
নিজেদের গড়া বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থাকে কেন বদলাতে চায় যুক্তরাষ্ট্র
যুদ্ধ বা বাণিজ্য, সব জায়গায় একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাই যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য। বিশ্বের বাণিজ্যকে নিয়ন্ত্রণ করা

যুদ্ধ বা বাণিজ্য, সব জায়গায় একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠাই যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম লক্ষ্য। বিশ্বের বাণিজ্যকে নিয়ন্ত্রণ করা

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর যুক্তরাষ্ট্র যখন নিষেধাজ্ঞা জারি করে রাশিয়ার ডলার রিজার্ভ জব্দ করে, তখন অনেক দেশের বিকল্প রিজার্ভ খোঁজার গতি আরও বেড়ে যায়।

লুচের উন্মোচন ঘিরে এতটাই আগ্রহ ছিল যে ইতালির প্রেসিডেন্ট সার্জিও মাত্তারেল্লা ও পোপ লিওকে অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

ইউনিভার্সিটি অব মিশিগানের সার্ভেস অব কনজিউমারসের পরিচালক জোয়ান হসু বিবৃতিতে বলেন, জীবনযাত্রার ব্যয় এখনো মানুষের প্রধান উদ্বেগের বিষয়।

কোম্পানির রেকর্ড মুনাফার পরিপ্রেক্ষিতে কর্মীরা দীর্ঘদিন ধরেই বেতন ও বোনাস বাড়ানোর দাবি জানিয়ে আসছেন।

এই ব্যবসায়ীরা সম্ভবত বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা ও ব্যবসায়িক চুক্তি সইয়ের চেষ্টা করবেন। শেষ মুহূর্তে সফরে যোগ দিয়েছেন এনভিডিয়ার জেনসেন হুয়াং।

বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এতে ভরিপ্রতি সোনার দাম বাড়ল ২ হাজার ১৫৮ টাকা। নতুন দাম সন্ধ্যা সাতটা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

জনগণের বাড়তি খরচের ওপর ভিত্তি করে মুনাফা করেছে ব্রিটিশ পেট্রোলিয়াম, এই অভিযোগ তুলে ভোক্তাদের ক্ষোভ প্রকাশ।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতির পর হরমুজ প্রণালী খোলা নাকি বন্ধ, তা নিয়ে পরস্পরবিরোধী তথ্য প্রকাশ পাচ্ছে। ইরানের দাবি বন্ধ রয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বলছে খোলা এবং চলাচল বাড়ছে। বিশ্ববাণিজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ নিয়ে বিভ্রান্তি চলছে।

ম্যাককোয়ারি গ্রুপের গবেষণায় বলা হয়েছে, যুদ্ধ জুন পর্যন্ত চললে তেলের দাম সাময়িকভাবে ২০০ ডলার ছাড়াতে পারে, সম্ভাবনা ২০ শতাংশ। মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ ও হরমুজ বন্ধের কারণে ডব্লিউটিআই ক্রুড ১০০ ডলার পেরিয়েছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করছেন, সরবরাহ সংকট গভীর হলে বিশ্ব অর্থনীতি বড় ধাক্কা খাবে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে কঠোর হামলার হুমকির পর বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৯ ডলার ছাড়িয়ে যায়। ডব্লিউটিআই তেলও ১১০ ডলারের ওপরে ওঠে। ইরান যুদ্ধে হরমুজ প্রণালী বন্ধের কারণে সরবরাহ ব্যাহত।

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধে হুতিরা জড়িয়ে পড়ায় লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দাব প্রণালি ঝুঁকিতে। এতে তেলের দাম, সামুদ্রিক বাণিজ্য ও মূল্যস্ফীতিতে বড় প্রভাব পড়তে পারে। হরমুজ প্রণালি বন্ধের পর সৌদি তেল এই পথ দিয়ে পাঠাচ্ছে।