লাতিন আমেরিকায় চীনের নীরব সম্প্রসারণ
লাতিন আমেরিকায় বেইজিংয়ের কর্মকাণ্ড এমন এক ঝুঁকি তৈরি করেছে, যা অনেকেই খেয়াল করছেন না।
লাতিন আমেরিকায় বেইজিংয়ের কর্মকাণ্ড এমন এক ঝুঁকি তৈরি করেছে, যা অনেকেই খেয়াল করছেন না।
লাতিন আমেরিকাজুড়ে ডানপন্থী জনতুষ্টিবাদের পক্ষে এক অভূতপূর্ব রাজনৈতিক বিপ্লব চলছে। আর্জেন্টিনা, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, চিলি, পেরু এবং এখন কলম্বিয়া—সবখানেই বামপন্থীরা পরাজিত হয়েছে। এর মাধ্যমে এই মহাদেশে দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা বামপন্থী জোয়ারের অবসান ঘটল।
১ লাখ ১১ হাজার বর্গকিলোমিটারের দেশটিতে লোক বাস করে এক কোটির মতো। লাতিন ও মধ্য এশিয়ার বেশির ভাগ দেশের মতো এ দেশের মানুষেরও প্রধান ভাষা স্প্যানিশ।
কয়েক বছর পরে লাতিন আমেরিকায় এসে আমি আবার পাঠের জগতে ফিরি। এখানে এসে আমি সাহিত্যের নতুন ভূগোল আবিষ্কার করি।
মাদুরোকে তুলে নেওয়ার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে অনেক লক্ষ্য অর্জন করেছে।
লাতিন আমেরিকা জুড়ে জনমত ও সরকারের অবস্থানের মধ্যে দৃশ্যমান টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন সমীক্ষায় ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মানুষের অবস্থান দেখা গেলেও নতুন করে বেশ কয়েকটি দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে নিরাপত্তা, কূটনৈতিক ও প্রযুক্তিগত সম্পর্ক জোরদার করছে।
১৯৯৬ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ‘ব্রাদার্স টু দ্য রেসকিউ’ সংগঠনের দুটি বিমান ভূপাতিত করে চারজনকে হত্যার ঘটনায় রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্র।
কাতারি সূত্রের খবরে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের মাদুরো-পরবর্তী ভেনেজুয়েলার পরিকল্পনায় বিরোধী নেত্রী মারিয়া করিনা মাচাদোর কোনো ভূমিকা ছিল না। পরিবর্তে দেলসি রদ্রিগেজকে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট করা হয়। কাতারের মধ্যস্থতায় চলা আলোচনার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ পেয়েছে।
কিছুক্ষণ পরেই ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেন, মার্কিন বাহিনী ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে বন্দী করে ভেনেজুয়েলা থেকে আকাশপথে দেশের বাইরে নিয়ে গেছে।
ভেনেজুয়েলায় স্থানীয় সময় আজ শনিবার ভোররাতে যুক্তরাষ্ট্র দফায় দফায় হামলা চালিয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিশ্চিত করেছেন, ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস ও এর আশেপাশে ভোরে ‘বড় ধরনের’ সামরিক অভিযান চালানো হয়েছে।
কিউবার হাভানায় মার্কিন অবরোধের কারণে স্বাস্থ্যসেবা ধ্বংসপ্রাপ্ত। জ্বালানি সংকটে হাসপাতালে ওষুধ-পরীক্ষা নেই, শিশুমৃত্যুর হার দ্বিগুণ বেড়েছে। ওভেন জোন্সের চোখে যুক্তরাষ্ট্রের এই নীরব যুদ্ধের ভয়াবহ চিত্র।