‘সুন্নাহ’ অনুধাবনে সাহাবিদের কথা কেন মানতে হবে
সাহাবিদের বক্তব্যের কথা যখন বলা হয়, তখন মূলত তাঁদের ‘ইজমা’কে বোঝানো হয়। যদি কোনো বিষয়ে সাহাবিরা একমত হন, তবে সেই ব্যাখ্যা গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।
সাহাবিদের বক্তব্যের কথা যখন বলা হয়, তখন মূলত তাঁদের ‘ইজমা’কে বোঝানো হয়। যদি কোনো বিষয়ে সাহাবিরা একমত হন, তবে সেই ব্যাখ্যা গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।
গিবত শুধু মুখের কথায় সীমাবদ্ধ নয়। ইশারা-ইঙ্গিত, অভিনয়ের মাধ্যমে ব্যঙ্গ করা কিংবা লিখে কারো চরিত্রহনন করা, এমনকি পাশে বসে তা উপভোগ করাও গিবতের শামিল।
বলা যায় একরকম পিড়াপিড়ি করেই তাঁকে এই মহান দায়িত্বে বসানো হয়। পরদিনই তিনি কাপড়ের গাট্টি মাথায় নিয়ে সাধারণ মানুষের মতো বাজারের দিকে রওনা হন। তিনি মূলত কাপড় ব্যবসায়ী ছিলেন।
সাহাবিদের জীবন বিশ্লেষণ করলে একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য নজর কাড়ে, তা হলো—তাঁদের অপ্রতিরোধ্য জ্ঞানপিপাসা ও সত্য অনুসন্ধানের আকুলতা। তাই তাঁরা প্রচুর প্রশ্ন করতেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সৌজন্যে অন্যের হাসিখুশি মুখ আর কৃত্রিম সুখের ছবিটাই বেশি দেখি। অথচ একটু আগেই হয়তো সে কারও সঙ্গে রাগারাগি করেছে বা একা বসে কান্না করেছে।
আল্লাহর রাসুল (সা.)–এর পুত্রসন্তানদের মৃত্যুর পর মক্কার কাফেররা তাঁকে ‘আবতার’ বা নির্বংশ বলে উপহাস করত। আস ইবনে ওয়াইল ছিলেন মক্কার অন্যতম প্রভাবশালী নেতা।
হিজরির কারবালায় উমাইয়া শাসনযন্ত্র ঠিক একই ধরনের একটি সুপরিকল্পিত তথ্য নিয়ন্ত্রণ চালিয়েছিল। কারবালার ঘটনা ছিল রাষ্ট্রীয় অপপ্রচার বনাম সত্যের লড়াই।
মাত্র ৩৬ বছরের সংক্ষিপ্ত জীবন, যার মধ্যে ইসলামের ছায়াতলে ছিলেন মাত্র ছয়টি বছর। যার বিদায়বেলায় মহান আল্লাহর আরশ পর্যন্ত কেঁপে উঠেছিল।
তাঁদের অর্জিত বিপুল ধনসম্পদ কখনো ব্যক্তিগত ভোগবিলাস বা ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়নি; বরং তা ব্যবহৃত হয়েছে সমাজকল্যাণ, মানবিক পুনর্বণ্টন এবং রাষ্ট্রীয় সংকট নিরসনে।
সহযোগিতার মাধ্যমে এমন সব লক্ষ্য ও প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়, যা একা করতে গেলে না–ও পারতে পারে। দায়িত্বও বহু মানুষের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়।
নিজের চেয়ে কম যাদের আছে, তাদের দিকে তাকিয়ে শুকরিয়া আদায় করা, যা আছে তার জন্য কৃতজ্ঞ থাকা, আর তুলনার অভ্যাস থেকে নিজেকে সচেতনভাবে দূরে রাখা।
উপস্থিত মুসলমানরা বেদুইনের এমন আচরণের প্রতিবাদ করে বললেন, ‘আল্লাহর রাসুল কখনো মিথ্যা বলতে পারেন না।’ এমন সময় সাহাবি খুজায়মা (রা.) সেখানে এগিয়ে আসেন।