সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ পাস
জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে, যার ফলে ২০০১ সালের পুরোনো আইনটি রহিত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পথ প্রশস্ত হলো।
জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে, যার ফলে ২০০১ সালের পুরোনো আইনটি রহিত হয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের পথ প্রশস্ত হলো।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬-এর খসড়া যাচাই-বাছাই শেষে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি কমিশনকে গ্রেপ্তারের ক্ষমতা ও স্বাধীন তদন্তের সুপারিশ করেছে।
জাতীয় সংসদে বিরোধী এনসিপি সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের উত্থাপিত জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল-২০২৬ পাস হয়েছে। এতে অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশ বাতিল হয়ে ২০০৯ সালের আইন পুনর্বহাল হয়। হাসনাত রাজনৈতিক দমনের অস্ত্র হিসেবে এর ব্যবহারের আশঙ্কা জানান।
প্রথমবার নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংসদীয় কার্যক্রম, বিল-বাজেট, স্থায়ী কমিটির কাজসহ বিভিন্ন বিষয়ে ধারণা দিতে দুই দিনের কর্মশালার আয়োজন করে জামায়াতে ইসলামী।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা।
বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন–২০২৬’ বিল উত্থাপন করা হয়েছে।
পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস, ডিজিটাল কারসাজি এবং উত্তরপত্রের অন্যায্য মূল্যায়নের শাস্তির বিধান রেখে সংসদে ‘পাবলিক এক্সামিনেশনস (অফেন্সেস) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল–২০২৬’ পাস হয়েছে।