বৈদেশিক মুদ্রা আসছে, রিজার্ভও বাড়ছে। তবে উৎপাদন
বৈদেশিক মুদ্রা আসছে, রিজার্ভও বাড়ছে। তবে উৎপাদন, বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যে সেই স্বস্তির প্রতিফলন নেই। এ জন্য উচ্চ মূল্যস্ফীতিকে দুষছেন অর্থনীতিবিদেরা।
বৈদেশিক মুদ্রা আসছে, রিজার্ভও বাড়ছে। তবে উৎপাদন, বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্যে সেই স্বস্তির প্রতিফলন নেই। এ জন্য উচ্চ মূল্যস্ফীতিকে দুষছেন অর্থনীতিবিদেরা।
দেশের আমদানি, রপ্তানি ও ব্যাংক গ্যারান্টির জন্য দেশীয় ব্যাংকগুলো মূল ভরসার কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। তারাই এখন এই খাতে চালকের আসনে।
মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় জ্বালানি ও সারে ভর্তুকি বেড়েছে, যা জাতীয় অর্থনীতির জন্য চাপ তৈরি করছে।
এর আগে ২০২০ সালের জুনে রিজার্ভ প্রথমবারের মতো একই উচ্চতায় উঠেছিল, যা ২০২১ সালের আগস্টে ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করে।
বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, বৈদেশিক মুদ্রার বাজার স্থিতিশীল এবং টাকার অবমূল্যায়নের চাপ নেই। রিজার্ভ শক্তিশালী, রেমিট্যান্স রেকর্ড করেছে। তবে বাজারে ডলারের দাম বেড়েছে, ব্যাংকগুলো মজুত করছে বলে অভিযোগ।
বাংলাদেশের বিপিও ও আইটিইএস খাত বর্তমানে বছরে প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে।
এই সিদ্ধান্ত বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনাকে সহজ এবং ভিসাসংক্রান্ত লেনদেন প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করে তুলবে বলে মনে করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
এদিকে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি পাওয়ায় ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কিনে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন ডলার।
জ্বালানি আমদানি খরচ দ্বিগুণ হওয়ার পরও স্থিতিশীল ডলারের বাজার ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। তবে শিল্পে গতি ফিরলে ডলার ও রিজার্ভে চাপ বাড়ার আশঙ্কায় বিশেষজ্ঞরা।