যে ৫ আমলে মিলবে হজের সওয়াব
আমরা যারা হজে যাওয়ার সামর্থ্য রাখি না, তারা চাইলে এই আমলগুলোর মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও হজের সওয়াব অর্জন করতে পারি।
আমরা যারা হজে যাওয়ার সামর্থ্য রাখি না, তারা চাইলে এই আমলগুলোর মাধ্যমে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও হজের সওয়াব অর্জন করতে পারি।
অজু বা গোসলের পর শরীর মুছা জায়েজ কি না—এই বিষয়ে আলেমদের মতামত বিভক্ত। অধিকাংশের মতে এতে কোনো দোষ নেই এবং সওয়াব কমে না। বিভিন্ন মাজহাবের ফকিহদের দলিলসহ বিস্তারিত আলোচনা।
যখন একজন বান্দা পূর্ববর্তী নেক আমল করার পর পুনরায় নেক আমল করার তাওফিক পান, সেটি আল্লাহর পক্ষ থেকে আমল কবুলের একটি দৃষ্টান্ত হতে পারে।
কোরবানি ইব্রাহিম (আ.)-এর ত্যাগ ও আনুগত্যের স্মৃতিবিজড়িত সুন্নত। তবে হাদিসে দুটি আমলের কথা এসেছে, যেগুলোর মাধ্যমে কোরবানির সমপরিমাণ সওয়াব অর্জন করা যায়।
যেসব নফল জামাতে পড়া যাবে, তাতে জামাতের সওয়াব পাওয়ার আশা করা যায়। যেসব নফল জামাতে বৈধ নয়, তাতে সওয়াবের পরিবর্তে গুনাহ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
এখানে ‘সদকা’ মানে হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে সওয়াব বা পুরস্কার। যদি কেউ সওয়াবের নিয়তে ভালো কাজ করে, তবে সে নিশ্চিতভাবে পুরস্কার পাবে।
জীবনে যে যত বেশি ভালো আমল করবে, তিনি তত বেশি উঁচু স্তরে থাকবেন। কেউ তার প্রাপ্যের চেয়ে কম পাবেন না। এখানেই আফসোসের জায়গাটা।
সহযোগিতার মাধ্যমে এমন সব লক্ষ্য ও প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়, যা একা করতে গেলে না–ও পারতে পারে। দায়িত্বও বহু মানুষের মধ্যে ভাগ হয়ে যায়।
আমরা চেষ্টা করি যত দ্রুত সম্ভব নামাজটা পড়ে শেষ করে দায়মুক্ত হতে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, নামাজ আর ইবাদত কি সত্যিই আমাদের জন্য কোনো বোঝা?
তিনি উটের পিঠ থেকে নামার উদ্যোগ করতেই আলী ও আবু লুবাবার বুক কেঁপে উঠল। মরুভূমির তপ্ত বালুতে নবীজি হাঁটবেন, আর তাঁরা উটের পিঠে আরাম করবে?
কোরআন বারবার মনে করিয়ে দেয় যে সবকিছুর মালিক একমাত্র আল্লাহ; তিনিই সংকটের রব, তিনিই স্বস্তির দিতে পারেন—এমন বিশ্বাস মুমিনের অন্তরে প্রশান্তি তৈরি করে এবং নিয়মিত তেলাওয়াত মানুষকে পথের দিশা দেয়।
এই দিনের ফজিলত আল্লাহর কাছে এত বেশি যে কেউ যদি জুমার রাতে কিংবা জুমার দিবসে মারা যায়, আল্লাহ–তাআলা দয়া করে তাকে কবরের আজাব থেকে রক্ষা করেন।