নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই সক্রিয়তার ইঙ্গিত, কী হিসাব কষছে আওয়ামী লীগ
মাঠে সীমিত উপস্থিতি ও রাজনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা—দ্বৈত কৌশলে এগোচ্ছে আওয়ামী লীগ।
মাঠে সীমিত উপস্থিতি ও রাজনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা—দ্বৈত কৌশলে এগোচ্ছে আওয়ামী লীগ।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গত দুই সপ্তাহে সারা দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের এক ডজনের বেশি কার্যালয় খোলা হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘নীল দল’ নিষিদ্ধের দাবিকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ এবং তদন্ত কমিটি গঠনকে ‘আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত’ বলে অভিহিত করেছে।
নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তৃণমূল পুনর্গঠন ও অনলাইন প্রচারণার মাধ্যমে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ।
বাংলাদেশে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের ইতিহাস নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষেধাজ্ঞা এবং জামায়াতের প্রতি সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গণতান্ত্রিক চর্চা ও ভোটের মাধ্যমে সমাধানের আহ্বান জানানো হয়েছে।
নেপালের নতুন সরকার শিক্ষাব্যবস্থায় আমূল সংস্কার আনতে ১০০ দফার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষা বাতিলসহ রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠন নিষেধাজ্ঞা ও অন্যান্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এগুলো শিক্ষাকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শিক্ষার্থীবান্ধব করার লক্ষ্যে।
দর্শক সারিতে যেন একধরনের প্রশান্তির ঢেউ। দীর্ঘদিন পর মঞ্চে ‘বাংলাদেশ’ গানটি গাইলেন জেমস। গুঞ্জন ছিল, রাজনৈতিক কারণে গানটি গাওয়ার নিষেধাজ্ঞা ছিল।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে দল নিষিদ্ধের খেলা চলছে দীর্ঘদিন। আওয়ামী লীগের সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞা ইতিহাসের অদ্ভুত প্যারাডক্স তৈরি করেছে, যখন জামায়াত সংসদে বসে। এই প্রবণতার পেছনে রাজনৈতিক কৌশল কী?
২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে তাঁদের ক্ষেত্রেও এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। তবে বিভিন্ন সংগঠনের আড়ালে প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ আছে।
ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কোনো ব্যক্তি যাতে ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন—এ বিষয়ে ভারতের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
চীনের প্রতিষ্ঠানের বরাত পাওয়ার ওপর থেকে ভারত সরকার কি নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে চলেছে? সরকারিভাবে এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্তের কথা জানানো না হলেও ইতিমধ্যেই এ নিয়ে রাজনৈতিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
শাস্তিমূলক আইন যদি দ্রুত প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়, কিন্তু বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও জবাবদিহিমূলক কাঠামো দুর্বল থাকে, তাহলে আইন নিজেই নিরপেক্ষতা হারিয়ে রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করে।