দুঃসময়ে পঠিত নবীজির দোয়া
কখনো এমন পরিস্থিতি আসে যখন মানুষের সাধ্যে কিছুই থাকে না—তখন দোয়া-ই হয় আমাদের বড় আশ্রয়। আল্লাহর কাছে কাকুতি-মিনতি করা ছাড়া উপায় থাকে না।
কখনো এমন পরিস্থিতি আসে যখন মানুষের সাধ্যে কিছুই থাকে না—তখন দোয়া-ই হয় আমাদের বড় আশ্রয়। আল্লাহর কাছে কাকুতি-মিনতি করা ছাড়া উপায় থাকে না।
আমাদের উচিত, প্রতি ওয়াক্তের নামাজে মৃত আত্মীয়-স্বজনের জন্য দোয়া করা। তাতে আল্লাহর করুণায় তাদের কবরকে জান্নাতের বাগানে পরিণত করতে পারে।
ইসলামে এমন কিছু বিশেষ ও বরকতময় মুহূর্তের কথা বলা হয়েছে, যখন বান্দার ডাক সরাসরি আল্লাহর দরবারে পৌঁছে যায় এবং দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।
তকদিরের দোহাই দিয়ে দোয়া থেকে বিরত থাকা ঠিক নয়। কারণ দোয়া নিজেই ভাগ্যের একটি অংশ। আল্লাহর ভাণ্ডারে কোনো কিছুর কমতি নেই।
দোয়া কেবল কিছু শব্দের সমষ্টি নয়, বরং এটি বান্দার পক্ষ থেকে তার মহান স্রষ্টার প্রতি গভীর কাকুতি-মিনতি ও আত্মনিবেদনের অনন্য মাধ্যম।
সুরা বাকারায় ইব্রাহিম (আ.) মক্কা নগরীর জন্য দোয়া করেছিলেন। সেখানে তিনি মাত্র দুটো জিনিস চেয়েছিলেন—একটি নিরাপদ শহর এবংঅধিবাসীদের জন্য রিজিক।
জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তে মানুষ বর্তমানের কষ্ট ছাড়া আর কিছুই দেখতে পায় না। মনে হয়, মৃত্যুই বুঝি সব যন্ত্রণার অবসান। অথচ মানুষের জ্ঞান সীমিত।
ইসলামে অত্যাচারীর বিরুদ্ধে বদদোয়া করা জায়েজ, তবে শরিয়ত নির্দিষ্ট সীমা ও নিয়ম দিয়েছে। কোরআন, হাদিস ও আলেমদের মতামত থেকে এর বিধান বোঝা যায়। মজলুমের জন্য এটি একটি শক্তিশালী হাতিয়ার, কিন্তু সীমালঙ্ঘন নিষিদ্ধ।
তিনি তো বান্দার জন্য এমন এক আশ্রয়দাতা, যাঁর কাছে শতবার কাঁদলেও তিনি বিরক্ত হন না। বরং তিনি তো সেই রব, যিনি না চাইলে অসন্তুষ্ট হন।
নবীদের দোয়াগুলো পাশাপাশি রাখলে একটা মিল চোখে পড়ে। তাঁরা কেউ দীর্ঘ আরজি করেননি। শুধু নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে অপেক্ষা করেছেন আল্লাহর সাহায্যের।
জীবনের প্রতিটি কঠিন ও ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ মুহূর্তে আল্লাহর নবীজির শেখানো দোয়াটিই ছিল তাঁর মনের স্থিরতা ও সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার মূল চাবিকাঠি।
এক জুমার দিন নবীজি (সা.) মদিনায় খুতবা দিচ্ছিলেন। এক ব্যক্তি এসে বলল, ‘হে আল্লাহর রাসুল, বৃষ্টি না হওয়ায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে, আপনি আমাদের জন্য বৃষ্টির দোয়া করুন।’