
তৃণমূল, শিবসেনা ভাঙার পর বিজেপির নজর এখন কোন দলের দিকে
সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর আগেই বিজেপি চাইছে, লোকসভায় দুই–তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আদায় করতে। প্রথমে তৃণমূল কংগ্রেস ও পরে শিবসেনার উদ্ধব গোষ্ঠীতে ভাঙন ধরানো সেই চেষ্টারই অংশ।

সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশন শুরুর আগেই বিজেপি চাইছে, লোকসভায় দুই–তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আদায় করতে। প্রথমে তৃণমূল কংগ্রেস ও পরে শিবসেনার উদ্ধব গোষ্ঠীতে ভাঙন ধরানো সেই চেষ্টারই অংশ।

ছত্তিশগড়ের কোরিয়া জেলায় বিজেপি নেতা ভারত সিংকে গাড়িতে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

মমতার দলে ভাঙন, বিজেপির অপারেশন লোটাস

পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার ক্ষমতায় এল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) সরকার। স্বাভাবিকভাবেই নানা আশা রয়েছে মানুষের, বিজেপির জন্য রয়েছে একাধিক চ্যালেঞ্জও।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে শুভেন্দুর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার ইতিমধ্যে মন্ত্রিসভা গঠন করেছে। একজন গৃহপরিচারিকাকে নতুন মন্ত্রিসভায় যুক্ত করে চমক দিয়েছে বিজেপি।

লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যসংখ্যা ২৮, রাজ্যসভায় ১৩।

ভোটে শোচনীয়ভাবে হারার পর প্রথম প্রকাশ্যে কর্মসূচিতে এলেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির বিরুদ্ধে আন্দোলনের ঘোষণা দিলেন তিনি; বললেন, তাঁর লক্ষ্য রাজ্যের ক্ষমতা থেকে বিজেপিকে হটানো।

কল্যাণের অভিযোগ, বিজেপি কর্মী-সমর্থকেরা তাঁর ওপর প্রতিশোধমূলক এ হামলা চালিয়েছে

উত্তর ও মধ্য ভারতে হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি যদি বহুলাংশে মন্দির-মসজিদ রাজনীতির ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকে, তবে পূর্বাঞ্চলে কথিত অবৈধ অনুপ্রবেশকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানোর চেষ্টা করছে বিজেপি।

পশ্চিমবঙ্গের ফলতায় পুনর্নির্বাচনে বিজেপির দেবাংশু পান্ডা বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন।

বিহার, দিল্লি, আসাম ও পশ্চিমবঙ্গে জেতার পর বিজেপির ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে দক্ষিণ ভারতের দুটি অ-হিন্দি রাজ্য তামিলনাড়ু ও কেরালায়। এসবই নরেন্দ্র মোদির পক্ষে যাচ্ছে।

ভারতে মসজিদকে মন্দির করার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। ২০১৪ সালে মোদি ক্ষমতায় আসার পর থেকে কট্টর হিন্দুত্ববাদী কর্মীরা ভারতজুড়ে এ ধরনের দাবি করে আসছেন।