
ইসরায়েলের বেপরোয়া আচরণে কি যুক্তরাষ্ট্র–ইরান শান্তিচুক্তি ভেস্তে যাবে
ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকে সই করলেও নির্ধারিত শান্তি আলোচনা শুরু হয়নি।

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারকে সই করলেও নির্ধারিত শান্তি আলোচনা শুরু হয়নি।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জেনেভা সফরের পরিকল্পনা হঠাৎ বাদ দেওয়ায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব স্বাক্ষর করায় নিঃসন্দেহে এই সমঝোতা স্মারকের গুরুত্ব অনেক বেশি। তবে সতর্কতার বিষয় হলো, টেকসই ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে যে দীর্ঘ ও বন্ধুর পথ, এটি তার প্রথম ধাপ।

‘বিশ্বাসঘাতক’ যুক্তরাষ্ট্রের শান্তিচুক্তি মানবে না ইসরায়েল

ইসরায়েলের সব রাজনৈতিক দল ও মতাদর্শের নেতারা একযোগে এই চুক্তির তীব্র নিন্দা ও সমালোচনা করেছেন। তাঁদের মতে, চুক্তিটি পুরোপুরি ইসরায়েলের স্বার্থের পরিপন্থী।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি চুক্তি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য একটি রাজনৈতিক দুঃস্বপ্ন হয়ে এসেছে।

চুক্তিটি সদিচ্ছার সঙ্গে বাস্তবায়িত হবে বলে আশা করে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে চুক্তিটি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী হবে বলেও আশা বাংলাদেশের।

যুদ্ধ বন্ধ ও হরমুজ প্রণালি দিয়ে আবারও জাহাজ চলাচলের বিষয়ে চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শান্তিচুক্তির ঘোষণা ইসরায়েল মোটেও সহজভাবে নেবে না।

মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানও ভার্চ্যুয়ালি এ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকের খসড়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র, ইরান, চুক্তি, যুদ্ধ, জেনেভা, ডোনাল্ড ট্রাম্প মেটা: চুক্তি সইয়ের সম্ভাব্য স্থান হিসেবে এগিয়ে রয়েছে সুইজারল্যান্ডের জেনেভার নাম।