
ব্যাংক খাত সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক
বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় এই ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। বিশ্বব্যাংক মনে করে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য একটি শক্তিশালী ব্যাংক খাতই হলো পূর্বশর্ত।

বিশ্বব্যাংকের বোর্ড সভায় এই ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়। বিশ্বব্যাংক মনে করে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধার ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য একটি শক্তিশালী ব্যাংক খাতই হলো পূর্বশর্ত।

বাংলাদেশে সংস্কার নিয়ে কথাবার্তা নতুন বিষয় নয়। ব্যাংক খাতকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করা, কর প্রশাসনকে আধুনিক করা, রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে জবাবদিহি নিশ্চিত করা কিংবা সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণকে আরও দক্ষ ও স্বচ্ছ করার দাবি বহুদিনের।

চিফ হুইপ দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি মোকাবিলায় ব্যাংকিং খাতে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন।

মূলত একীভূত হতে যাওয়া পাঁচ ব্যাংক ও অনিয়ম হওয়া ব্যাংকগুলোর উচ্চ লোকসান গত বছর শেষে পুরো খাতের লোকসানকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ব্যাংক সংস্কার উদ্যোগের ফলে এই চিত্র উঠে এসেছে।

‘ব্যাংক খাতে সুশাসন ও গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন জহির উদ্দিন স্বপন। ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) এই সেমিনারের আয়োজন করে।

এস আলমের ইসলামী ব্যাংক দখলের কাহিনি এখন সবারই জানা। ব্যাংক ডাকাতি অনেক পুরোনো পেশা, যা সারা পৃথিবীতে এখনো হয়।

রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অর্থনীতি নানামুখী চাপে আছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, নিম্ন রাজস্ব আহরণ, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা, ঋণঝুঁকি ও প্রশাসনিক অদক্ষতা একসঙ্গে চাপ তৈরি করছে

যখন কোনো দেশের ব্যাংকিং খাত রক্তাক্ত হয়, নীতিনির্ধারকদের প্রথম প্রবণতা হয় কারিগরি সমাধানের দিকে হাত বাড়ানো—কঠোর মূলধন পর্যাপ্ততার বিধি, ঋণ শ্রেণীকরণের কড়া মানদণ্ড, নতুন প্রভিশনিং প্রয়োজনীয়তা।

গত দেড় দশকে দেশে নতুন ১৬টি ব্যাংক অনুমোদন পেয়েছে। সংসদে খোদ অর্থমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্য অনুযায়ী, এগুলোর বেশির ভাগই রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। কোনো সন্দেহ নেই, বাংলাদেশের মতো ছোট বাজারে এত বেশি ব্যাংক থাকায় আন্তব্যাংক প্রতিযোগিতা বেড়েছে। ফলে অনেক ব্যাংক ঝুঁকিপূর্ণ ঋণ দিতে বাধ্য হয়েছে। একই সঙ্গে মন্দ ঋণ ও অর্থ পাচারের সংস্কৃতি গড়ে ওঠায় অনেক ব্যাংকই এখন ‘লাইফ সাপোর্টে’ আছে।

১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত অ্যামচেমের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কুকসন।

অন্তর্বর্তী সরকারকে ইঙ্গিত করে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, তারা নির্বাচিত সরকার ছিল না। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তাদের সক্ষমতার ঘাটতি ছিল, ছিল সমন্বয়ের অভাব। তাদের স্পষ্ট কোনো অর্থনৈতিক ভিশনও ছিল না।

রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনের সময় বড় বড় প্রতিশ্রুতি দিলেও তাদের ভেতরে সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য প্রকৃত নেতৃত্ব বা অঙ্গীকার কতটা আছে, তা স্পষ্ট নয় বলে মনে করেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান।