
‘সুন্নাহ’ অনুধাবনে সাহাবিদের কথা কেন মানতে হবে
সাহাবিদের বক্তব্যের কথা যখন বলা হয়, তখন মূলত তাঁদের ‘ইজমা’কে বোঝানো হয়। যদি কোনো বিষয়ে সাহাবিরা একমত হন, তবে সেই ব্যাখ্যা গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।

সাহাবিদের বক্তব্যের কথা যখন বলা হয়, তখন মূলত তাঁদের ‘ইজমা’কে বোঝানো হয়। যদি কোনো বিষয়ে সাহাবিরা একমত হন, তবে সেই ব্যাখ্যা গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক।

একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, হিজরতের ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছিল রবিউল আউয়াল মাসে, তাহলে হিজরি বছরের প্রথম মাস হিসেবে মহররমকে নির্ধারণ করা হলো কেন?

বদর যুদ্ধের অন্যতম একটি বিস্ময়কর ও অলৌকিক দিক ছিল স্বপ্ন। যুদ্ধ শুরুর পূর্বমুহূর্তে এবং যুদ্ধ চলাকালীন মুসলিম ও মুশরিক উভয় শিবিরে বেশ কিছু তাৎপর্যপূর্ণ স্বপ্ন দেখা গিয়েছিল।

মুসলমানদের সামনে একটাই পথ খোলা ছিল—নিজেদের আত্মরক্ষা এবং ধর্ম ইসলামের পবিত্রতা বজায় রাখার খাতিরে ধনসম্পদ ও আত্মীয়স্বজন ত্যাগ করে অন্য কোথাও চলে যাওয়া।

নবাগতের নাম রাখা হয় ‘সালামা’। আর সেই দিন থেকেই আবদুল্লাহ ও হিন্দ দম্পতি আরবের প্রথা অনুযায়ী নতুন কুনিয়াত বা সম্বোধনে পরিচিত হয়ে ওঠেন—‘আবু সালামা’ ও ‘উম্মে সালামা’।

উপস্থিত মুসলমানরা বেদুইনের এমন আচরণের প্রতিবাদ করে বললেন, ‘আল্লাহর রাসুল কখনো মিথ্যা বলতে পারেন না।’ এমন সময় সাহাবি খুজায়মা (রা.) সেখানে এগিয়ে আসেন।

মুহাজির, আনসার এবং বনু হাশিম (নবীবংশের) সাহাবিদের তিনটি পৃথক দল ছিল মজলিশে। কথা প্রসঙ্গে বিতর্ক সৃষ্টি হলো, আমাদের মধ্যে কারা নবীজির সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ও প্রিয়পাত্র

একবার ক্ষুধার তীব্রতায় পথ থেকে কুড়িয়ে পাওয়া একটি স্বর্ণমুদ্রা দিয়ে কেনা আটার রুটি বানিয়ে ক্ষুধা নিবারণ করেছিলেন। তবে অন্তরে ছিল আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাস।

হজের সফরের প্রতিটি মোড়ে, ইহরাম থেকে শুরু করে আরাফাতের ময়দান পর্যন্ত, রাসুল (সা.) আমাদের নির্দিষ্ট কিছু দোয়া ও জিকির শিখিয়েছেন। হাদিসসমর্থিত দোয়াগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম।

রাখাল ছেলে আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদের সততায় মুগ্ধ হয়ে নবী (সা.) অলৌকিকভাবে দুধ দেন। তিনি নবীজির বিশ্বস্ত খাদেম, যুদ্ধবীর এবং কোরআনের শীর্ষ বিশেষজ্ঞ হয়ে ওঠেন। রাসুল (সা.) চার সাহাবির মধ্যে তাঁকে কোরআন শেখার জন্য সর্বোচ্চ স্থান দেন।

তাবুক যুদ্ধে অনুপস্থিত তিন সাহাবির তওবার ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে। তারা কোনো অজুহাত না দিয়ে সত্য স্বীকার করেন এবং ৫০ দিনের বয়কটের পর আল্লাহ তওবা কবুল করেন। এ ঘটনা থেকে সৎকাজে দেরি না করা, সত্যের পথ অনুসরণ ও প্রকৃত অনুশোচনার শিক্ষা পাওয়া যায়।

হিজরতের পর রাসুল (সা.) মুহাজির ও আনসারদের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন তৈরি করে দিয়েছিলেন। সে সূত্রে আব্দুর রহমানের ভাই হলেন আনসার সাহাবি সাদ ইবনে রবি।