদার সূর্যাস্তের পর প্রথম যে পানাহারের মাধ্যমে উপবাস ভঞ্জন করেন, তাকে ‘ইফতার’ বলা হয়।
ফকিহগণ এ নিয়ে মতভেদ করেছেন যে মিসওয়াক নির্দিষ্টভাবে অজুর সুন্নত, নাকি নামাজের সুন্নাহ, নাকি ইসলামের একটি সাধারণ সুন্নত, যা সর্বাবস্থায় ও সর্বসময়ে কাম্য?
আধুনিক যুগে অভ্যাসে পরিণত হওয়া অনিয়মিত রাত জাগার প্রবণতা মানুষের ভোরের ইবাদত বিনষ্ট করে এবং শারীরিক ভারসাম্য নষ্ট করে, যা নবীজির শিক্ষার পরিপন্থী।
রাসুল (সা.) দুপুরের পরিশ্রান্ত ভাব কাটানোর এমন একটি সহজ, স্বাস্থ্যকর ও প্রশান্তিকর অভ্যাস শিখিয়ে গেছেন, যা শরীরকে সতেজ করার পাশাপাশি ইবাদতের শক্তিও জোগায়।
একজন মুমিনের অন্যতম দায়িত্ব হলো, নিজের জিবকে সংযত রাখা এবং সর্বাত্মক চেষ্টা করা, যেন তার কথা কারও সম্মানহানি বা কষ্টের কারণ না হয়।
অতীতে একটি মাত্র হাদিস যাচাই করার জন্য অনুরাগী শিক্ষার্থীরা হাজার মাইল পথ সফর করতেন। খাতিব আল-বাগদাদি হাদিস সংগ্রহের সফর বিষয়ে পৃথক ইতিহাস সংকলন করেছেন।