কাঞ্চনজঙ্ঘার সন্তান: লেপচা ও লেপচা জগৎ
তখন কে জানত, এই জগৎ যাদের—মানে লেপচারা (লেপচা জগৎ = লেপচাদের জগৎ), তারাই হচ্ছে এই তল্লাটের, মানে পুরো সিকিমের (দার্জিলিং একসময় যার অংশ ছিল, এর বিস্তারিত একটু পরেই বলব) সবচেয়ে আদি বাসিন্দা।
তখন কে জানত, এই জগৎ যাদের—মানে লেপচারা (লেপচা জগৎ = লেপচাদের জগৎ), তারাই হচ্ছে এই তল্লাটের, মানে পুরো সিকিমের (দার্জিলিং একসময় যার অংশ ছিল, এর বিস্তারিত একটু পরেই বলব) সবচেয়ে আদি বাসিন্দা।
তোমরা যতই বলো ‘খাতার গাট্টি’, তাতে আমার কিছুই যায় আসে না। প্রচণ্ড শীতে খাতা মুড়ি দিয়ে ডেকের কড়া লিকারের চায়ে টোস্ট বিস্কুট ডুবিয়ে খেতে চাই, ভাতের সঙ্গে ডাল-চড়চড়ি খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে চাই।
সময় বাঁচাতে আমরা পতেঙ্গা থেকে দ্রুত সিএনজি নিয়ে ফ্লাইওভার হয়ে পৌঁছে গেলাম বহদ্দারহাট বাস টার্মিনালে।
সাত সদস্যের বেটুস সংগঠনটির লক্ষ্য শুধু ঘোরাঘুরি নয়। বেটুস চায় আবহমান বাংলার রূপ ও প্রকৃতি দেখতে, লোকসংস্কৃতি জানতে ও গ্রামীণ মানুষের জীবন ছুঁয়ে দেখতে। ভ্রমণ এখানে শুধু বিনোদন নয়; বরং ভ্রমণ মানে শেখা, বোঝা আর অনুভব করা। ভ্রমণ মানে সৃষ্টিকে দেখা। সৃষ্টির রহস্য জানা।
কেমন ছিমছাম করে সাজানো সবকিছু আর ভীষণ পরিষ্কার–পরিচ্ছন্ন। মজার বিষয় হলো, সুপারশপগুলোভর্তি বাংলাদেশি পণ্যে। আরও মজার বিষয় হলো, এসব দোকানের কর্মচারীগুলোর অনেকে বাংলাদেশি। প্রায় দেড় লাখ বাংলাদেশি মালদ্বীপে কাজ করেন। মালদ্বীপের মোট জনসংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ৩৬ হাজার।
শীতার্ত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে ‘আমার আগে আমরা’ সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে ১৮ জানুয়ারি যশোরে মানবিক সহায়তায় কম্বল উপহার কর্মসূচি সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশের বাইরেও তেহজীবের অভিজ্ঞতা বিস্তৃত। ভারতের হাম্পতা পাস, কাশ্মীর গ্রেট লেক, বরফে ঢাকা কেদারকান্ত, মেঘালয়, নাগাল্যান্ডের জুকু ভ্যালি এবং শ্রীনগর–মানালি–লাদাখ রোড ট্রিপ—সবই তার শৈশবের অংশ।
ইন্দোনেশীয় পরিবারটিও বেশ চমৎকার মা, বাবা, দুই ছেলে আর এক মেয়ে। ট্যুর গাইড সংক্ষেপে ইংরেজিতে বর্ণনা করল আজ আমরা কী করতে যাচ্ছি।
রাতে খাওয়াদাওয়া করে ঘুমানোর চেষ্টা করলাম। আমাদের ট্রেন সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে।
চমৎকার রৌদ্রোজ্জ্বল দ্বিতীয় দিনের শুরু হলো পৃথিবীর চমৎকারতম সমুদ্রসৈকতে। আজকে আমাদের ভ্রমণ পরিকল্পনাও দারুণ, রিসোর্ট ভিজিট।
প্রযুক্তি মানুষকে হারতে দেবে না। সুতরাং আমরা পোর্টেবল ট্রান্সলেটরের সাহায্যে তার সঙ্গে কথা বলা শুরু করি। সংক্ষিপ্ত আলাপচারিতায় আমরা বুঝলাম যে আধঘণ্টার ভেতরে সে আমাদের হোটেলে নিয়ে যাবে।