
সাইবার যুদ্ধে ইরানের হ্যাকাররা মার্কিন-ইসরায়েলির সমকক্ষ
ইরানের হ্যাকাররা সাইবার যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমকক্ষ হয়ে উঠেছে। স্ট্রাইকার প্রতিষ্ঠানে বড় হামলা চালিয়ে তারা প্রমাণ করেছে শক্তি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনো ইরানের বড় চমক বাকি।

ইরানের হ্যাকাররা সাইবার যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সমকক্ষ হয়ে উঠেছে। স্ট্রাইকার প্রতিষ্ঠানে বড় হামলা চালিয়ে তারা প্রমাণ করেছে শক্তি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এখনো ইরানের বড় চমক বাকি।

ইরানের সাইবার হামলায় ইসরায়েলি নাগরিকদের ফোনে স্পাইওয়্যার ঢোকানো হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময়। এআই-চালিত ডিপফেক ও হাজার হাজার আক্রমণ চলছে যুদ্ধের ছায়ায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি সাইবার যুদ্ধের নতুন ভয়াবহ অধ্যায়।

ইরানের আইআরজিসি মধ্যপ্রাচ্যে গুগল, মেটা, অ্যাপলসহ ১৮টির বেশি মার্কিন প্রযুক্তি ও অ্যারোস্পেস প্রতিষ্ঠানে হামলার হুমকি দিয়েছে। ১ এপ্রিল রাত ৮টা থেকে হামলা শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রযুক্তি ইরানের নেতাদের গুপ্তহত্যায় সহায়তা করছে বলে অভিযোগ।

ইরান যুদ্ধে সস্তা শাহেদ ড্রোনের সাফল্য গুগলের সাবেক সিইও এরিক শ্মিটের পুরোনো পরামর্শকে নতুন করে প্রাসঙ্গিক করেছে। তিনি মার্কিন সেনাবাহিনীকে ব্যয়বহুল ট্যাংকের বদলে ড্রোন কেনার উপদেশ দিয়েছিলেন। এই যুদ্ধ ড্রোন প্রযুক্তির তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা প্রমাণ করেছে।

হরমুজ প্রণালির পানির নিচে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট ট্রাফিক পরিচালনা করা একাধিক সাবমেরিন কেব্লও রয়েছে।