রোজা ও ঈদের অন্তর্নিহিত রহস্য
পরিশ্রম ও সংযমের মাস শেষ হওয়ার পর আসে ঈদ। সেই দিন হঠাৎ সব নিয়মকানুন পাল্টে যায়। আগে যেখানে রোজা রাখা ফরজ ছিল, সেখানে ঈদের দিনে রোজা রাখা হারাম।
পরিশ্রম ও সংযমের মাস শেষ হওয়ার পর আসে ঈদ। সেই দিন হঠাৎ সব নিয়মকানুন পাল্টে যায়। আগে যেখানে রোজা রাখা ফরজ ছিল, সেখানে ঈদের দিনে রোজা রাখা হারাম।
গবেষণায় দেখা গেছে, রমজানের ২৯ দিন রোজা রাখার ফলে বিপাকীয় সিনড্রোমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের রক্তে প্রদাহের সংকেত কমে গেছে এবং কোষ সুরক্ষা প্রদানকারী প্রোটিনের মাত্রা বেড়েছে।
রোজা মানুষকে আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্ক গড়তে শেখায়। কিন্তু দোয়া কবুলের শর্ত হলো—আল্লাহর নির্দেশ মান্য করা এবং তাঁর ডাকে সাড়া দেওয়া। নিছক মুখের কথা যথেষ্ট নয়।
রোজা সেই প্রশিক্ষণের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। এর উদ্দেশ্য কেবল ক্ষুধা-তৃষ্ণা সহ্য করা নয়; বরং তাকওয়া অর্জন, আত্মসংযম শেখা এবং আল্লাহকেন্দ্রিক জীবন গঠন করা।
আগামীকাল শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। রোজা এলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়ে যাওয়া যেন রেওয়াজে পরিণত হয়েছে। নওগাঁর বাজারে ইতিমধ্যে লেবু, কাঁচা মরিচ, বেগুন, শসা, আদা, রসুনসহ বিভিন্ন পণ্যের দাম বেড়েছে।
রমজানে অনেক রোগীই চিকিৎসা ও ওষুধ ব্যবহারে দ্বিধায় পড়েন। বিশেষ করে নাক, কান ও গলার রোগের ক্ষেত্রে।
মজান উপলক্ষে আগের মতোই বিশেষ ব্যবস্থা চালু রাখছে ইংলিশ ফুটবল। মুসলিম খেলোয়াড়েরা যেন ইফতার করতে পারেন, সে জন্য ম্যাচ চলাকালে দেওয়া হবে সংক্ষিপ্ত বিরতি।
রমজান মাসের খাদ্যাভ্যাস ও দৈনন্দিন রুটিনে পরিবর্তনের পর হঠাৎ কিছু ভুল অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই ঈদের দিনে কয়েকটি বিষয় এড়িয়ে চলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
যে রোজা রাখে, অন্য কারও তা জানার সুযোগ নেই। কেউ যদি সাহ্রি ও ইফতার করে মাঝখানে গোপনে কিছু খেয়ে ফেলে, তবে মানুষ তা বুঝতে পারবে না।
কোনো কারণে সময়মতো রোজা পালন করতে না পারলে তা কাজা আদায় করার বিধান রয়েছে।
সারাদিনে যে পরিমাণ ক্যালরি সাশ্রয় হয়েছিল, ইফতার ও রাতের খাবারে তার চেয়ে বেশি ক্যালরি গ্রহণ করা হয়। এতে ওজনের কোনো গুণগত পরিবর্তন ঘটে না।
রোজার মাসে ইফতার থেকে সাহ্রির পর্যন্ত একবারে অনেক বেশি পানি পান না করে ধীরে ধীরে নির্দিষ্ট বিরতিতে পান করাই উত্তম।